ঢাকামঙ্গলবার , ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • সকল বিভাগ
  1. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  2. Blog ও website ইনকাম
  3. Digital marketing
  4. Freelancing
  5. Online গাইড লাইন
  6. online ব্যবসা
  7. Passive income
  8. SEO শিখুন
  9. Video এডিটিং
  10. অনলাইন ইনকাম
  11. ইসলাম
  12. কনটেন্ট রাইটিং
  13. খাদ্য ও পুষ্টি
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরি-বাকরি

ছোট ব্যবসার জন্য কম বাজেটে অনলাইন মার্কেটিং করার বাস্তব উপায়

অনলাইন কর্ম
ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫ ১২:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমি মনে করি বর্তমান সময়ে ছোট ব্যবসার জন্য অনলাইন মার্কেটিং আর বিলাসিতা নয়, এটি একটি প্রয়োজন। বড় বাজেট না থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তব কৌশল ব্যবহার করে অনলাইনে ভালো বিক্রি করা সম্ভব। আমি নিজে দেখেছি, অল্প খরচে ধৈর্য ও নিয়মিত চেষ্টা করলে ধীরে ধীরে কাস্টমার ও বিশ্বাস দুটোই তৈরি হয়। অনেকেই মনে করেন অনলাইন মার্কেটিং মানেই বড় খরচ, কিন্তু বাস্তবে ফ্রি ও কম বাজেটের অনেক উপায় আছে যা ছোট ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে পারে। এই লেখায় আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সহজ উদাহরণের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করেছি কীভাবে কম বাজেটে অনলাইন মার্কেটিং করে ছোট ব্যবসাকে সফল করা যায়।

সূচিপত্র

1. ছোট ব্যবসায় অনলাইন মার্কেটিং কেন সবচেয়ে কার্যকর

2. কম বাজেটে মার্কেটিং শুরু করার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ

3. ফেসবুক পেজ দিয়ে ফ্রি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলার কৌশল

4. হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস ব্যবহার করে সরাসরি কাস্টমার বিক্রি

5. লোকাল কাস্টমার ধরতে গুগল মাই বিজনেস সেটআপ

6. কনটেন্ট মার্কেটিং: লেখা ও ছবিতে বিক্রি বাড়ানোর উপায়

7. ভিডিও মার্কেটিং: মোবাইল দিয়েই প্রোমোশন

8. ফেসবুক গ্রুপে স্মার্ট প্রোমোশন করার নিয়ম

9. রেফারেল মার্কেটিং: কাস্টমার দিয়েই কাস্টমার আনা

10. ফ্রি টুল ব্যবহার করে অনলাইন মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট

11. কম বাজেটে ফেসবুক বুস্ট ও বিজ্ঞাপন দেওয়ার কৌশল

12. নিয়মিত পোস্ট ও কনসিস্টেন্সি ধরে রাখার স্ট্র্যাটেজি

13. কাস্টমার রিভিউ ও টেস্টিমোনিয়াল দিয়ে বিশ্বাস তৈরি

14. ভুল মার্কেটিং সিদ্ধান্ত যেগুলো ছোট ব্যবসায় ক্ষতি করে

15. দীর্ঘমেয়াদে কম খরচে অনলাইন বিক্রি বাড়ানোর পরিকল্পনা

 

 ছোট ব্যবসায় অনলাইন মার্কেটিং কেন সবচেয়ে কার্যকর

আমি মনে করি ছোট ব্যবসার জন্য অনলাইন মার্কেটিং সবচেয়ে কার্যকর, কারণ এখানে কম খরচে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। আমি নিজের ব্যবসার প্রচারে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও গুগল ব্যবহার করে খুব সহজেই কাস্টমার ধরতে পেরেছি। অফলাইন মার্কেটিংয়ের তুলনায় অনলাইনে ফল দ্রুত পাওয়া যায়।

আমি যখন প্রথম ব্যবসা শুরু করি, তখন বড় বাজেট ছিল না। আমি নিয়মিত ফেসবুক পেজে পোস্ট দিতাম এবং ইনবক্সে কাস্টমারের সঙ্গে কথা বলতাম। এতে বিজ্ঞাপন ছাড়াই অর্ডার আসতে শুরু করে এবং আমার ব্যবসার উপর বিশ্বাস তৈরি হয়।

