ঢাকা
  • সকল বিভাগ
  1. Ai online income
  2. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  3. Blog and website
  4. Blog ও website ইনকাম
  5. Content writing
  6. Digital marketing
  7. Digital মাকেটিং
  8. Freelancing
  9. Online business
  10. Online guidelines
  11. Online income
  12. Online গাইড লাইন
  13. online ব্যবসা
  14. Passive ইনকাম
  15. SEO Online income

বয়স অনুযায়ী শিশুর জন্য সঠিক ও পুষ্টিকর খাবার তালিকা

Link Copied!

print news

 

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক সঠিক ও পুষ্টিকর খাবারের বিস্তারিত তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। নবজাতক থেকে শুরু করে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের কোন বয়সে কী ধরনের খাবার দেওয়া উচিত, তা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অভিভাবকদের জন্য একটি কার্যকর গাইড।

সূচিপত্রঃ

শিশুর পুষ্টির গুরুত্ব

শিশু শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সঠিক পোস্টটির অত্যন্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ বর্তমান সময়ে। বর্তমানে জলের পর থেকে প্রতিটি শিশুর একটি নিয়মের অপর বৃদ্ধি পায় যা আমরা চোখের সামনে দেখতে পাই। শিশু বাচ্চার প্রতিটা ধাপে ধাপে বড় হয়। আর এই প্রতিটা ধাপে বড় হবার জন্য প্রয়োজন সুষম খাবার খাদ্য গ্রহণ করা। পুষ্টিকর খাবার শুধু শিশুকে সুস্থ রাখার জন্য না বরং তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সুস্থতা সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করতে পারে। আর এই পুষ্টিকর খাবার খেলে তার মাথার মস্তিষ্ক সুন্দরভাবে থাকে সবকিছু মনোযোগ দিয়ে করতে পারে এবং ভবিষ্যতে একটি মজবুত ভিত্তিক করে তৈরি করতে পারে তার জীবন লাইফ ভবিষ্যতের জন্য।
অনেক বাবা-মা মনে করেন, শুধু খেলাধুলা বা পড়ালেখা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু শিশুর স্বাস্থ্য যদি ঠিক না থাকে, তাহলে অন্য কিছুই সম্ভব হয় না। তাই শিশুর বয়স অনুযায়ী খাবার নির্বাচন করা এবং সেই অনুযায়ী খাদ্য তালিকা তৈরি করাটা খুব জরুরি। সঠিক সময় ও সঠিক উপায়ে শিশুকে পুষ্টিকর খাবার দিলে, তার ভবিষ্যৎ জীবন হবে আরও স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময়।

০-৬ মাস বয়সী খাবার শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ

বর্তমান যুগে শিশুদের জন্মের পর প্রথম ছয় মাস হচ্ছে তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধের শিশুদের একমাত্র এবং ভবিষ্যতের খাবার হয়ে পড়ে। কেননা মায়ের বুকের দুধে অনেক কষ্টকর আছে। এবং শেষ সময় খাবার খেলে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মায়ের বুকের ভিতর রয়েছে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান যা অপরিহার্য প্রয়োজন। সুদের পানি ও আলাদা করে প্রয়োজন নেই । কারণ তার মায়ের বুকের দুধ খেলে সব প্রজনন মিটে যায়। কারণ মায়ের সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নানা ধরনের সংক্রামন থেকে রক্ষা করে। অনেক সময় কিছু বাবা-মা পানি, মধু বা অন্য কোনো খাবার দিতে চায়, যা একেবারেই অনুচিত। শুধুমাত্র মায়ের দুধ শিশুকে সুস্থ ও শক্তিশালী করে তোলে। তাই জন্ম থেকে ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে অন্য কিছু না দিয়ে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোই সবচেয়ে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর।

