ঢাকাশনিবার , ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • সকল বিভাগ
  1. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  2. Blog ও website ইনকাম
  3. Digital marketing
  4. Freelancing
  5. Online গাইড লাইন
  6. online ব্যবসা
  7. Passive income
  8. SEO শিখুন
  9. Video এডিটিং
  10. অনলাইন ইনকাম
  11. ইসলাম
  12. কনটেন্ট রাইটিং
  13. খাদ্য ও পুষ্টি
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরি-বাকরি

অনলাইন ইনকাম কি সত্যি? নাকি শুধু প্রতারণা?

অনলাইন কর্ম
নভেম্বর ২২, ২০২৫ ৬:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অনেকেই ভাবে অনলাইনে আয় মানেই হয় প্রতারণা, আর কেউ কেউ আবার ভাবে এটা খুব সহজে টাকা পাওয়ার উপায়। কিন্তু সত্যটা হলো—অনলাইনে যেমন ভুয়া ফাঁদ আছে, তেমনি বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য সুযোগও আছে। তুমি যদি না জেনে, না বুঝে কোনো কাজে ঝাঁপ দাও, তাহলে সমস্যায় পড়তে পারো। আর যদি সচেতন হয়ে, সঠিক তথ্য নিয়ে ধীরে এগোও, তাহলে অনলাইন কাজ তোমার জন্য বড় একটা সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

 সূচিপত্রঃ

১. অনলাইন ইনকাম আসলে কী এবং এটা কীভাবে কাজ করে

২. মানুষ কেন অনলাইন ইনকাম নিয়ে বিভ্রান্ত হয়

৩. সত্যিকারের অনলাইন ইনকামের উদাহরণ
৪. অনলাইন প্রতারণা কীভাবে চিনবেন
৫. সাধারণ স্ক্যাম বা ফেক অফারের ধরন
৬. ফ্রিল্যান্সিং কি সত্যি কাজের সুযোগ দেয়?
৭. ইউটিউব ও ব্লগিং: বাস্তব নাকি ভুয়া?
৮. অ্যাপ দিয়ে আয় – কোনটা বিশ্বাসযোগ্য, কোনটা নয়
৯. টাকা দেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি
১০. নতুনদের করা সবচেয়ে বড় ভুলগুলো
১১. ফ্রি কাজ বনাম টাকা দিয়ে কাজ – কোনটা ভালো
১২. নিরাপদ অনলাইন ইনকাম শুরু করার উপায়
১৩. সফল মানুষের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা
১৪. অনলাইন ইনকামে ধৈর্য ও সময়ের গুরুত্ব
১৫. অনলাইন ইনকাম: সুযোগ নাকি শুধুই ঝুঁকি? – চূড়ান্ত বিশ্লেষণ

অনলাইন ইনকাম আসলে কী এবং এটা কীভাবে কাজ করে

অনলাইন ইনকাম বলতে আমি তুমি যেভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের দক্ষতা, সময় বা আইডিয়াকে টাকায় রূপ দিই, সেটাকেই বোঝায়। ধরো, তোমার লিখতে ভালো লাগে তাহলে ব্লগ, কনটেন্ট রাইটিং বা ফেসবুক পেজ থেকেই আয় সম্ভব। আবার আমার মতো কেউ যদি ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং বা কোডিং জানে, সে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে কাজ পেতে পারে। এখানে মূল যুক্তি একটাই তুমি কী জানো আর সেটা দিয়ে কার সমস্যা সমাধান করতে পারো কি না। অনলাইন দুনিয়ায় বস নেই, কিন্তু দায়িত্ব আছে; কাজ করলে টাকা, না করলে কিছুই না। বাস্তবে অনেক মানুষ ঘরে বসে ইউটিউব, অনলাইন কোর্স বা ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে। আমার মতামত হলো, ধৈর্য আর শেখার ইচ্ছা থাকলে এই পথটা সত্যিই ।

