তুমি নিশ্চয় ভাবছো, ডিজিটাল মার্কেটিং আবার কী জিনিস সহজভাবে বললে বলা যায় , এটা এমন এক ধরনের অনলাইন যা মার্কেটিং, যেখানে ফেসবুকে, ইউটিউবে, গুগলে, ওয়েবসাইটে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো দেওয়া যাই । আগের দিনের যেমন মানুষ দোকানে গিয়ে জিনিস কিনত আসতো, আর এখন তো সবাই গুগলে সার্চ করে দেখে যায় কোথায় সস্তা, কোথায় ভালো, অথেন্টিক। ডিজিটাল মার্কেটিং জিনিসটা সহজ করে দেয়। তুমি যদি কিছু বিক্রি করতে চাও বা নিজের একটা নাম বানাতে চাও, তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং জ্ঞান থাকলে অনেক সহজ হবে তা বিক্রি করতে পারবে। এটা শুধু বড় কোম্পানির জন্য না তো আমার মতো সাধারণ মানুষেরও কাজে লাগে। যা এতা সবার জন্য সুবিধা।
শোন তোমাকে বলছি, ডিজিটাল মার্কেটিং শুধু ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার নাম না, এর অনেক কাজ আছে। ধরো, তুমি একটা পণ্য বিক্রি করবে তাহলে কব করবে এই পণ্যটা কাস্টমারে কাছে পৌঁছানোর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং ১০০% দরকার। তার ফেসবুকে অ্যাড দিতে হবে , গুগলে ওয়েবসাইট র্যাংক করাতে পারবে, ইমেইলে অফার পাঠাতে পারবে এসব সবই এর কাজের ভেতরে পড়ে থাকে। আবার তোমার যদি ব্র্যান্ড থাকে তাহলে সেটা প্রচার করা, বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করা কারণ আগে বিশ্বাস অজন করতে হবে। এগুলোও ডিজিটাল মার্কেটিং করে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, সব কিছুর রিপোর্টও তুমি সব কিছু পেয়ে যাবে—কে দেখল, কে কিনল, কে স্কিপ করল, সব! বুঝবে? তাই কাজ অনেক, আর প্রতিটা কাজের পিছনে লাভও অনেক।
তুমি কি জানো, আজকাল মানুষ সবকিছু গুগলে সার্চ দিয়ে দেখে তুমি বিশ্বাস করো তাহলে কোন কিছু জানার জন্য ইউটিউব যায় সেম কাজ গুগল হবে? এমনকি এক কাপ চা খাওয়ার দোকান খুঁজতেও অনলাইন দেখে পাবে! এখন যদি তুমি ব্যবসা করতে চাও , কিন্তু অনলাইনে না জানলে, তাহলে অনেক বড় গ্রাহক হারাবে কারণ অনলাইন অনেক মানুষ আছে অডারে জন্য । ডিজিটাল মার্কেটিং তোমার পণ্য বা সেবা সোজাসুজি মানুষের চোখে তুলে ধরতে সাহায্য করবে। তুমি খুব কম খরচে হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারিবে , যা অফলাইনে করা অনেক কঠিন প্রচারের জন্য । তাছাড়া প্রতিযোগিতাও বাড়ছে, সবাই অনলাইন একটিভ। তাই পিছিয়ে না থেকে, তোরও এখন ডিজিটাল মার্কেটিং জানা আর কাজে লাগানো খুব জরুরি হয়ে গেছে।
তুমি ভাবতে পারবে, ডিজিটাল মার্কেটিং বুঝি শুধু ফেসবুকেই হয়, এটা ভুল পুরো অনলাইন জগত টা মার্কেটিং। আসলে সেটা অনেক জায়গায় হয়। ধরো, তুমি ফেসবুকে বা ইনস্টাগ্রামে কোনো বিজ্ঞাপন দেখছো ওটাই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। আবার গুগলে কিছু সার্চ দিলে উপরে কিছু লিংক আসে, যেগুলা স্পনসরড না হয়েও আগে আসে ওটা হলো SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। এছাড়া ইমেইলে যেসব অফার আসে, ওগুলো ইমেইল মার্কেটিং। ইউটিউবে ভিডিওর মাঝে যে অ্যাড দেখে বিরক্ত হয় ওগুলো ভিডিও মার্কেটিং সব মিলিয়ে, ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক জায়গায় হয়, আর প্রতিটা জায়গায় আলাদা স্কিল প্রয়োজন দরকার বুঝেছ।
তুমি যদি ভাবো ডিজিটাল মার্কেটিং শুধু বড় বড় কোম্পানির জন্য, তাহলে ভুল করছো। আজকে যেকোনো মানুষ, যেই কিছু অনলাইনে করতে চায় তার জন্য এই স্কিল দরকার যা সবার কাছে নাই। ধরো, তুমি যদি ছোট্ট একটা অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চাও, তাহলে কি করতে হবে। নিজেই মার্কেটিং করতে হবে। আবার তুমি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাও, ক্লায়েন্টকে ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস দিয়ে আয় করা সম্ভব। এমনকি একজন ইউটিউবার, একজন লেখক বা একজন কোর্স বিক্রেতা জন্যও এটা জরুরি। সোজা ভাষায় বললে যাই, এখন যে কোনো ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিং জানাটা তোমার জন্য অনেক বড় একটা শক্তি হবে। তাহলে স্কিল হতে হবে।
