ঢাকাসোমবার , ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • সকল বিভাগ
  1. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  2. Blog ও website ইনকাম
  3. Digital marketing
  4. Freelancing
  5. Online গাইড লাইন
  6. online ব্যবসা
  7. Passive income
  8. SEO শিখুন
  9. Video এডিটিং
  10. অনলাইন ইনকাম
  11. ইসলাম
  12. কনটেন্ট রাইটিং
  13. খাদ্য ও পুষ্টি
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরি-বাকরি

Dropshipping Business in Bangladesh — Real Profit or Scam? ২০২৬

অনলাইন কর্ম
ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমি যখন প্রথম Dropshipping নিয়ে জানতে শুরু করি, তখন ইন্টারনেটে শুধু দুই ধরনের কথা দেখেছি কেউ বলে এটা স্বর্ণখনি, কেউ বলে এটা পুরো Scam। এই দুই চরমের মাঝখানে যে বাস্তবতা আছে, সেটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী করেছে। তাই আমি নিজে এই মডেলে কাজ করেছি, লস করেছি, শিখেছি, আবার লাভও দেখেছি। আর এই বইটি লিখেছি সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই।

এই গাইডটি তাদের জন্য যারা অনলাইনে ব্যবসা করতে চায়, কিন্তু অন্ধভাবে ঝাঁপ দিতে চায় না। এখানে আপনি শুধু “কীভাবে শুরু করবেন” সেটা পাবেন না বরং জানবেন কোথায় সাবধান হতে হবে, কোন জায়গায় মানুষ বেশি ঠকে, আর কোন জায়গায় সত্যিকারের সুযোগ আছে। আমি এখানে কোনো স্বপ্ন বিক্রি করিনি, আমি বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছি।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে Dropshipping-এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো Trust, Delivery আর Return। এগুলো উপেক্ষা করলে আপনি যতই ভালো মার্কেটার হন, সফল হবেন না। তাই এই বইয়ে আমি সেই বিষয়গুলো খোলাখুলি আলোচনা করেছি যেগুলো ইউটিউব ভিডিও বা কোর্সে সাধারণত বলা হয় না।

আপনি যদি সত্যিই জানতে চান Dropshipping আপনার জন্য কিনা, করলে কীভাবে করবেন যাতে ক্ষতি কম হয় এবং সম্ভাবনা বেশি হয় তাহলে এই বইটি আপনার জন্য।

 সূচিপত্র

১. Dropshipping কী এবং বাংলাদেশে এটি কীভাবে কাজ করে

২. বাংলাদেশে Dropshipping জনপ্রিয় হওয়ার পেছনের বাস্তব কারণ

৩. Profit vs Reality — সত্যি কি লাভ হয় নাকি শুধু মার্কেটিং?

৪. Scammerদের ব্যবহৃত Dropshipping “Dream Selling” কৌশল

৫. Bangladesh Market-এর জন্য সঠিক Product বাছাইয়ের ফর্মুলা

৬. Supplier, Delivery & Cash-on-Delivery-এর বাস্তব চ্যালেঞ্জ

৭. Facebook Ads & Marketing — বাংলাদেশে কী কাজ করে, কী করে না

৮. Legal, Tax & Business Registration — কী জানা জরুরি

৯. Case Study: বাংলাদেশে সফল ও ব্যর্থ Dropshipping ব্যবসার তুলনা

১০. Honest Verdict — Dropshipping করা উচিত কিনা এবং কার জন্য উপযোগী

Dropshipping কী এবং বাংলাদেশে এটি কীভাবে কাজ করে — Real Profit or Scam?

আমি যখন প্রথম Dropshipping শব্দটা শুনি, তখন মনে হয়েছিল এটা বুঝি অনলাইনে বসে টাকা ছাপানোর মেশিন। কিন্তু একটু গভীরে গেলে আমি বুঝতে পারি Dropshipping আসলে একটি Logistics-based ব্যবসা, কোনো জাদু নয়। এখানে আমি নিজের কাছে পণ্য রাখি না, আগে কিনি না, স্টক নেই। আমি শুধু একটি অনলাইন শপ বানাই, সেখানে প্রোডাক্ট লিস্ট করি, আর কাস্টমার অর্ডার করলে Supplier সেই পণ্য সরাসরি কাস্টমারের কাছে পাঠায়। আমি মাঝখানে Marketing, Customer communication আর Profit margin ম্যানেজ করি। বাংলাদেশে এই মডেলটি সাধারণত Facebook Page + WhatsApp + Courier + Cash on Delivery দিয়ে চলে। তাই Dropshipping Business in Bangladesh মানে হলো মার্কেটিং শক্ত, কিন্তু অপারেশনালভাবে সংবেদনশীল একটি ব্যবসা।

