ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • সকল বিভাগ
  1. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  2. Blog ও website ইনকাম
  3. Digital marketing
  4. Freelancing
  5. Online গাইড লাইন
  6. online ব্যবসা
  7. Passive income
  8. SEO শিখুন
  9. Video এডিটিং
  10. অনলাইন ইনকাম
  11. ইসলাম
  12. কনটেন্ট রাইটিং
  13. খাদ্য ও পুষ্টি
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরি-বাকরি

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা শুরু করবেন যেভাবে

অনলাইন কর্ম
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫ ৬:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা শুরু করার কথা ভাবি, তখন প্রথম প্রশ্ন আসে কোথা থেকে শুরু করবো? কারণ চারপাশে এত কোর্স, ভিডিও আর গাইড আছে যে নতুনদের জন্য কনফিউজ হওয়াটাই স্বাভাবিক। বাস্তবতা হলো, আজকের দিনে প্রায় সব ব্যবসাই অনলাইনে চলে এসেছে, আর যারা ডিজিটাল মার্কেটিং বোঝে তারা চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং বা নিজের বিজনেস সব জায়গায় এগিয়ে থাকে।

এই গাইডে আমি কোনো থিওরি না, বরং আমি কীভাবে শুরু করলে শেখা সহজ হয়, সেই বাস্তব রোডম্যাপ শেয়ার করেছি। একদম শূন্য থেকে শুরু করে প্র্যাকটিস, প্রজেক্ট ও আয়ের দিকনির্দেশনা পর্যন্ত সবকিছু ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি সত্যিই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান কিন্তু কনফিউশন দূর করতে চান, তাহলে এই লেখা আপনার জন্যই।

সূচিপত্র

1️ ডিজিটাল মার্কেটিং আসলে কী এবং আমি কেন এটা শিখতে শুরু করবো

2️ ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার আগে কোন স্কিলগুলো জানা জরুরি

3️ ফ্রি না পেইড শুরুতে কোনটা আমার জন্য সঠিক

4️ ০ থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার স্টেপ-বাই-স্টেপ রোডম্যাপ

5️ সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিলগুলো (2025)

6️ ফ্রি টুল ও রিসোর্স দিয়ে প্র্যাকটিস শুরু করবো যেভাবে

7️ নতুনরা যে ভুলগুলো করে এবং আমি কীভাবে এড়াবো

8️ নিজের প্রথম প্রজেক্ট বা পোর্টফোলিও বানানোর কৌশল

9️ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আয় শুরু করার বাস্তব উপায়

10 শেখার পর নিজেকে আপডেট রাখার স্মার্ট প্ল্যান

১️ ডিজিটাল মার্কেটিং আসলে কী এবং আমি কেন এটা শিখতে শুরু করবো

আমি ডিজিটাল মার্কেটিংকে যেভাবে দেখি (মূল ব্যাখ্যা):আমি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার কথা ভাবি, তখন আগে বুঝে নিই এটা আসলে কী। ডিজিটাল মার্কেটিং মানে শুধু ফেসবুক পোস্ট বা বিজ্ঞাপন না; এটা হলো অনলাইনে কাস্টমার খোঁজা, তাদের সাথে বিশ্বাস তৈরি করা এবং শেষ পর্যন্ত বিক্রি বা ফলাফল আনা। এর ভেতরে থাকে SEO, সোশ্যাল মিডিয়া, কনটেন্ট, ইমেইল, গুগল অ্যাডসসহ অনেক স্কিল। আমি এটাকে শিখতে চাই কারণ আজ প্রায় সব ব্যবসাই অনলাইনে, আর যারা অনলাইনে সঠিকভাবে নিজেদের তুলে ধরতে পারে তারাই এগিয়ে যাচ্ছে।

