

ভাই, ভিডিও এডিটিং এখন শুধু একটা স্কিল না এটা পুরো একটা ক্যারিয়ার। তুই চাইলে নিজের মোবাইল বা ল্যাপটপ দিয়েই এমন ভিডিও বানাতে পারবি, যেটা দেখে মানুষ থেমে যাবে। ভালো এডিটের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে, আর যারা দর্শকের মন বুঝে কাজ করে তারা খুব দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়। এই পথটা কঠিন না, শুধু সঠিক দিকটা জানা আর নিয়মিত প্র্যাকটিস করলেই তুই অনেক দূর যেতে পারবি।
ভাই, তুমি যদি ভালোভাবে ভিডিও করতে পারো, তাহলে আগে বুঝতে হবে ভাইরাল এডিটর আসলে কি তা আগে জানতে হবে বুঝেছো তুমি । কেউ শুধু ইফেক্ট দেয়ার নাম এডিটিং না ভাইরাল হতে হলে তোমার ভিডিওর প্রথম কয়েক সেকেন্ডেই মানুষকে আটকে রাখতে হবে আর এটা যদি না বুঝতে পারো তোমার কোন লাভ হবে না। গল্পটাকে ছোট, টাইট আর আকর্ষণীয় করতে হবে। সঠিক কাট, সঠিক মিউজিক আর দর্শকের আবেগ ধরতে পারলে তুমি খুব সহজেই নজর কাড়তে পারবি।
ভাই, ভাইরাল ভিডিও বানাতে হলে সুন্দর ভালো বুঝতে হবে মানুষ কী দেখে থামে আর কী দেখে স্ক্রল করে যায় মজা পাইলে কখনো যাবে না। ভাইরাল এডিটর ঠিক ঠাক জায়গাটাই ধরতে পারলে মানুষের মাথায় কোন জিনিস ইমপ্যাক্ট করে। তোমাকে ভাবতে হবে দর্শক কী দেখতে চাই কেমন হয়ে খুশি হবে, তারা কোন ধরনের পছন্দ করে সেটা আগে ভাবতে হবে, আর কোন আবেগ বা কৌতূহল তাদের ধরে রাখবে। মানুষের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পারলে তোমার এডিটও স্বাভাবিকভাবেই ভাইরাল হওয়ার মতো হয়ে যাবে। উদহারনঃ তোমাকে চমৎকার থামেল দিবে আক্রশন দেখতে হবে তাহলে কেউ এড়িয়ে যাবে না
ভাই, গল্প ছাড়া কোনো ভিডিও ঠিক মতো করা যায় না, আর তুমি যদি ভাইরাল হতে চাও, তাহলে স্টোরিটেলিংটা ঠিক মতো বসাতে হবে ১০০%। ভাইরাল এডিটর জানে দর্শককে ধরে রাখতে হলে শুরু, মাঝ, শেষ এই তিনটা জায়গায়ই টুইস্ট বা আকর্ষণ থাকতে হবে। তুমি ঘটনাগুলোকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে সহজভাবে সাজা, যেন মানুষ প্রথম ৩ সেকেন্ডেই আন্দাজ পায় সামনে আরও কিছু ইন্টারেস্টিং আছে। গল্প ঠিক হলে ভিডিও নিজে থেকেই জমে ওঠে। উদাহরণঃ ভিডিও যখন করতে ২-৩ জায়গায় আক্রশন করবে তাহলে গুগলুু তোমার ভিডিও সামনে নিয়ে যাবে মানুষ সহজে দেখতে পারবে
ভাই, শট সিলেকশন ঠিক মতো না হলে কোনো এডিটই করা যাবে না। তুমি যদি ভালো ভিডিও বানাতে যাও, তাহলে কোন দৃশ্যটা রাখবে আর কোনটা বাদ দিবে এই সিদ্ধান্তটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেয়াল রাখতে হবে। ভাইরাল এডিটর জানে যে সব ফুটেজই ব্যবহার করার দরকার হয় না দরকার শুধু ঐ শটগুলো যেগুলো গল্পকে সুন্দর করে নেয় আর দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখতে বাধ্য করে থাকে। তাই তুমি আগে দেখে নাও কোন শট সবচেয়ে বেশি ইমপ্যাক্ট দিয়েচ্ছ, তারপর বাকি এডিট সহজ হয়ে যাবে। উদাহরণঃ তোমার কাছে তোমার কাছে যেটু ভালো লাগবে সেটু রাখতে হবে