আমি নিজে শুরুতে ভেবেছিলাম Supplier পেলেই ব্যবসা চলবে। কিন্তু আমি শিখেছি আসল লড়াইটা হয় Delivery, Return আর Customer trust নিয়ে। প্রথম মাসে আমার ৩০% অর্ডার রিটার্ন হয়েছিল। পরে আমি Product selection আর Customer filtering ঠিক করি, তখন ধীরে ধীরে Profit দেখা দেয়।

এডিটিং সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

ধরা যাক, আপনি “Rechargeable Fan” বিক্রি করছেন। আপনি Facebook-এ বিজ্ঞাপন দিলেন, অর্ডার নিলেন ১২০০ টাকায়, Supplier থেকে কিনলেন ৮৫০ টাকায়, Courier দিলেন ১০০ টাকা। বাকি থাকে আপনার Profit কিন্তু যদি কাস্টমার রিসিভ না করে, পুরো টাকাটাই আপনার ক্ষতি। এখানেই Dropshipping-এর বাস্তবতা।

বাংলাদেশে Dropshipping জনপ্রিয় হওয়ার পেছনের বাস্তব কারণ — Real Profit or Scam?

আমি লক্ষ্য করেছি, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে Dropshipping নিয়ে আগ্রহ হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। কারণটা শুধু “অনলাইনে ইনকাম” ট্রেন্ড না এর পেছনে বাস্তব কিছু কারণ আছে। প্রথমত, এই মডেলে শুরু করতে বড় পুঁজি লাগে না। দ্বিতীয়ত, Facebook আর Mobile internet সহজলভ্য হওয়ায় যে কেউ মার্কেটিং করতে পারে। তৃতীয়ত, Cash on Delivery সিস্টেম বাংলাদেশি কাস্টমারের জন্য স্বস্তিদায়ক। তাই Dropshipping Business in Bangladesh অনেকের কাছে মনে হয় কম ঝুঁকিতে ব্যবসা করার সুযোগ। কিন্তু আমি দেখেছি, এই সহজ প্রবেশদ্বারই অনেককে অপ্রস্তুত অবস্থায় ঢুকিয়ে দেয়।

অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

আমি অনেক নতুন উদ্যোক্তার সাথে কথা বলেছি যারা ইউটিউব ভিডিও দেখে শুরু করেছে। তারা জানত Ads চালাতে হয়, কিন্তু জানত না Return, Fake order, Courier delay কীভাবে সামলাতে হয়। ফলে প্রথম ধাক্কাতেই অনেকে হাল ছেড়ে দেয়। তখন বুঝেছি জনপ্রিয়তা মানেই প্রস্তুতি নয়।

ধরা যাক, একজন স্টুডেন্ট ১০ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করল। সে ভাবে ১০ দিনে ডাবল হবে। কিন্তু তার ৪০% অর্ডার রিটার্ন হলো, কিছু ডেলিভারি দেরি হলো, কিছু কাস্টমার রাগ করল। তখন তার ক্যাশফ্লো আটকে গেল। এখানেই বোঝা যায় জনপ্রিয়তা আর বাস্তবতা এক জিনিস না।

Profit vs Reality — সত্যি কি Dropshipping-এ লাভ হয় নাকি শুধু মার্কেটিং?