আমি দেখেছি, যেসব মানুষ ডিজিটাল মার্কেটিং বোঝে তারা চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং বা নিজের বিজনেস সব জায়গায় সুযোগ পায়। অনেকেই কম্পিউটার সায়েন্স না পড়েও শুধু এই স্কিল শিখে ভালো ক্যারিয়ার গড়ছে।

একজন শিক্ষার্থী প্রথমে শুধু সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শেখে। পরে সে একটি ছোট বিজনেসের পেজ গ্রো করিয়ে মাসিক আয় শুরু করে। এখান থেকেই তার ডিজিটাল মার্কেটিং জার্নি বদলে যায়।

২️ ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার আগে কোন স্কিলগুলো জানা জরুরি

আমি শেখা শুরু করার আগে যেগুলো বুঝে নিই (মূল ব্যাখ্যা):আমি ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার আগে নিজেকে পরিষ্কার করি সব টুল আগে শেখা জরুরি না, বরং কিছু বেসিক স্কিল থাকলে শেখাটা অনেক সহজ হয়। যেমন, আমি কীভাবে ইন্টারনেটে তথ্য খুঁজি, গুগলে সার্চ করি, ইমেইল ব্যবহার করি এই ডিজিটাল লিটারেসি খুব দরকার। এরপর আমি বেসিক ইংরেজি বুঝতে পারি কি না সেটাও দেখি, কারণ বেশিরভাগ টুল ও রিসোর্স ইংরেজিতে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Communication ও Writing mindset আমি কীভাবে মানুষকে সহজভাবে বুঝাতে পারি।

আমি দেখেছি, যারা শুরুতেই টুলের পেছনে দৌড়ায় কিন্তু বেসিক স্কিল ঠিক করে না, তারা দ্রুত কনফিউজড হয়ে যায়। কিন্তু যারা আগে বেসিক শক্ত করে, তারা SEO, Ads বা Social Media যাই শিখুক না কেন দ্রুত বুঝতে পারে।

পুষ্টি কর খাবার সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

একজন নতুন শিক্ষার্থী আগে সাধারণ ব্লগ লেখা ও ফেসবুক পোস্ট লেখার প্র্যাকটিস করে। পরে যখন সে কনটেন্ট মার্কেটিং ও SEO শেখে, তখন অল্প সময়েই ভালো রেজাল্ট পেতে শুরু করে, কারণ তার বেসিক আগেই তৈরি ছিল।

৩️ ফ্রি না পেইড শুরুতে কোনটা আমার জন্য সঠিক

আমি সিদ্ধান্ত নেই যেভাবে (মূল ব্যাখ্যা):আমি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা শুরু করি, তখন প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করি আমি কি আগে ফ্রি রিসোর্স দিয়ে বুঝতে চাই, নাকি গাইডেড পেইড কোর্স দরকার? আমার অভিজ্ঞতায়, শুরুতে ফ্রি রিসোর্সই যথেষ্ট যদি আমি নিয়মিত সময় দিই ও প্র্যাকটিস করি। ইউটিউব, গুগল, ব্লগ এগুলো দিয়ে আমি বেসিক কনসেপ্ট বুঝে নিতে পারি। কিন্তু যখন আমি কনফিউশন অনুভব করি বা দিকনির্দেশনা দরকার হয়, তখন পেইড কোর্স আমাকে সময় বাঁচাতে সাহায্য করে।

আমি দেখেছি, অনেকেই শুরুতেই পেইড কোর্স কিনে ফেলে কিন্তু প্র্যাকটিস না করায় কিছুই শিখতে পারে না। আবার অনেকে শুধু ফ্রি কনটেন্টে আটকে থাকে, ফলে সঠিক রোডম্যাপ পায় না। আমি যখন ফ্রি দিয়ে শুরু করে পরে নির্দিষ্ট স্কিলে পেইড করি, তখন শেখার গতি অনেক বেড়ে যায়।

অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

একজন শিক্ষার্থী প্রথমে ফ্রি ইউটিউব ভিডিও দেখে SEO শেখে। বেসিক বোঝার পর সে একটি শর্ট পেইড কোর্স নেয়। এর ফলে সে দ্রুত প্র্যাকটিস করতে পারে এবং প্রথম ক্লায়েন্ট পেতে সময় কম লাগে।

৪️ ০ থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার স্টেপ-বাই-স্টেপ রোডম্যাপ

আমি যেভাবে শেখার রোডম্যাপ বানাই (মূল ব্যাখ্যা):আমি যখন একদম শূন্য থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাই, তখন এলোমেলোভাবে সবকিছু শেখার চেষ্টা করি না। আমি আগে একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ বানাই। প্রথম মাসে আমি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বেসিক ধারণা নিই SEO কী, কনটেন্ট কী, সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে কাজ করে। দ্বিতীয় মাসে আমি একটি স্কিল বেছে নিয়ে সেটায় ফোকাস করি, যেমন SEO বা Social Media Marketing। তৃতীয় মাসে আমি শুধু শেখা নয়, বরং প্র্যাকটিস শুরু করি নিজের পেজ, ব্লগ বা ডেমো প্রজেক্টে কাজ করি। এই ধাপে ধাপে শেখার পদ্ধতিই আমাকে কনফিউশন থেকে দূরে রাখে।

আমি দেখেছি, যাদের নির্দিষ্ট রোডম্যাপ নেই তারা মাঝপথে হাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু যাদের সামনে স্পষ্ট প্ল্যান থাকে, তারা অল্প সময়েই দৃশ্যমান অগ্রগতি পায়।

একজন নতুন লার্নার প্রথম মাসে শুধু বেসিক শেখে, দ্বিতীয় মাসে SEO ফোকাস করে, তৃতীয় মাসে নিজের ব্লগে কাজ শুরু করে। ৩ মাস শেষে সে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাস দুটোই অর্জন করে।

৫️ সবচেয়ে চাহিদা সম্পন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিলগুলো (2025)

আমি কোন স্কিলগুলোর দিকে ফোকাস করি (মূল ব্যাখ্যা):আমি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাই, তখন সব স্কিল একসাথে শেখার চেষ্টা করি না। আমি আগে দেখি ২০২৫ সালে কোন স্কিলগুলোর চাহিদা বেশি এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমার মতে, SEO, Social Media Marketing, Content Marketing, Paid Ads (Google/Facebook) এবং Analytics এই স্কিলগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রায় সব অনলাইন বিজনেসেই এগুলোর প্রয়োজন। আমি একটি Core Skill বেছে নিই এবং সেটাকে ভালোভাবে শিখে তারপর অন্য স্কিলে যাই।

আমি দেখেছি, যারা একটি মাত্র স্কিলে দক্ষ হয় তারা সহজেই কাজ বা ক্লায়েন্ট পায়। কিন্তু যারা সবকিছু একটু একটু জানে, তারা কনফিডেন্স পায় না। আমি নিজে যখন একটি স্কিলে ফোকাস করেছি, তখন শেখা দ্রুত হয়েছে।

একজন নতুন লার্নার প্রথমে SEO শেখে। পরে সে ছোট বিজনেসের ওয়েবসাইট অপটিমাইজ করে ফল দেখায়। এই ফলাফল দেখিয়েই সে আস্তে আস্তে আরও কাজ ও সুযোগ পেতে শুরু করে।

৬️ ফ্রি টুল ও রিসোর্স দিয়ে প্র্যাকটিস শুরু করবো যেভাবে

আমি যেভাবে প্র্যাকটিস শুরু করি (মূল ব্যাখ্যা):আমি বুঝেছি, শুধু ভিডিও দেখা বা আর্টিকেল পড়লে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা হয় না; আসল শেখা শুরু হয় প্র্যাকটিস থেকে। তাই আমি শুরুতেই ফ্রি টুল ও রিসোর্স ব্যবহার করি। যেমন Google Search Console, Google Analytics (Demo), Google Trends, Canva, Meta Business Suite। এগুলো দিয়ে আমি নিজের ডেমো প্রজেক্টে কাজ করি। আমি নিজেই একটা ফেসবুক পেজ, ছোট ব্লগ বা গুগল বিজনেস প্রোফাইল খুলে সেখানে নিয়মিত কাজ করি। এতে ভুল করি, আবার শিখিও।