আমি দেখেছি, এক পরিচিত ছোট বুটিক ব্যবসায়ী শুধু ফেসবুক লাইভ করে নতুন ড্রেস দেখিয়ে মাসে ভালো বিক্রি করছেন, যেখানে খরচ প্রায় শূন্য।

কম বাজেটে মার্কেটিং শুরু করার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ

আমি মনে করি কম বাজেটে অনলাইন মার্কেটিং করার আগে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো পরিষ্কার লক্ষ্য নির্ধারণ করা। আমি যদি নিজেই না জানি আমি কী বিক্রি করতে চাই, কার কাছে বিক্রি করতে চাই এবং মাসে কতটা বিক্রি বাড়াতে চাই, তাহলে মার্কেটিং করেও সঠিক ফল পাওয়া যায় না। তাই আমি আগে লক্ষ্য ঠিক করি, তারপর কাজ শুরু করি।

আমি একসময় কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই পোস্ট দিতাম, ফলে রেসপন্স কম পেতাম। পরে আমি ঠিক করি প্রতিদিন ৫ জন নতুন কাস্টমারের সঙ্গে কথা বলব। এই ছোট লক্ষ্যই আমার বিক্রি বাড়াতে সাহায্য করে।

আমি দেখেছি, এক ফুড ব্যবসায়ী শুধু অফিস টাইমে লাঞ্চ অর্ডার টার্গেট করে পোস্ট দিয়ে অল্প সময়েই নিয়মিত কাস্টমার তৈরি করেছেন।

ফেসবুক পেজ দিয়ে ফ্রি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলার কৌশল

আমি মনে করি ফেসবুক পেজ হলো ছোট ব্যবসার জন্য সবচেয়ে সহজ ও ফ্রি ব্র্যান্ডিং মাধ্যম। আমি নিজের পেজে নিয়মিত পণ্যের ছবি, দাম ও ব্যবহার পদ্ধতি শেয়ার করি, যাতে মানুষ আমাকে চিনতে পারে। আমি চেষ্টা করি পোস্টের ভাষা সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য রাখতে, এতে কাস্টমারের আস্থা বাড়ে।

আমি যখন পেজ খুলেছিলাম, তখন ফলোয়ার ছিল খুব কম। আমি প্রতিদিন একবার পোস্ট দিতাম এবং সব কমেন্টের রিপ্লাই দিতাম। কয়েক মাসের মধ্যেই মানুষ আমার পেজ চিনতে শুরু করে এবং ইনবক্সে অর্ডার আসতে থাকে।

আমি দেখেছি, এক হোমমেড খাবারের পেজ নিয়মিত রান্নার ছবি ও কাস্টমার রিভিউ পোস্ট করে কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই ভালো ব্র্যান্ড তৈরি করেছে।

হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস ব্যবহার করে সরাসরি কাস্টমার বিক্রি

আমি মনে করি হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস ছোট ব্যবসার জন্য খুবই কার্যকর, কারণ এখানে সরাসরি কাস্টমারের সঙ্গে কথা বলা যায়। আমি নিজের ব্যবসায় হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে ক্যাটালগ, অটো রিপ্লাই ও স্ট্যাটাস ব্যবহার করি, এতে কাস্টমারকে বারবার বুঝাতে হয় না। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাঁচে।

আমি আগে সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতাম, এতে অনেক মেসেজ মিস হতো। পরে হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস চালু করে অটো রিপ্লাই সেট করি। এতে কাস্টমার দ্রুত তথ্য পায় এবং অর্ডার কনভার্সন বেড়ে যায়।

আমি দেখেছি, এক ছোট কসমেটিকস ব্যবসায়ী শুধু হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে নতুন পণ্য দিয়ে প্রতিদিন অর্ডার পাচ্ছেন, কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই।