মানুষ কেন অনলাইন ইনকাম নিয়ে বিভ্রান্ত হয়

মানুষ অনলাইন ইনকাম নিয়ে বিভ্রান্ত হয় মূলত দ্রুত ধনী হওয়ার লোভ আর ভুল তথ্যের কারণে। তুমি আমি যখন ইউটিউব বা ফেসবুকে দেখি, কেউ এক মাসে লাখ টাকা আয় করছে, তখন মনে হয় এটা বুঝি খুব সহজ। কিন্তু সত্যটা হলো অনলাইন ইনকাম আসলে কী এবং এটা কীভাবে কাজ করে, সেটা না বুঝেই আমরা ঝাঁপ দিই। বাস্তবে এখানে কাজ করে দক্ষতা, সময় আর ধৈর্য। ধরো, আমার এক বন্ধু ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিল প্রথম তিন মাসে আয় শূন্য, কিন্তু শেখা থামায়নি। পরে ক্লায়েন্ট পেয়ে নিয়মিত ইনকাম করছে। আমার মতে, বিভ্রান্তি কাটাতে হলে তোমার আমার আগে জানতে হবে আমি কী পারি, কোথায় ভ্যালু তৈরি করতে পারি। একটাই আইডিয়া যথেষ্ট: আগে শেখো, পরে আয় উল্টোটা নয়।

সত্যিকারের অনলাইন ইনকামের উদাহরণ

সত্যিকারের অনলাইন ইনকামের উদাহরণ বলতে আমি তুমি যে কাজটা বাস্তবে করি আর মানুষ সেটা দেখে ভরসা করে টাকা দেয়, সেটাই বোঝাই। ধরো, তোমার লেখা হাত ভালো তাহলে ছোট ব্যবসার জন্য পোস্ট লিখে দেওয়া। আমার এক পরিচিত বোন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা সময় দেয়, ক্লায়েন্টের কাজ ঠিকমতো ডেলিভারি করে, এখন মাস শেষে ভালো অঙ্ক আসে। এখানে যুক্তিটা সহজ স্কিল + নিয়মিততা = ফল। কোনো জাদু নেই, রাতারাতি কিছু হয় না। আমার নিজের মতামত হলো, তুমি যদি আজ শেখা শুরু করো আর কালই আয় আশা করো, হতাশ হবে। কিন্তু ধৈর্য ধরলে অনলাইন ইনকাম আস্তে আস্তে খুবই বাস্তব একটা পথ হয়ে ওঠে।

অনলাইন প্রতারণা কীভাবে চিনবেন

অনলাইন প্রতারণা চিনতে না পারার কারণেই আমি তুমি অনেক সময় সহজ ফাঁদে পড়ে যাই। ধরো, কেউ বলল “এক সপ্তাহে নিশ্চিন্তে হাজার হাজার টাকা”, কিন্তু কাজ কী সেটা পরিষ্কার না এখানেই সন্দেহ করা উচিত। বাস্তবে অনলাইন ইনকাম কখনোই গ্যারান্টি দেয় না, দেয় সুযোগ। আমার এক বন্ধুর সাথে এমন হয়েছিল আগে টাকা চাইল, তারপর আর কোনো কাজই দিল না। যুক্তিটা খুব সোজা যেখানে স্কিল ছাড়াই বড় আয়, সেখানে ঝুঁকি শতভাগ। তুমি আমি যদি দেখি যোগাযোগের ঠিকানা নেই, রিভিউ ভুয়া, চাপ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলে তাহলে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের। আমার নিজের মতামত হলো, আস্তে আস্তে শেখা আর যাচাই করা মানুষ কখনো সহজে প্রতারিত হয় না। সন্দেহকে ভয় না পেয়ে সেটাকেই সুরক্ষা বানাও।

অনলাইন থেকে সহজে ইনকাম

সাধারণ স্ক্যাম বা ফেক অফারের ধরন

বর্তমানে সাধারণ স্ক্যাম বা ফেক অফার এমনভাবে আসে যে তুমি প্রথমে বুঝতেই পারো না। আমার মতে, স্ক্যামাররা মানুষের লোভ আর সহজ বিশ্বাসকে টার্গেট করে। যেমন তুমি মেসেজ পেলে, “আমার এই লিংকে ঢুকে ৫ মিনিট কাজ করো, দিনে ৫ হাজার টাকা।” বাস্তবে দেখা যায়, লিংকে ঢুকলেই তোমার তথ্য চাওয়া হয় বা আগে টাকা দিতে বলে। আমি নিজেও দেখেছি, পরিচিত একজন “অনলাইন ইনকাম “ এর নামে কোর্স কিনে কিছুই পায়নি। আরেকটা ফেক অফার হলো ফেসবুকে চাকরির পোস্ট, যেখানে তোমার কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন ফি চায়। যুক্তি একটাই, আসল সুযোগ কখনো আগে টাকা চায় না। আমার মতামত হলো, তুমি যদি নিজের মাথা ঠান্ডা রাখো আর যাচাই না করে বিশ্বাস না করো, তাহলে এসব স্ক্যাম তোমার ক্ষতি করতে পারবে না।

ফ্রিল্যান্সিং কি সত্যি কাজের সুযোগ দেয়?