তুমি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখো, তাহলে শুধু নিজের জন্য না অন্যের জন্যও কাজ করতে খুব সহজ পারবে। ধরো, তুমি ঘরে বসে আয় করতে তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করে ক্লায়েন্টদের সার্ভিস দিতে পারবে। আবার চাইলে নিজের একটা অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারবে, সেটা প্রচার করতে পারবে, কোনো এজেন্সির সাহায্য ছাড়াই। তাছাড়া ইউটিউব চ্যানেল, ব্লগ বা পণ্য বিক্রির সাইট চালাতে চাইলেও, ডিজিটাল মার্কেটিং তোমার জন্য সেরা অস্ত্র। কোম্পানিগুলো এখন ডিজিটাল মার্কেটার খুঁজছে, ভালো স্কিল থাকলে চাকরিরও সুযোগ আছে। অর্থাৎ, এই একটা স্কিল তোর ক্যারিয়ার, আয় আর স্বাধীনতা—সবকিছু এনে দিতে পারে। তার জন্য সঠিক পরিষম করতে হবে বুঝলে।
তুমি এখন প্রশ্ন করছো যে, ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জায়গা বা কোথায় যাব? দেখ খুঁজে তোমার শহরে অনেক ট্রেনিং সেন্টার আছে এছাড়াও, আজকাল অনেক সহজ যে ইন্টারনেটে হাজারো ফ্রি আর পেইড কোর্স আছে, যেমন ইউটিউব, উডেমি, কুর্সেরা। তুমি চাইলে বাংলায়ও ভালো ভালো টিউটোরিয়াল যায়। এছাড়া কিছু লোকাল ট্রেনিং সেন্টারও আছে অনলাইন। শুরুতে তুমি ফ্রি ভিডিও দেখে বুঝতে পারবে, তারপর পছন্দমতো কোর্সে নামতে পারো। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার, তোমার সময় মত শেখা যাবে, বাড়ি থেকেই তাই চিন্তা করা প্রয়োজন না, এখনি শুরু কর, ধাপে ধাপে স্কিল বাড়াতে থাকবে তাই দেরি না করি।
তুমি জানতে চাও, ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কতটা বেশি তুমি কল্পনা করতে পারবে না ? এখনকার সময় ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা অনেক বেশি। কারণ এখন প্রায় সব কোম্পানি, ব্র্যান্ড ও ব্যবসা অনলাইনে কাজ করে থাকে। তারা সবাই ভালো মার্কেটার খুঁজছে কারণ তার পন্য বিক্রি চাই, যারা তাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিসকে দ্রুত ও সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে তাদের কাছে বেশি কাজ থাকে পাই। ফ্রিল্যান্সার থেকে বড় কোম্পানি পর্যন্ত সবাই ডিজিটাল মার্কেটার নিতে আগ্রহী থাকে পণ্য বিক্রি জন্য । আর যে কেউ এই স্কিল শিখলে, চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং অথবা নিজের ব্যবসা বাড়ানোর সুযোগ পারবে। তাই তোমার জন্য এটা খুবই লাভজনক একটা ক্যারিয়ার অপশন হতে পারে। তুমি এটাকে মিস করো। চাইলে আমি তোমাকে সাহায্য করব।
তুমি ভাবছো, ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কী গুরুত্ব থাকবে কি? আসলে, সময় যত যাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা ততই বাড়ে চলবে কারণ দিন দিন উন্নত হচ্ছে । কারণ মানুষ এখন আরও বেশি অনলাইনে সময় কাটাচ্ছে আর অনেক কিছু অনলাইনে কেনা-কাটা করছে। যেমন নতুন নতুন প্ল্যাটফর্ম আসছে, যেমন টিকটক, ক্লাবহাউস, যেখানে মার্কেটিং করার সুযোগ আছে। তাই যারা এই সময় ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবে, তারা ভবিষ্যতে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে পারবে। শুধু চাকরি নয়, নিজের ব্যবসা দ্রুত বাড়ানোর সুযোগও পাবে। সহজ কথায়, ডিজিটাল মার্কেটিং হবে ভবিষ্যতের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রয়োজনীয় স্কিল।
তুমি এখন বুঝতে পারছো, ডিজিটাল মার্কেটিং শুধু একটা কাজ নয় অনেক কাজ আছে, এটা একটা বিশাল সুযোগ। এই স্কিল শিখে তুমি চাইলে ঘরে বসে আয় করতে পারবে নিজের ইচ্ছে মতে, চাইলে নিজের ব্যবসা বাড়াতে পারবে যদি করো , আর এক্সপার্ট হয়ে অনেকের জন্য কাজ করতেও পারবে তোমাকে অফার করবে। সময়ের সঙ্গে সব কিছু অনলাইনে চলে আসছে, তাই ডিজিটাল মার্কেটিং জানাটা আজকের যুগে অপরিহার্য। চেষ্টা করলে, শেখার কোনো শেষ নেই। তুমি যদি এখনই শিখে শুরু কর, তাহলে ভবিষ্যতে অনেক সুবিধা পাবে। তাই আর দেরি করবে না, আজ থেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা শুরু করো, নিজের জীবন পরিবর্তন করার পথে এক ধাপ এগিয়ে যাও।
"সবার কাছে অনুরোধ লেখা ভুল হলে ক্ষমা করবেন "
ছোট ছোট কাজ করে সহজে ইনকাম শুরু করতে পারবে সাহায্য নিতে পারো