ভাই, কাটিং আর পেসিং ঠিক না হলে ভিডিও দেখতেই ভালো লাগে না সেটা দেখতে হবে, আর ভাইরাল হওয়া তো দূরের কথা। তুমি যদি ভিডিওতে ঝাঁজ আনতে চাও, তাহলে কোথায় দ্রুত কাট দেবি আর কোথায় একটু সময় রেখে মুহূর্তটা বোঝাবি এই ব্যালান্সটা শিখতে হবে। ভাইরাল এডিটর জানে কোন অংশে গতি বাড়াতে হয় আর কোথায় ধীর করে আবেগ তৈরি করতে হয়। তুই এই রিদম টা আয়ত্ত করলে ভিডিও নিজে থেকেই জমে উঠবে। উদাহরণঃ তোমাকে ভালো ভাবে এডিট শুট দুই ঠিক না থাকলে কখনো ভাইরাল হবে না
ভাই, ভিডিওতে মোশন গ্রাফিক্স আর টেক্সট অ্যানিমেশন ঠিক মতো ব্যবহার করতে পারলে একদম অন্য লেভেলের ★লুক দেখতে পাবে। তবে বেশি ব্যবহার করলেই যে ভালো হবে তা না সঠিক জায়গায়, সঠিক সময় দিতে হবে, সঠিক ভাবে ব্যবহার করাই আসল ব্যাপার। ভাইরাল এডিটর বুঝে কোন মুহূর্তে একটা স্মার্ট( টেক্সট পপ-আপ বা হালকা অ্যানিমেশন দিলে দর্শক আরও ধরে থাকে। তুই যদি পরিষ্কার, সুন্দর এবং চোখে লাগা গ্রাফিক্স ব্যবহার করিস, ভিডিওর ইমপ্যাক্ট অনেক বেড়ে যাবে। উদাহরণঃ এটা ভিডিওতে লুক দেওয়া লাগবে এটা পাঠকদের আক্রশন
আমাদের সকল সেবা পেতে ক্লিক করুন
ভাই, কালার গ্রেডিং ঠিক ′মতো করতে পারলে ভিডিওর পুরো ভাইবই বদলে যায়। তোর ফুটেজ যতই ভালো হোক, ভুল রং দিলে পুরো মুড নষ্ট হয়ে যায়। ভাইরাল এডিটর জানে কোন ভিডিওতে উজ্জ্বল রং দরকার আর কোনটায় একটু সিনেমাটিক টোন দিলে বেশি মানাবে। তুই আগে আলো, স্কিন টোন আর শটের আবহ মিলিয়ে দেখ, তারপর ধীরে ধীরে গ্রেড দে। ঠিক রং বসলে ভিডিও নিজেরাই প্রোফেশনাল লাগে। উদাহরণঃ ভিডিও সুন্দর রং থাকবে পুড়ো ভিডিও জুরে।
ভাই, ভিডিও তে সাউন্ড ঠিক না থাকলে যত ভালো ভিজ্যুয়ালই দাও ইমপ্যাক্ট ঠিক মতো দেখা বা ভাল হয় না। তাই তোর আগে শেখা দরকার কোথায় ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক তুলবি, কোথায় নামাবি আর কোথায় সাউন্ড ইফেক্ট দিলে মুহূর্তটা আরও জোরালো হবে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ভাইরাল এডিটর জানে দর্শককে ধরে রাখতে অডিওর রিদম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তুই যদি ক্লিন অডিও, সঠিক বিট আর স্মার্ট সাউন্ড হিট ব্যবহার করিস, ভিডিও একদম অন্য লেভেল লাগবে ভালো হবে না। উদাহরণঃ সাউন্ড ডিজাইন ইফেক্ট সব কিছু ক্লিন রাখবে।
ভাই, ভিডিও ভাইরাল হবে কি না, সেটা অনেক টাই নির্ভর করে প্রথম ৩ -৫ সেকেন্ডের ওপর এটা তোকে সব থেকে বেশি দেখতে হবে। এই সময়টায় তুই যদি এমন একটা শট না দিস, যা দেখে মানুষ থেমে যায়, তাহলে ভিডি ও স্ক্রল খেয়ে যাবে যা ভাবতে পারি না। ভাইরাল এডিটর জানে কিভাবে শুরুতে ই কৌতূহল, শক বা ইমোশন তৈরি করতে হয়। তুই চাইলে ডায়ালগ, দ্রুত কাট বা আকর্ষণীয়★ ভিজ্যুয়াল দিয়ে শুরু করতে পারিস এটাই দর্শক ধরে রাখার চাবি কাঠি। উদাহরণঃ ৩-৫ সেঃ ভালো আক্রশন করে রাখতে হবে
ভাই, ভিডিওতে রিটেনশন ধরে রাখতে পারলে তোর অর্ধেক কাজ শেষ ভূল কাজ এটাই। মানুষ যেন মাঝপথে স্ক্রল না করতে পারে এমন, সেজন্য প্রতি কয়েক সেকেন্ড পর কিছু না কিছু ভিজ্যুয়াল পরিবর্তন আনতে হবে, কখনো জুম, কখনো কাট, কখনো টেক্সট। ভাইরাল এডিটর জানে ঠিক কোন মুহূর্তে ছোট একটা সাউন্ড হিট বা ট্রানজিশন দিলে দর্শক আবার মনোযোগ দিতে বাধ্য করে। তুই যদি এই ছোট ছোট পরিবর্তন ঠিকমতো দিস, রিটেনশন একদম টপ লেভেলে যাবে। উদাহরণঃ স্কপ সঠিক ভাবে দিবে আক্রশন ময়