আমি দেখেছি, যারা শুধু থিওরি শেখে তারা ভয় পায়। কিন্তু আমি যখন ফ্রি টুল দিয়ে হাতে-কলমে কাজ করেছি, তখন কনফিডেন্স অনেক বেড়েছে। নতুন কিছু শেখার আগ্রহও তৈরি হয়েছে।

একজন শিক্ষার্থী Canva দিয়ে পোস্ট ডিজাইন শেখে, Meta Business Suite দিয়ে পেজ ম্যানেজ করে। পরে যখন সে পেইড অ্যাড শেখে, তখন তার বেসিক শক্ত থাকায় সহজেই বুঝে ফেলে এবং বাস্তব ফল আনতে পারে।

৭️ নতুনরা যে ভুলগুলো করে এবং আমি কীভাবে এড়াবো

আমি কেন এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলি (মূল ব্যাখ্যা):আমি দেখেছি, নতুনরা ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার সময় সবচেয়ে বেশি ভুল করে তাড়াহুড়ো করে। আমি একসাথে সব স্কিল শিখতে চাই না, কারণ এতে কনফিউশন তৈরি হয়। আরেকটা বড় ভুল হলো শুধু কোর্স করা কিন্তু প্র্যাকটিস না করা। আমি বুঝেছি, শেখা আর কাজে লাগানোর মধ্যে পার্থক্য আছে। তাই আমি প্রতিটা টপিক শেখার সাথে সাথেই ছোট প্র্যাকটিস করি। এছাড়া আমি অন্যদের রেজাল্ট দেখে হতাশ হই না; নিজের শেখার গতি অনুযায়ী এগোই।

আমি দেখেছি, যারা নিয়মিত ছোট ছোট কাজ করে তারা আস্তে আস্তে  ভালো হয়। কিন্তু যারা এক সপ্তাহ শিখে এক মাস গ্যাপ দেয়, তারা আবার শুরু থেকে শুরু করতে বাধ্য হয়।

একজন নতুন লার্নার একসাথে SEO, Ads, Email সব শিখতে গিয়ে কনফিউজ হয়ে যায়। পরে সে শুধু SEO-তে ফোকাস করে এবং প্রতিদিন ১ ঘণ্টা প্র্যাকটিস করে। ২ মাস পর তার কনফিডেন্স ও স্কিল দুটোই স্পষ্টভাবে উন্নত হয়।

৮️ নিজের প্রথম প্রজেক্ট বা পোর্টফোলিও বানানোর কৌশল

আমি কেন প্রজেক্টকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মনে করি (মূল ব্যাখ্যা):আমি বুঝেছি, ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আমি কী দেখাবো? শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে কেউ বিশ্বাস করে না; সবাই ফলাফল দেখতে চায়। তাই আমি শেখার শুরুতেই নিজের একটি প্রজেক্ট বানানোর সিদ্ধান্ত নিই। সেটা হতে পারে আমার নিজের ব্লগ, ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ বা গুগল বিজনেস প্রোফাইল। এখানে আমি যা শিখছি তা বাস্তবে প্রয়োগ করি এবং আস্তে আস্তে ডেটা ও ফল সংগ্রহ করি।

আমি দেখেছি, যাদের নিজের প্রজেক্ট আছে তারা সহজেই আত্মবিশ্বাস পায়। নিজের কাজের ফল চোখে দেখলে শেখার আগ্রহ ও ধারাবাহিকতা দুটোই বাড়ে।