আমি বুঝেছি, Dropshipping নিয়ে সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হয় Profit নিয়ে। সবাই স্ক্রিনশট দেখে ভাবে “এই তো ৫০ হাজার, ১ লাখ সেল!” কিন্তু আমি শিখেছি Sales আর Profit এক জিনিস না। আমার Dropshipping Business in Bangladesh অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, বিজ্ঞাপন খরচ, রিটার্ন, কুরিয়ার চার্জ, কাস্টমার সাপোর্ট — সব কাটার পর হাতে যা থাকে সেটাই আসল লাভ। অনেক সময় দেখা যায়, ১ লাখ টাকার সেল করেও প্রকৃত লাভ থাকে মাত্র ৮–১২ হাজার।

এক মাসে আমার সেল ছিল প্রায় ৯০ হাজার টাকা। আমি ভেবেছিলাম ভালো করছি। কিন্তু হিসাব করে দেখি Ads ২৫ হাজার, Courier ১৫ হাজার, Return loss ১০ হাজার সব মিলিয়ে লাভ ছিল মাত্র ৯ হাজার। তখন বুঝলাম, হিসাব না জানলে Dropshipping শুধু দৌড়, ফল নয়।

ধরা যাক, আপনি একটি পণ্য বিক্রি করছেন ১৫০০ টাকায়। কিনছেন ১১০০ টাকায়। Ads খরচ ২০০, Courier ১০০। Profit থাকার কথা ১০০ টাকা। কিন্তু যদি ৩০% অর্ডার রিটার্ন হয়, সেই রিটার্নের কুরিয়ার খরচ আপনাকে দিতে হবে। তখন গড়ে আপনার Profit প্রায় শূন্যে নেমে আসে।

Scammerদের ব্যবহৃত Dropshipping “Dream Selling” কৌশল — সতর্কতা

আমি লক্ষ্য করেছি, Dropshipping-এর জনপ্রিয়তার সাথে সাথে Scammer-রাও বেড়েছে। তারা Dropshipping-কে ব্যবসা হিসেবে না, স্বপ্ন বিক্রির পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে। তারা বলে “কোনো ঝুঁকি নেই”, “প্রতিদিন ১০ হাজার ইনকাম নিশ্চিত”, “সবকিছু অটোমেটেড”। কিন্তু আমি জানি বাস্তবে এর কোনোটাই পুরো সত্য না। আমার Dropshipping Business in Bangladesh যাত্রায় আমি দেখেছি, যারা এই ধরনের হাইপে ঢোকে, তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আমি নিজে একবার একটি কোর্স কিনেছিলাম যেখানে শুধু স্ক্রিনশট আর মোটিভেশন ছিল, কিন্তু বাস্তব সমস্যা নিয়ে কিছুই ছিল না যেমন রিটার্ন হ্যান্ডলিং, কুরিয়ার ইস্যু, কাস্টমার কমপ্লেইন। পরে আমি বুঝেছি, যারা ঝুঁকির কথা বলে না তারাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

ধরা যাক, কেউ বলে “আপনি শুধু আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন, আমরা প্রোডাক্ট দেব, সাপ্লায়ার দেব, অর্ডার আসবেই।” আপনি টাকা দিলেন। পরে দেখলেন প্রোডাক্ট Saturated, সাপ্লায়ার ধীর, আর সাপোর্ট নেই। তখন আপনি আটকে গেলেন। এটাই Dream Selling-এর ফাঁদ।

Bangladesh Market-এর জন্য সঠিক Product বাছাইয়ের ফর্মুলা — Dropshipping

আমি শিখেছি, Dropshipping-এ সফলতা নির্ভর করে Product-এর উপর, Platform-এর উপর না। ভুল প্রোডাক্ট মানে সেরা মার্কেটিং করেও ব্যর্থতা। তাই আমি Dropshipping Business in Bangladesh-এ Product বাছাই করি তিনটি ফিল্টারে Demand, Deliverability, Durability। Demand মানে মানুষ সেটা খুঁজছে কি না। Deliverability মানে সেটা কুরিয়ারে পাঠানো সহজ কি না। Durability মানে সেটা ভাঙার ঝুঁকি কম কি না। আমি এমন পণ্য বেছে নিই যেগুলো সমস্যা সমাধান করে, impulsive না বরং practical, আর যেগুলো মানুষ পরিবারে ব্যবহার করতে পারে।

শুরুর দিকে আমি ট্রেন্ডি কিন্তু ভঙ্গুর পণ্য বেছে নিয়েছিলাম। ফলে ভাঙা ডেলিভারি, রিটার্ন, রাগান্বিত কাস্টমার সব মিলিয়ে লস হয়। পরে আমি সহজ, টেকসই, প্র্যাকটিকাল পণ্য বেছে নিই তখন রিটার্ন কমে, রিভিউ ভালো হয়, লাভ স্থায়ী হয়।