ফ্রিল্যান্সিং কি সত্যি কাজের সুযোগ দেয়? আমার উত্তর হ্যাঁ, তবে সবাইকে না। তুমি যদি ভাবো, আজ অ্যাকাউন্ট খুললে কালই টাকা আসবে, তাহলে তুমি ভুল পথে হাঁটছ। আমি নিজে দেখেছি, যারা ধৈর্য ধরে স্কিল শিখেছে, তারাই কাজ পেয়েছে। ধরো, তোমার গ্রাফিক ডিজাইনের আইডিয়া আছে প্রথমে ছোট কাজ, কম টাকা, তারপর আস্তে আস্তে বড় প্রজেক্ট। বাস্তবে আমার এক পরিচিত প্রথম মাসে কিছুই পায়নি, কিন্তু তিন মাস পর নিয়মিত ক্লায়েন্ট জুটেছে। যুক্তি সহজ, মার্কেটপ্লেসে কাজ আছে, কিন্তু প্রতিযোগিতা বেশি। আমার মতামত হলো, ফ্রিল্যান্সিং কোনো ম্যাজিক না, এটা একটা বাস্তব পেশা। সঠিক স্কিল, সময় আর বাস্তব আশা থাকলে অনলাইন ইনকাম সত্যিই সম্ভব।

ইউটিউব ও ব্লগিং: বাস্তব নাকি ভুয়া?

ইউটিউব আর ব্লগিং বাস্তব নাকি ভুয়া? আমার কাছে উত্তরটা একদম পরিষ্কার দুটোই বাস্তব, কিন্তু সবার জন্য না। তুমি যদি ভাবো আজ ভিডিও আপলোড করলেই কাল টাকা, তাহলে সেটা ভুয়া স্বপ্ন। কিন্তু আমি দেখেছি, আমার পরিচিত একজন ছোট্ট মোবাইল আর সস্তা ইন্টারনেট দিয়ে রান্নার ভিডিও শুরু করেছিল, এক বছর পর নিয়মিত ইনকাম করছে। ব্লগিংও একই নিজের অভিজ্ঞতা, সমস্যার সমাধান, বা শেখা জিনিস লিখলে মানুষ পড়ে। এখানে মূল বিষয় ধৈর্য, এককের এক আর ভ্যালু দেওয়া। কপি পেস্ট করলে কিছুই হবে না। ইউটিউব ব্লগিং আসলে অনলাইন ইনকাম এর টুল, শর্টকাট না। আমি মনে করি, তুমি যদি নিজের ভাষায়, নিজের মতো করে সত্যিকারের কনটেন্ট বানাও, তাহলে এটা ভুয়া নয় একদম বাস্তব।

অনলাইন বিভিন্ন তথ্য জন্য ক্লিক করুন

অ্যাপ দিয়ে আয় কোনটা বিশ্বাসযোগ্য, কোনটা নয়

অ্যাপ দিয়ে আয় বিশ্বাসযোগ্য নাকি নয়, এটা বুঝতে তোমার আমার একটু মাথা খাটানো দরকার। আমি দেখেছি, যেসব অ্যাপ শুধু ভিডিও দেখো, লাইক দাও আর বড় টাকার লোভ দেখায় সেগুলোর বেশিরভাগই ভুয়া। কারণ কাজের ভ্যালু নেই। কিন্তু তুমি যদি ফ্রিল্যান্সিং অ্যাপ, স্কিল শেখার অ্যাপ, বা সার্ভিসভিত্তিক অ্যাপ ব্যবহার করো, সেখানে বাস্তব সম্ভাবনা আছে। আমার এক বন্ধু মোবাইল দিয়ে ডিজাইন শিখে একটা অ্যাপ থেকেই নিয়মিত কাজ পাচ্ছে। এখানে টাকা আসে তোমার দক্ষতা থেকে, অ্যাপটা শুধু মাধ্যম। তাই আমি বলি, যে অ্যাপ তোমার কাছ থেকে আগে টাকা চায় সাবধান। অ্যাপ দিয়ে অনলাইন ইনকাম সম্ভব, কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য তখনই, যখন কাজটা বাস্তব ।