৬-১২ মাস বয়সী বুকের দুধ+ অধ’ ঠোস খাবার

ভাত খাইছি যখন ছয় মাসেপা দেয় তখন শুধু যথেষ্ট নয় তাকে সম্পূরক খাবার দেওয়া উচিত এবং সকাল থেকে খাবারের সকল প্রকারের সামনে দেওয়া উচিত বৃদ্ধির জন্য। সবাই শিশুদের শরীর চাহিদা চলো যাই অতিরিক্ত কষ্টের খাবার প্রয়োজন তার সবসময় তার সামনে রাখতে হবে যেন সে মন চাইলে খেতে পারে। পুষ্টিকর খাবার নিজের বাসায় রান্না করে বাচ্চাদের খাওয়ানো। প্রথম দিকে পাতলা খিচুড়ি, ডাল, সেদ্ধ করা আলু, নরম ভাত, কলা, পাকা পেঁপে বা ভাপা ফল ধীরে ধীরে শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে। খাবার যেন নরম ও সহজে হজম হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে এখনো শিশুকে দিনে কয়েকবার বুকের দুধ দেওয়া চালিয়ে যেতে হবে।

প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পরপর খাবার দেওয়া ভালো, যাতে শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় এবং অভ্যাস তৈরি হয়। খাবারের পাশাপাশি হালকা গরম পানি দিতে পারো। এ বয়সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা খুব জরুরি, যাতে শিশুর পেটে সমস্যা না হয়। সবথেকে জরুরি প্রয়োজন শিশু যত্ন থাকলে সুস্থ থাকলে দূরত্ব বৃদ্ধি পায়। নিজের ভবিষ্যতে অর্জন করার জন্য নিজেকে একটু পরিশোধ করতে হবে এসব যতনে নিতে হবে শিশুর কখনো কি প্রয়োজন তা দেখতে হবে সবসময় রাখতে হবে। সুন্দর খায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।

১-২ বছর বয়সী ঘরের সাধারণ খাবারের সাথে শিশুযুক্ত খাবার

এই বয়সে বাচ্চারা একটু করে সবকিছু চেখে দেখতে চায়। তাই এখনই সময় ওদের খাবারে বৈচিত্র্য আনার। তুমি সহজ করে শুরু করতে পারো নরম ভাত, ডাল, সেদ্ধ আলু বা সবজি দিয়ে। মাছ বা ডিমও দিতে পারো, তবে ভালোভাবে গুলে বা মেখে দেবে যেন গিলতে সমস্যা না হয়। রুটিও দিতে পারো, তবে সেটা যেন খুব নরম হয়। এক কথায় তুমি যে সব খাবার দিবা সেই খাবারগুলো নরম জাতি হতে হবে বুঝেছ তুমি। এই বয়সে দিনে তিন বেলা পেট ভরে খাওয়ানো আর দুই বার হালকা কিছু খেতে দেওয়া ভালো যেমন- কলা, সুজি, সেমাই বা হালকা-পায়েস। ওদের খাওয়ানোর সময় একটু ধৈর্য ধরো, জোর করো না, বরং গল্প-গুজব করে খাওয়াতে পারো। খাবারে যেন প্রোটিন, ভিটামিন আর ঘি বা মাখন জাতীয় একটু চর্বিও থাকে এইটুকু খেয়াল রাখলেই ওর শরীরটা ভালোভাবে বেড়ে উঠবে। তাকে প্রোটিন যুক্ত খাবার দিতে হবে।

২-৫ বছর বয়সী শিশুর সুষম খাবার ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুরা অনেক বড় হয়ে যায়। সেই সময় খেলাধুলা করে ধরাধরি করে লাফালাফি করে তাই তাদের শক্তি কর খাবার ও তিন জরুরী প্রয়োজন বেশি। তাই খাওয়াতে একটু পরে প্রথম আনতে হবে যেন তারা সঠিক পরিমাণ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে পারে। এখন তাদেরকে তুমি খাওয়াবে নিয়মিত ভাত ডাল সবজি মাছ মুরগি ডিম মাংস এসব বলো তাদের সামনে সব সময় দিবে যেন তারা যেন বোধ করে খেতে পারে। নরম করে রান্না করলে বাচ্চারা খুব খেতে মন চাইবো এবং খেতে আরামদায়ক হবে তখন বেশি করে খাবে।

তুমি সকালে চাইলে তাদেরকে খাবার দিতে পারো দুধ ডিম রুটি সব খাবার গুলো তাদের অনেক বেশি পছন্দ হয়ে থাকে। দুপুরে সবাই প্রায়ই ভাতের সাথে মাছ মাংস আর একটু সবজি এসব গুলো খাবার খাই। রাতের বেলায় একটু ভিন্ন খাবার খায় হালকা টাইপের যেমন রুটি খেলে পছন্দ করে অনেকেই খিচুড়ি যে যেমন খেতে চায় সে হিসাবে তোমাকে তার মনের ভাব বুঝে তোমাকে খাওয়াতে হবে।

দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের । তাদের খাবারের দুধ ফল আর পুষ্টিকর সুষম খাবার পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার চেষ্টা রাখতে পারলে অনেক ভালো হবে। তবে দোকানের খাবারগুলো থেকে একটু বিরত থাকতে হবে। যেমন চিপস চকলেট ও যে একটু মিষ্টি খাওয়ানো কমিয়ে দিতে হবে। যদি ছোট থেকে নিষেধ করতে পারো দেখবে বড় হলে এসে খাবার গুলো খাবে না সে পুষ্টি খাবার খেতে রুচিবোধ করবে। তুমি যদি শিশুদের ভালবেসে খাবার খাওয়াতে পছন্দ করো শিশুরাও কিন্তু পছন্দ করবে তোমার ভালোবাসা বুঝবে সে ভালোবাসা থেকেই তোমার যে খাবার দিবে সব খেয়ে ফেলবে সেটা যদি খেয়াল রাখো তুমি দেখবে তুমি সফল বা বাবা। পুষ্টি খাবার খেলে মানসিকভাবে সে সুস্থ থাকে।

স্কুল পূর্ব বয়স ৫-৭ বছর সকালে নাস্তা দুপুরেরও রাত্রে খাবার পরিকল্পনা

গতকাল সময়ে পাঁচ থেকে ছয় বয়সে শিশুরা ইস্কুল যায়, সময় লেখাপড়া করে খেলাধুলা পারে সারাদিন অনেক কিছু শক্তি দরকার হয়। তাই এই সময়টাকে তাদের খাবার হতে হবে পরিমাপের বেশি পুষ্টিকর ভরপুর আগারে দিতে হবে। বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে সকালে স্কুল যাওয়ার আগে দাও খুশি কর নাস্তা যেমন ধরো দুধ ডিম এগুলো দিতে পারো। আবার দুপুরে দিতে পারো ভাতের সঙ্গে ডাল মাছ মাংস সবজি ইত্যাদি ধরনের খাবার দিতে পারো। যা সহজে হজম শক্তি হতে পারে যে খাবার দেবে তুমি। বিকেল বেলা তুমি নাস্তা দিতে পারো স্কুল আসার পর যে মন কিছু ফল দিতে পারো দুই দিতে পারো বিস্কিট বা পাউরুটি এগুলো দিতে পারো।

রাতে হালকা ওষুধ বাচ্চু খাবার দেওয়া যেমন খুব ভালো হয় এ ধরনের খাবার দিতে হবে হালকা পেট হালকা থাকে ভারী যেন না হয়। শিশুদেরকে কখনো জোর করে খাবার খাওয়াবে না। কিন্তু তাদেরকে খাওয়ানোর জন্য দিতে হবে যেন পুষ্টিকর খাবার বেশি খায়। জীবন যদি কোন কিছু খাওয়াতে চাও পোস্টে যে জিনিস পছন্দ করে সে জিনিস আর ধরা মিশিয়ে খাওয়াতে পারে। শিশুদেরকে ভালবাসায় এবং তাদের সাথে ভালো আচরণ করে দেখবেন তোমার কথা সবসময় শুনবে।

৯-১২ বয়সের শিশুদের খাবারের কোন কোন পুষ্টি উপাদান দরকার

বর্তমান সময়ের নয় থেকে ১২ বছর বয়স মানে বেড়ে ওঠায় কি দারুন সময় হয়ে উঠে দাঁড়ায়। কি বলছে বাচ্চাদের শরীরকে জীবন বাড়েতে মনে বাড়ি চাহিদা। খাবারের চাহিদা বেশি করে সে সময় যদি কষ্ট করে খাবার চাহিদা পূরণ করতে পারো তাহলে দেখবে তোমার শিশুর একটি সুন্দর একটি যুবক হয়ে দাঁড়িয়েছে যা তুমি কল্পনা করতে পারবে না এমন সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠবে। সকালে স্কুল যাওয়ার আগের নাস্তা দিতে পারো দুধ কলা রুটি এসব খাবার দিতে পারো আবার দুপুরে দিতে পারো ভাত ডাল মাছ মাংস সবজি খাবারগুলো দিতে পারো এবং জরুরি দরকার এগুলোর। এগুলোর মধ্যে হতে হবে শক্তিশালী ও ক্যালসিয়াম ধরে না খাবার।