লোকাল কাস্টমার ধরতে গুগল মাই বিজনেস সেটআপ

আমি মনে করি লোকাল কাস্টমার পাওয়ার জন্য গুগল মাই বিজনেস ছোট ব্যবসার জন্য দারুণ একটি ফ্রি টুল। আমি নিজের ব্যবসার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও ছবি এখানে যুক্ত করেছি, যাতে কেউ গুগলে সার্চ করলেই আমাকে খুঁজে পায়। এতে লোকাল কাস্টমারের বিশ্বাস দ্রুত তৈরি হয়।

এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

আমি গুগল মাই বিজনেস সেটআপ করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফোন কল পেতে শুরু করি। অনেক কাস্টমার বলেছে, তারা গুগলে সার্চ করেই আমার ব্যবসা খুঁজে পেয়েছে। এতে আমার অফলাইন ও অনলাইন দুই দিকেই বিক্রি বেড়েছে।

আমি দেখেছি, এক ছোট মোবাইল সার্ভিস দোকান গুগল ম্যাপে লিস্ট হয়ে প্রতিদিন নতুন লোকাল কাস্টমার পাচ্ছে, কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই।

কনটেন্ট মার্কেটিং: লেখা ও ছবিতে বিক্রি বাড়ানোর উপায়

আমি মনে করি ভালো কনটেন্ট ছাড়া অনলাইন মার্কেটিং সফল হয় না। আমি চেষ্টা করি এমন লেখা ও ছবি ব্যবহার করতে, যা কাস্টমারের সমস্যা ও প্রয়োজনকে তুলে ধরে। শুধু পণ্যের দাম নয়, কেন এই পণ্য দরকার সেটা আমি কনটেন্টের মাধ্যমে বোঝাই, এতে কাস্টমার আগ্রহী হয়।

আমি আগে শুধু পণ্যের ছবি পোস্ট করতাম, রেসপন্স কম ছিল। পরে আমি ব্যবহার পদ্ধতি ও সুবিধা লিখে পোস্ট করা শুরু করি। তখন কমেন্ট ও ইনবক্সে প্রশ্ন বাড়ে, আর বিক্রিও আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে।

আমি দেখেছি, এক স্কিনকেয়ার পেজ আগে-পরে ছবি ও ছোট গল্প লিখে পোস্ট করে খুব কম খরচে নিয়মিত অর্ডার পাচ্ছে।

ভিডিও মার্কেটিং: মোবাইল দিয়েই প্রোমোশন

আমি মনে করি ভিডিও মার্কেটিং ছোট ব্যবসার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী একটি মাধ্যম। আমি শুধু মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পণ্যের ভিডিও করি এবং ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করি। ভিডিওতে পণ্য দেখানো ও কথা বলার মাধ্যমে কাস্টমারের বিশ্বাস দ্রুত তৈরি হয়।

আমি যখন প্রথম ভিডিও করা শুরু করি, তখন ভয় লাগত। কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যায়। আমি লক্ষ্য করেছি, ছবির পোস্টের তুলনায় ভিডিওতে বেশি কমেন্ট ও ইনবক্স আসে এবং কাস্টমার সহজে সিদ্ধান্ত নেয়।

আমি দেখেছি, এক ছোট অনলাইন শপ প্রতিদিন রিল ভিডিও দিয়ে নতুন পণ্য দেখায় এবং কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই ভালো বিক্রি করছে।

ফেসবুক গ্রুপে স্মার্ট প্রোমোশন করার নিয়ম

আমি মনে করি ফেসবুক গ্রুপ ছোট ব্যবসার জন্য ফ্রি কাস্টমার পাওয়ার ভালো জায়গা। আমি যেকোনো গ্রুপে সরাসরি বিক্রির পোস্ট না দিয়ে আগে গ্রুপের নিয়ম বুঝি এবং মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিই। এতে মানুষ আমাকে বিশ্বাস করতে শেখে।

এখানে ক্লিক করলে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন

আমি আগে অনেক গ্রুপে শুধু প্রোডাক্ট পোস্ট করতাম, তেমন রেসপন্স পেতাম না। পরে আমি গ্রুপে উপকারী তথ্য শেয়ার করা শুরু করি। তখন মানুষ নিজে থেকেই ইনবক্সে পণ্য সম্পর্কে জানতে চায়।