ধরা যাক, আপনি “Mini Bluetooth Light” বিক্রি করছেন দেখতে সুন্দর, কিন্তু ভাঙে সহজে। রিটার্ন বেশি হবে। অন্যদিকে “Water Filter Bottle” মানুষ ব্যবহার করে, দরকারি, ভাঙে কম দীর্ঘমেয়াদে এটা বেশি লাভজনক।

Supplier, Delivery & Cash-on-Delivery-এর বাস্তব চ্যালেঞ্জ — Dropshipping

আমি খুব দ্রুত বুঝেছি Dropshipping-এ সবচেয়ে বড় ঝুঁকি প্রোডাক্ট না, মার্কেটিং না বরং অপারেশন। Supplier সময়মতো পাঠাবে কি না, Courier ঠিকমতো পৌঁছাবে কি না, আর কাস্টমার রিসিভ করবে কি না এই তিনটার উপর পুরো ব্যবসা দাঁড়িয়ে। আমার Dropshipping Business in Bangladesh অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, ভালো Supplier না পেলে আপনি যতই ভালো মার্কেটার হন, সব ভেঙে পড়ে।

একবার আমার Supplier দুই দিন দেরি করেছিল। ফলে ২০ জন কাস্টমার অর্ডার ক্যানসেল করে। আমি তখন বুঝলাম আমি কাস্টমারের কাছে দায়ী, Supplier-এর অজুহাত কেউ শোনে না। পরে আমি একাধিক Supplier রাখি এবং প্রতিদিন অর্ডার ট্র্যাক করি। তখন সিস্টেম স্থির হয়।

ধরা যাক, আপনি ৫০টা অর্ডার পাঠালেন। ১০টা কাস্টমার ফোন ধরল না, ৫টা রিসিভ করল না, ৩টা ঠিকানা ভুল। এই ১৮টার কুরিয়ার খরচ আপনাকে দিতে হবে। এখানেই Cash-on-Delivery-এর hidden cost।

Facebook Ads & Marketing — বাংলাদেশে কী কাজ করে, কী করে না

আমি শিখেছি বাংলাদেশে Dropshipping মানেই Facebook Marketing। কিন্তু সবাই Ads চালায়, সবাই সফল হয় না। কারণ এখানে কাজ করে Trust-based marketing, Hard selling না। আমার Dropshipping Business in Bangladesh অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, লোকাল ভাষা, লোকাল সমস্যা আর বাস্তব ভিডিও কনটেন্ট সবচেয়ে ভালো কাজ করে। Fancy English Ad copy বা বিদেশি স্টাইল এখানে ততটা কাজ করে না।

আমি একবার বিদেশি ফরম্যাটে একটি Ad বানিয়েছিলাম High design, Low emotion। Result ছিল দুর্বল। পরে আমি নিজের হাতে প্রোডাক্ট ব্যবহার করে ভিডিও বানাই, বাংলায় কথা বলি, সমস্যা দেখাই তখন CPM কমে যায় আর Conversion বাড়ে।

ধরা যাক, আপনি “Mosquito Killer Lamp” বিক্রি করছেন। যদি আপনি শুধু প্রোডাক্টের ছবি দেন মানুষ স্ক্রল করে যাবে। কিন্তু যদি ভিডিওতে দেখান রাতে ঘুমের সময় মশা কীভাবে বিরক্ত করে আর এই ল্যাম্প কীভাবে কাজ করে মানুষ থামবে, দেখবে, আর অর্ডার করবে।

Legal, Tax & Business Registration — কী জানা জরুরি (Bangladesh Dropshipping)

আমি বুঝেছি Dropshipping অনলাইন হলেও এটা কিন্তু একটি বাস্তব ব্যবসা। তাই এটাকে সিরিয়াসলি নিলে Legal আর Tax বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা যায় না। আমার Dropshipping Business in Bangladesh যাত্রায় আমি দেখেছি, যারা শুরুতেই এগুলো উপেক্ষা করে, পরে তারাই সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে পেমেন্ট গেটওয়ে, কর, এমনকি কাস্টমার অভিযোগ নিয়ে।