স্কুল থেকে ফিরে একটু হালকা খাবার যেমন ফল, চিড়া-মুড়ি, দই বা স্যুপ দাও—ওরা খুশি হবে। রাতে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার দাও যেন পেট ভরে কিন্তু সমস্যা না হয়। এই বয়সে অনেকেই খেতে চায় না বা শুধু বাইরের খাবার খেতে চায়, তাই ওদের সঙ্গে বসে খাও, ভালোভাবে বুঝিয়ে দাও। খাওয়া যেন হয় আনন্দের বিষয়, জোরাজুরি নয়।

শিশুর সঠিক পুষ্টিকর খাবার অভ্যাস গড়ে তোলা

এদের শুধু পেট ভরা খাবার খাওয়ালেই হবে না বরং তাদের সঠিক খাবার হওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তুমি যাও যাও করবে বাচ্চারা ছিড়লো না তাও বেশ করে বড় হয়ে তা পালন করবে। তুমি যদি সঠিক খাবার অভ্যাস করা দেখবে সে তোমার সে খাবার গুলো খাবে তুমি যদি পুষ্টিকর খাবার খাবার অভ্যাস কর তোমার শিশু সে খাবারটাই পছন্দ করবে। বেশ অনেক খারাপ জিনিস তুমি যদি একবার তাদেরকে অভ্যাস করে দিতে পারো দেখবে তুমি সফল তোমাকে আর কোন কিছু করতে হবে না এমনকি সে অভ্যাস তোমার কিছু ভুলবে না হলে তোমাকেও তোমার কিছু আদেশ করবে। যে বাবা তুমি এটা খেওনা এটা খাও। পুষ্টিকর খাবার খেলে অসুস্থ থাকে সবল থাকে দুর্বল থেকে মুক্ত থাকে।

তোমাকে অভ্যাস করাতে হবে শিশুদের লেখাপড়া যেন ভালো করে করে মানুষের কত শিক্ষিত হতে পারে এবার অভ্যাস করবা তুমি যদি ফোন কিভাবে কর তাহলে সে ফোন টিপবে যদি নিষেধ করো তা সে বয়কট করবে সেটা তোমার ডিসিশন তুমি ফোনটা অভ্যাস করাবে। হা ছেলে মেয়েদের একটু বিনোদন প্রয়োজন আছে সবকিছু দেবে এমনকি জোর করবে না শিশুদের দেখবে তোমার শিশুরা তোমার কথা মতোই চলবে। কিন্তু তাদেরকে একটু স্বাধীনতা দেবে সব সময় ঝড়োয়া পরিবেশে রাখবে না ।

উপসংহার-

শিশুর বয়স অনুযায়ী সঠিক খাবার দেওয়া শুধু তার শারীরিক বৃদ্ধিই নয়, মানসিক বিকাশের জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি বয়সে শরীরের চাহিদা ভিন্ন হয়, তাই খাবার নির্বাচনও হওয়া উচিত সেই অনুযায়ী। জন্মের পর শুধু মায়ের দুধ থেকে শুরু করে, ধীরে ধীরে সেমি সলিড, সলিড খাবার এবং পুষ্টিকর ঘরের খাবারের প্রতি অভ্যস্ত করতে হয়।

একটা বিষয় সবসময় মনে রাখা দরকার শিশুর স্বাস্থ্যের ভিত গড়ে ওঠে ছোটবেলা থেকেই। তাই ভালো অভ্যাস, পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আর ভালোবাসা মিলেই শিশুর সুস্থ জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব। মা-বাবার যত্ন আর সচেতনতাই শিশুর ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার।

 

    অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
    Online work is a good way to learn something new online. If you want to learn something new online, you can learn all kinds of online income on our page and we can answer your questions. We have groups and Facebook there or you can comment Thank you. Accept No thanks