আমি দেখেছি, এক হ্যান্ডমেড প্রোডাক্ট বিক্রেতা গ্রুপে নিয়মিত টিপস দিয়ে মাসে ভালো অর্ডার পাচ্ছে, কোনো পেইড বিজ্ঞাপন ছাড়াই।

রেফারেল মার্কেটিং: কাস্টমার দিয়েই কাস্টমার আনা

আমি মনে করি রেফারেল মার্কেটিং হলো সবচেয়ে কম খরচে বিক্রি বাড়ানোর উপায়। আমি চেষ্টা করি পুরোনো কাস্টমারকে সন্তুষ্ট রাখতে, কারণ তারাই নতুন কাস্টমার নিয়ে আসে। আমি সরাসরি বলি ভালো লাগলে অন্যদের বলবেন। এতে বিশ্বাসযোগ্য বিক্রি হয়।

আমি একসময় লক্ষ্য করি, আমার অনেক অর্ডার আসছে পরিচিতদের রেফারেন্সে। তখন আমি পুরোনো কাস্টমারদের জন্য ছোট ছাড় বা ফ্রি ডেলিভারি দিই। এতে তারা আরও আগ্রহ নিয়ে অন্যদের কাছে আমার ব্যবসার কথা বলে।

আমি দেখেছি, এক বিউটি সার্ভিস ব্যবসায়ী শুধু কাস্টমার রেফারেলের মাধ্যমেই নিয়মিত বুকিং পাচ্ছেন, কোনো অনলাইন বিজ্ঞাপন ছাড়াই।

ফ্রি টুল ব্যবহার করে অনলাইন মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট

আমি মনে করি ছোট ব্যবসার জন্য ফ্রি টুল ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি ক্যানভা দিয়ে পোস্ট ডিজাইন করি, ফেসবুক ইনসাইট দেখে পোস্টের রেজাল্ট বুঝি এবং গুগল ড্রাইভে কাস্টমারের তথ্য রাখি। এতে আলাদা লোক বা সফটওয়্যারের দরকার হয় না।

আমি আগে সব কাজ এলোমেলোভাবে করতাম। পরে ফ্রি টুল ব্যবহার শুরু করলে সময় বাঁচে এবং কাজ গুছানো হয়। এতে আমি নিয়মিত পোস্ট ও কাস্টমার ফলোআপ করতে পারি।

আমি দেখেছি, এক ছোট অনলাইন শপ ক্যানভা ও গুগল শিট ব্যবহার করে পুরো মার্কেটিং ও অর্ডার ম্যানেজ করছে, কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই।

কম বাজেটে ফেসবুক বুস্ট ও বিজ্ঞাপন দেওয়ার কৌশল

আমি মনে করি ফেসবুক বুস্ট ও বিজ্ঞাপন ছোট বাজেটেও কার্যকর হতে পারে, যদি সঠিকভাবে করা যায়। আমি খুব কম টাকা দিয়ে নির্দিষ্ট লোকেশন, বয়স ও আগ্রহ অনুযায়ী বিজ্ঞাপন সেট করি। এতে অপ্রয়োজনীয় মানুষের কাছে বিজ্ঞাপন যায় না এবং বাজেট নষ্ট হয় না।

আমি একবার অল্প টাকা দিয়ে পোস্ট বুস্ট করে শুধু ইনবক্স টার্গেট করি। এতে অনেক নতুন কাস্টমার মেসেজ দেয় এবং কয়েকজন নিয়মিত কাস্টমারে পরিণত হয়। ধীরে ধীরে আমি বিজ্ঞাপনের কৌশল বুঝতে শিখি।

আমি দেখেছি, এক ছোট অনলাইন ফুড বিজনেস দিনে মাত্র ২০০ টাকা বিজ্ঞাপন দিয়ে নিয়মিত অর্ডার পাচ্ছে।

নিয়মিত পোস্ট ও কনসিস্টেন্সি ধরে রাখার স্ট্র্যাটেজি

আমি মনে করি অনলাইন মার্কেটিংয়ে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো নিয়মিত থাকা। আমি চেষ্টা করি নির্দিষ্ট সময় ও দিনে পোস্ট দিতে, যাতে মানুষ আমার পেজে অভ্যস্ত হয়ে যায়। একদিন বেশি পোস্ট আর কয়েকদিন কিছুই না এই অভ্যাস আমি এড়িয়ে চলি।