আমি শুরুতে ভাবতাম ছোট ব্যবসায় লাইসেন্স লাগে না। পরে যখন পেমেন্ট গেটওয়ে নিতে গেলাম, তারা Trade License আর TIN চাইলো। তখন হুড়োহুড়ি করে করতে হয়। পরে বুঝলাম আগে করলে চাপ কম, বিশ্বাস বাড়ে।

ধরা যাক, আপনি বড় হতে চান নিজের ওয়েবসাইট, SSLCommerz, City Bank gateway, বড় Courier চুক্তি। এগুলো পেতে হলে আপনার ব্যবসার বৈধ পরিচয় দরকার। নাহলে আপনি সবসময় সীমাবদ্ধ থাকবেন।

Case Study — বাংলাদেশে সফল ও ব্যর্থ Dropshipping ব্যবসার তুলনা

আমি বিশ্বাস করি, থিওরির চেয়ে উদাহরণ বেশি শেখায়। তাই আমি সবসময় সফল আর ব্যর্থ দুই ধরনের Dropshipping ব্যবসা দেখি। আমার Dropshipping Business in Bangladesh অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, যারা সফল তারা খুব সাধারণ কিছু কাজ ধারাবাহিকভাবে করে। আর যারা ব্যর্থ হয় তারা সাধারণ কিছু ভুল বারবার করে।

আমি নিজে একসময় একসাথে অনেক প্রোডাক্ট চালিয়েছিলাম। কোনোটা ফোকাস না থাকায় কোনোটাই লাভ দেয়নি। পরে আমি শুধু একটি প্রোডাক্টে ফোকাস করি, সেটাকে ঠিক করি, তারপর স্কেল করি। তখন ফল আসে। তখন বুঝলাম ফোকাস মানেই গতি।

সফল কেস: একজন উদ্যোক্তা শুধু Kitchen Organizer বিক্রি করে। সে লোকাল ভিডিও বানায়, কাস্টমার ফলোআপ করে, রিটার্ন কমায়। সে লাভে যায়।

ব্যর্থ কেস: আরেকজন প্রতিদিন নতুন ট্রেন্ডি প্রোডাক্ট টেস্ট করে, সাপ্লায়ার বদলায়, কোনো সিস্টেম বানায় না — সে লসে যায়।

Honest Verdict — Dropshipping করা উচিত কিনা এবং কার জন্য উপযোগী

আমি এই পুরো যাত্রা থেকে একটাই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি Dropshipping কোনো Scam না, আবার Easy money-ও না। এটা একটি বাস্তব ব্যবসা, যার বাস্তব ঝুঁকি, পরিশ্রম আর দায়িত্ব আছে। আমার Dropshipping Business in Bangladesh অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, যারা এটাকে শর্টকাট ভাবে, তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর যারা এটাকে শেখার প্রক্রিয়া হিসেবে নেয়, সিস্টেম বানায়, হিসাব রাখে তারাই ধীরে ধীরে লাভে যায়।

আমি অনেককে দেখেছি প্রথম লসে হতাশ হয়ে ছেড়ে দিতে। আবার আমি এমন মানুষও দেখেছি যারা প্রথম লসকে টিউশন ফি হিসেবে নেয়, শেখে, ঠিক করে, আর সফল হয়। পার্থক্যটা মাইন্ডসেটে।

যদি আপনি এমন কেউ হন যিনি ধৈর্যশীল, হিসাব করতে পারেন, কাস্টমার সামলাতে পারেন এবং শিখতে রাজি Dropshipping আপনার জন্য। কিন্তু যদি আপনি দ্রুত টাকা চান, ঝুঁকি নিতে না চান, আর সমস্যা এড়াতে চান — তাহলে এটা আপনার জন্য না।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনলাইন কর্ম আপনাকে সাগতম অনলাইনে নতুন কিছু শিখতে চাইলে আমাদের পেজে সব ধরনের অনলাইন ইনকাম শিখতে পারবেন এবং আপনার প্রশ্ন উত্তর পারবে আমাদের গ্রুপ ও ফেসবুক আছে সেখানে অথবা কমেন্ট করতে পারবেন ok ক্লিক করুন ধন্যবাদ OK No thanks