টাকা দেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি

টাকা দেওয়ার আগে একটু থামা খুব জরুরি এই জায়গাতেই তোমার আমার বেশিরভাগ ভুল হয়। আমি সবসময় দেখি, প্রথমে কাজটা কী আর আয়টা কীভাবে আসবে, সেটা পরিষ্কারভাবে বলা আছে কি না। যদি শুধু বড় লাভের কথা বলে, কিন্তু কাজের ব্যাখ্যা না থাকে আমি সন্দেহ করি। বাস্তব উদাহরণ দিই, আমার এক পরিচিত কোনো যাচাই না করেই রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছিল, পরে দেখল অ্যাপটাই উধাও। তাই তুমি রিভিউ খোঁজো, গুগলে নাম সার্চ করো, সোশ্যাল প্রেজেন্স আছে কি না দেখো। আর যে জায়গায় আগে টাকা, পরে কাজ সেখানে সাবধান হও। আমার মতে, “অনলাইন ইনকাম” এর নামে টাকা দেওয়ার আগে যুক্তি, প্রমাণ আর বাস্তব অভিজ্ঞতা যাচাই করাই বুদ্ধি মানের কাজ।

নতুনদের করা সবচেয়ে বড় ভুলগুলো

নতুনরা যে সবচেয়ে বড় ভুলটা করে, সেটা আমি নিজেও একসময় করেছি সবচেয়ে দ্রুত ফল চাই। তুমি ভাবো আজ শুরু, কালই টাকা এখানেই গড়বড়। বাস্তবে শেখা, ট্রাই করা আর ভুল করা এই তিনটাই আসল পথ। আরেকটা ভুল হলো কপি করা অন্যের কনটেন্ট, আইডিয়া নকল করলে সাময়িক কিছু হতে পারে, কিন্তু টেকসই না। আমার এক বন্ধু শুধু টিউটোরিয়াল দেখে কাজ ধরেছিল, প্র্যাকটিস না করায় ক্লায়েন্ট হারায়। আবার কেউ কেউ যাচাই না করেই টাকা দেয়, পরে আফসোস। আমি মনে করি, ধৈর্য না রাখা, যাচাই না করা আর নিজের দক্ষতা না বাড়ানো এই তিনটাই বড় ভুল। “অনলাইন ইনকাম” তখনই কাজ করে, যখন তুমি বাস্তবভাবে শিখে, নিজের মতো করে এগাও।

ফ্রি কাজ বনাম টাকা দিয়ে কাজ  কোনটা ভালো

ফ্রি কাজ নাকি টাকা দিয়ে কাজ এই প্রশ্নটা আমিও শুরুতে নিজেকে করেছি। আমার অভিজ্ঞতায়, নতুন হলে ফ্রি কাজ অনেক সময় ভালো শেখার সুযোগ দেয়। তুমি কাজ শিখো, ভুল করো, অভিজ্ঞতা জমাও টাকা না থাকলেও ভ্যালু থাকে। আমি একসময় বিনা পয়সায় দু একটা প্রজেক্ট করেছিলাম, সেখান থেকেই আত্মবিশ্বাস এসেছে। কিন্তু যদি এমন কাজ হয় যেখানে শুধু টাকা নেবে, শেখা বা সাপোর্ট কিছুই দেবে না তাহলে সেটা ক্ষতি। বাস্তব উদাহরণ হলো, স্কিল শেখার কোর্সে টাকা দিলে গাইডলাইন পাওয়া যায়, সেটার মূল্য আছে। তাই আমার মতে, ফ্রি মানে শেখা, আর টাকা মানে স্পষ্ট ভ্যালু। “অনলাইন ইনকাম” এর পথে ভালোটা হলো যেখানে তোমার শেখা আর লাভ দুটোই নিশ্চিত।

নিরাপদ অনলাইন ইনকাম শুরু করার উপায়

নিরাপদ অনলাইন ইনকাম শুরু করতে হলে আগে তোমার আমার মাথায় একটা জিনিস পরিষ্কার রাখা দরকারঝুঁকি কম, শেখা বেশি। আমি বলি, শুরুটা ফ্রি কাজ দিয়েই ভালো। এতে তুমি প্ল্যাটফর্ম বোঝো, নিজের দক্ষতা যাচাই করো, আর ঠকে যাওয়ার ভয় কম থাকে। বাস্তব উদাহরণ দিই, আমার পরিচিত একজন ফ্রি কনটেন্ট লিখে পোর্টফোলিও বানিয়েছিল, পরে পেইড কাজ পেয়েছে। আর টাকা দিয়ে কাজ তখনই ভালো, যখন স্পষ্টভাবে শেখার ভ্যালু, সাপোর্ট আর রেজাল্ট দেখা যায়। শুধু “টাকা দাও কাজ পাও” টাইপ জায়গা থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের। আমার মতে, নিরাপদ পথ হলো আগে শেখা, তারপর আস্তে আস্তে বিনিয়োগ। তাতেই অনলাইন দুনিয়ায় টিকে থাকা যায়, তাড়াহুড়ো করে নয়।