আমি একসময় অনিয়মিত পোস্ট দিতাম, তখন রিচ কমে যেত। পরে আমি সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন পোস্ট দেওয়ার রুটিন বানাই। এতে আস্তে আস্তে এনগেজমেন্ট ও ইনবক্স বাড়তে শুরু করে।

আমি দেখেছি, এক ছোট অনলাইন শপ নিয়মিত একই সময়ে পোস্ট দিয়ে কম ফলোয়ারের মধ্যেও ভালো বিক্রি করছে।

কাস্টমার রিভিউ ও টেস্টিমোনিয়াল দিয়ে বিশ্বাস তৈরি

আমি মনে করি অনলাইন ব্যবসায় বিশ্বাস তৈরি করা সবচেয়ে কঠিন কাজ। আমি তাই কাস্টমার রিভিউ ও টেস্টিমোনিয়ালকে খুব গুরুত্ব দিই। পণ্য ডেলিভারির পর আমি ভদ্রভাবে কাস্টমারকে রিভিউ দিতে বলি এবং সেটি পোস্ট আকারে শেয়ার করি।

আমি লক্ষ্য করেছি, রিভিউ পোস্ট দেওয়ার পর নতুন কাস্টমার ইনবক্সে বেশি প্রশ্ন করে এবং অর্ডার কনফার্ম করতে সাহস পায়। এতে আমার ব্যবসার বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেড়ে যায়।

আমি দেখেছি, এক ছোট অনলাইন শপ শুধু কাস্টমার রিভিউ দেখিয়েই নতুন কাস্টমার কনভার্ট করছে, কোনো অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ছাড়াই।

ভুল মার্কেটিং সিদ্ধান্ত যেগুলো ছোট ব্যবসায় ক্ষতি করে

আমি মনে করি ভুল মার্কেটিং সিদ্ধান্ত ছোট ব্যবসার সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। আমি নিজে না বুঝে বেশি বিজ্ঞাপন দেওয়া, সব ধরনের কাস্টমারকে টার্গেট করা এবং কপি করা কনটেন্ট ব্যবহার করার মতো ভুল করেছি। এসব কারণে টাকা খরচ হলেও ফল পাইনি।

আমি একবার কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ করি। রিচ পেলেও অর্ডার আসেনি। পরে বুঝেছি, আগে শেখা ও ছোট টেস্ট করা খুব জরুরি।

আমি দেখেছি, এক ছোট ব্যবসায়ী অন্যের পোস্ট কপি করে বারবার রিপোর্ট খেয়েছে এবং পেজের রিচ কমে গেছে।

দীর্ঘমেয়াদে কম খরচে অনলাইন বিক্রি বাড়ানোর পরিকল্পনা

আমি মনে করি দীর্ঘমেয়াদে সফল হতে হলে কম খরচে টেকসই পরিকল্পনা দরকার। আমি একদিনে বড় ফল চাই না, বরং ধীরে ধীরে ব্র্যান্ড তৈরি করি। নিয়মিত কনটেন্ট, কাস্টমার সম্পর্ক ও বিশ্বাস গড়াই আমার মূল লক্ষ্য।

আমি যখন ধৈর্য ধরে একই কৌশল অনুসরণ করতে শুরু করি, তখন হঠাৎ করে নয় বরং ধাপে ধাপে বিক্রি বাড়ে। এতে ব্যবসা স্থিতিশীল হয় এবং চাপ কমে যায়।

আমি দেখেছি, এক ছোট অনলাইন ব্যবসা নিয়মিত মানসম্মত কনটেন্ট দিয়ে কয়েক বছরে বড় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে, খুব কম বাজেটেই।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনলাইন কর্ম আপনাকে সাগতম অনলাইনে নতুন কিছু শিখতে চাইলে আমাদের পেজে সব ধরনের অনলাইন ইনকাম শিখতে পারবেন এবং আপনার প্রশ্ন উত্তর পারবে আমাদের গ্রুপ ও ফেসবুক আছে সেখানে অথবা কমেন্ট করতে পারবেন ok ক্লিক করুন ধন্যবাদ OK No thanks