ভাই, সব প্ল্যাটফর্মের জন্য এক ধরনের ভিডিও চলে না টিকটকে যেটা ভাইরাল হয় সেটা আবার ফেসবুকে না, ইউটিউবে সেটা জমতেই পারে না। তাই তোর আগে বুঝতে হবে কোন প্ল্যাটফর্মে কী ধরনের গতি সে ভাবে করতে হবে, ফ্রেমিং আর এনার্জি লাগে। ভাইরাল এডিটর জানে ইনস্টা রিলস, ফেসবুক, ইউটিউব শর্টস প্রতিটায় আলাদা স্টাইল দরকার। তুই যদি প্ল্যাটফর্ম অনুযায়ী ভিডিও বানাস, তাহলে ভিউ আর এনগেজমেন্ট দুইটাই আকাশছোঁয়া হবে। উদাহরণঃ
ভাই, ট্রেন্ড রিসার্চ না করলে তুই বুঝতেই পারবি না এখন কোন ধরনের কনটেন্ট মানুষ বেশি দেখছে সময় সাথে সাথে মানুষ পরিবর্তন হয়, সে হিসাব করে করতে হবে, সব কিছু না বুঝতে পারলে কখনো আগাতে পারবে না। কখনো অডিও ট্রেন্ড চলে, কখনো এডিটিং স্টাইল, আবার কখনো শুধু একটা হুকই ভাইরাল হয়। ভাইরাল এডিটর জানে ট্রেন্ড মানে অন্ধভাবে কপি না, বরং সেটা নিজের স্টাইলে মিলিয়ে ব্যবহার করা। তুই নিয়মিত স্ক্রল কর, নোট নে আর দেখ কীভাবে জিনিস গুলো কাজ করছে। এতে তোর কনটেন্ট সহজেই উপরে উঠবে, ইনকাম সহজ হবে না । চুরি করলে করার মতো করতে হবে তাহলে কাজ হবে।
ভাই, এডিটিং সফটওয়্যারের বেসিক স্কিলগুলো না জানলে তুই কত আইডিয়া জানিস সেটা কাজে লাগবে না। কাট, ট্রানজিশন, স্পিড র্যাম্প, কালার অ্যাডজাস্ট এসব তো জানতেই হবে, না জানলে কোন কিছু হবে এটাই মূল, সঙ্গে শর্টকাট ব্যবহার করলে কাজের গতি বাড়বে। ভাইরাল এডিটর জানে কোন টুল কোথায় ব্যবহার করলে ভিডিও বেশি স্মুথ আর আকর্ষণীয় লাগে সেহেতে তাকে সব দিক বিবেচনা করে করতে হবে। তুই যদি আস্তে আস্তে কাজ করবি আস্তে আস্তে সফটওয়্যারটা হাতের মুঠোয় আনতে পারিস, তখন এডিটিং হবে অনেক সহজ আর দ্রুত।
ভাই, পোর্টফোলিও ঠিক মতো সাজানো না থাকলে তুই যত ভালো এডিটই করিস, মানুষ বিশ্বাস করতে চায় না, তোর ভিডিও। তাই শুরুতেই তোর সেরা ৫–১০টা কাজ সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রাখ বিভিন্ন স্টাইল, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ভিডিও রাখলে আরও ভালো বেশি বিশ্বাস। ভাইরাল এডিটর জানে ক্লায়েন্ট বা দর্শক প্রথমেই কাজ দেখে সিদ্ধান্ত নেয়, বিষয় টা এমনি তোকে সামনে রাখতে হবে সব। তুই যদি পরিষ্কার বায়ো, ব্র্যান্ডেড থাম্বনেইল আর শক্ত কিছু স্যাম্পল দেখাস, তাহলে সহজেই সবাই তোর ওপর ভরসা করবে।
ভাই, ক্লায়েন্ট বা ব্র্যান্ডের জন্য ভিডিও বানাতে হলে আগে বুঝতে হবে তারা কী চাইছে আর তাদের অডিয়েন্স কেমন, সে বিষয় তোকে আগাতে হবে জেনে। শুধু সুন্দর কাট দিলেই হবে না মেসেজটা ঠিক মতো পৌঁছাতে হবে, কে দেখবে সেই ভাবে করতে হবে। ভাইরাল এডিটর জানে কীভাবে ব্র্যান্ডের টোন, রং আর স্টাইল মিলিয়ে এমন ভিডিও বানাতে হয়, যা দেখলে মানুষ থেমে যায়, অদ্ভুত করে দিতে হবে। তুই যদি ক্লায়েন্টের লক্ষ্য ঠিকমতো বুঝে কাজ করিস, তাহলে রেজাল্টও হবে একদম টপ ক্লাস।
ভুল হলে মাপ করবে বন্ধু মতো সুন্দর ভাবে বুঝানোর জন্য তুই ভাষা ব্যবহার করেছি।