সফল মানুষের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা

সফল মানুষের অভিজ্ঞতা শুনলে একটা জিনিসই বারবার সামনে আসে তারা কেউ রাতারাতি জিতেনি। আমি যাদের কাছ থেকে শিখেছি, তারা সবাই শুরু করেছে ছোট কাজ দিয়ে, অনেক সময় ফ্রি কাজ করেও। তুমি যদি তাদের গল্প দেখো, বুঝবে আগে শেখা, পরে আয় এই নিয়মটাই কাজ করেছে। আমার এক পরিচিত শুরুতে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে স্কিল প্র্যাকটিস করত, ছয় মাস পর প্রথম পেইড প্রজেক্ট পায়। নিরাপদভাবে এগোতে হলে তোমাকে যাচাই করতে হবে প্ল্যাটফর্ম, কাজের চাহিদা আর নিজের সক্ষমতা। বড় লোভ নয়, বাস্তব পরিকল্পনাই টিকিয়ে রাখে। আমার মতে, “অনলাইন ইনকাম” তখনই নিরাপদ হয়, যখন তুমি অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে শেখো আর নিজের পথে আস্তে আস্তে এগাও।

অনলাইন ইনকামে ধৈর্য ও সময়ের গুরুত্ব

অনলাইন ইনকামে ধৈর্য আর সময় এই দুইটাই আসল খেলোয়াড়। আমি যাদের সত্যিকারের সফল মানুষ বলতে দেখি, তারা কেউই তাড়াহুড়ো করেনি। তুমি যদি তাদের অভিজ্ঞতা শোনো, বুঝবে শুরুতে মাসের পর মাস কোনো ফল আসেনি, তবু তারা লেগে ছিল। আমার এক পরিচিত প্রতিদিন নিয়ম করে কাজ করত, প্রথম আট মাস এক টাকাও আয় হয়নি, কিন্তু হাল ছাড়েনি। সময়ের সাথে স্কিল শক্ত হয়েছে, বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। এখানেই ধৈর্যের পরীক্ষা। আমি মনে করি, তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেওয়াই সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। “অনলাইন ইনকাম” কোনো জাদু নয়, এটা একটা প্রক্রিয়া যেখানে সময় দিলে ফল আসে, না দিলে কিছুই না। তাই আস্তে, কিন্তু নিয়মিত এগোনোই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের পথ।

অনলাইন ইনকাম: সুযোগ নাকি শুধুই ঝুঁকি? – চূড়ান্ত বিশ্লেষণ

অনলাইন ইনকাম সুযোগ নাকি ঝুঁকি? আমি বলব, দুটোই, তবে এটা পুরোপুরি তোমার আমার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তুমি যদি দ্রুত টাকা আর বড় স্বপ্নের পেছনে দৌড়াও, ঝুঁকিই বেশি। কিন্তু আমি দেখেছি, যারা সময় দিয়েছে, ধৈর্য ধরেছে আর ধাপে ধাপে শিখেছে, তাদের জন্য এটা বড় সুযোগ হয়েছে। বাস্তব উদাহরণ দিই একজন পরিচিত নিয়ম করে দুই বছর ব্লগে কাজ করেছে, প্রথম বছর প্রায় কিছুই পায়নি, দ্বিতীয় বছরে স্থির আয় এসেছে। এখানেই সময়ের গুরুত্ব বোঝা যায়। আমার মতে, তাড়াহুড়ো নয়, পরিকল্পনাই আসল শক্তি। “অনলাইন ইনকাম” কোনো লটারি না, এটা দীর্ঘমেয়াদি খেলাযেখানে ধৈর্য থাকলে সুযোগ, না থাকলে ঝুঁকি।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনলাইন কর্ম আপনাকে সাগতম অনলাইনে নতুন কিছু শিখতে চাইলে আমাদের পেজে সব ধরনের অনলাইন ইনকাম শিখতে পারবেন এবং আপনার প্রশ্ন উত্তর পারবে আমাদের গ্রুপ ও ফেসবুক আছে সেখানে অথবা কমেন্ট করতে পারবেন ok ক্লিক করুন ধন্যবাদ OK No thanks