একজন নতুন লার্নার নিজের আগ্রহ অনুযায়ী একটি ফেসবুক পেজ খুলে কনটেন্ট ও বেসিক মার্কেটিং শুরু করে। ২–৩ মাস পর যখন পেজে এনগেজমেন্ট বাড়ে, তখন সে সেটাকেই পোর্টফোলিও হিসেবে দেখিয়ে প্রথম কাজ বা ইন্টার্নশিপ পায়।

৯️ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আয় শুরু করার বাস্তব উপায়

আমি আয় শুরু করার ব্যাপারটা যেভাবে দেখি (মূল ব্যাখ্যা):আমি জানি, ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার মূল লক্ষ্য অনেকেরই আয় করা। কিন্তু আমি শুরুতেই বড় আয়ের চিন্তা করি না। আমি আগে ছোট কাজ খুঁজি ফ্রিল্যান্সিং, ইন্টার্নশিপ বা পার্ট-টাইম প্রজেক্ট। আমি বুঝি, ফল দেখাতে পারলে কাজ আসবেই। তাই আমি আমার স্কিল অনুযায়ী ছোট সার্ভিস অফার করি, যেমন পেজ ম্যানেজমেন্ট, বেসিক SEO বা কনটেন্ট অপটিমাইজেশন। এতে অভিজ্ঞতা ও আয় দুটোই বাড়ে।

আমি দেখেছি, যারা প্রথম আয়ের পেছনে না ছুটে স্কিল ও ফলের দিকে ফোকাস করে, তারা দীর্ঘমেয়াদে অনেক এগিয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রেও প্রথম আয় ছোট ছিল, কিন্তু সেটা আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।

একজন নতুন ডিজিটাল মার্কেটার প্রথমে একটি ছোট বিজনেসের পেজ ফ্রি বা কম দামে ম্যানেজ করে। ফল দেখানোর পর সেই একই ক্লায়েন্ট থেকে নিয়মিত পেইড কাজ পেতে শুরু করে এবং আস্তে আস্তে আয় বাড়ায়।

১০ শেখার পর নিজেকে আপডেট রাখার স্মার্ট প্ল্যান

আমি কেন আপডেট থাকা জরুরি মনে করি (মূল ব্যাখ্যা):আমি জানি, ডিজিটাল মার্কেটিং এমন একটা ফিল্ড যেখানে নিয়ম বদলায় খুব দ্রুত। আজ যেটা কাজ করছে, ছয় মাস পর সেটার প্রভাব কমে যেতে পারে। তাই শেখা শেষ করলেই আমি থেমে যাই না। আমি নিয়মিত গুগল আপডেট, নতুন টুল ও ট্রেন্ড ফলো করি। সপ্তাহে অন্তত একদিন আমি শুধু শেখার জন্য সময় রাখি নতুন আর্টিকেল পড়ি, ভিডিও দেখি, নিজের কাজ বিশ্লেষণ করি। এতে আমি সবসময় আপডেট থাকি।

আমি দেখেছি, যারা শেখা বন্ধ করে দেয় তারা ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু যারা ছোট ছোট আপডেট নিয়মিত নেয়, তারা দীর্ঘমেয়াদে ভালো করে।

একজন ডিজিটাল মার্কেটার নিয়মিত গুগল আপডেট ফলো করে এবং নিজের SEO স্ট্র্যাটেজি বদলায়। ফলে অন্যরা পিছিয়ে পড়লেও সে নতুন সুযোগ ধরে রাখতে পারে এবং নিজের ক্যারিয়ার স্থিরভাবে এগিয়ে নেয়।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনলাইন কর্ম আপনাকে সাগতম অনলাইনে নতুন কিছু শিখতে চাইলে আমাদের পেজে সব ধরনের অনলাইন ইনকাম শিখতে পারবেন এবং আপনার প্রশ্ন উত্তর পারবে আমাদের গ্রুপ ও ফেসবুক আছে সেখানে অথবা কমেন্ট করতে পারবেন ok ক্লিক করুন ধন্যবাদ OK No thanks