আমি যখন কনটেন্ট রাইটিং শুরু করি, তখন আমার মাথায় শুধু একটা প্রশ্ন ছিল “লিখে কি সত্যিই ভালো টাকা আয় করা যায়?” সময়ের সাথে বুঝেছি, লেখা দিয়ে টাকা হয় ঠিকই, কিন্তু সবাই সমানভাবে পায় না। কেউ একই পরিশ্রমে বেশি আয় করে, কেউ কম। এই পার্থক্যটা তৈরি হয় একটা জায়গায় niche। Niche-based Content Writing মানে শুধু একটা বিষয় বেছে নেওয়া না, বরং নিজের স্কিলকে একটা নির্দিষ্ট মার্কেটের সাথে মিলিয়ে দেওয়া, যেখানে চাহিদা আছে, বাজেট আছে, আর লং-টার্ম গ্রোথের সুযোগ আছে। আমি নিজে দেখেছি, niche ধরার পর শুধু আমার ইনকামই বাড়েনি, আমার কাজের মান, ক্লায়েন্টের মান, আর নিজের প্রতি কনফিডেন্স সবকিছুই বদলে গেছে। এই লেখায় আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখাবো কেন niche-based content writing বেশি প্রফিট দেয়, কিভাবে এটা আপনাকে সাধারণ ভিড় থেকে আলাদা করে, আর কীভাবে আপনিও এই স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করে নিজের ক্যারিয়ারকে পরের লেভেলে নিতে পারেন।
সূচিপত্র
1. Niche-based Content Writing কী?
2. General Content Writing আর Niche-based Writing এর পার্থক্য
3. কেন ক্লায়েন্টরা Niche Writer-কে বেশি টাকা দিতে চায়
4. Niche Content এ Competition কেন কম কিন্তু Demand বেশি
5. Authority, Trust এবং Branding কিভাবে তৈরি হয়
6. High-paying Niches এর উদাহরণ (Finance, Health, Tech ইত্যাদি)
7. Niche বাছাই করার সঠিক পদ্ধতি
8. Skill Gap এবং তার Profit Impact
9. Long-term Income Growth কেন বেশি হয়
10. Beginner রা কিভাবে Niche-based Writing শুরু করতে পারে
১. Niche-based Content Writing কী?
আমি যখন প্রথম কনটেন্ট রাইটিং শুরু করি, তখন সব বিষয়েই লেখার চেষ্টা করতাম ভ্রমণ, স্বাস্থ্য, টেক, রেসিপি, যা পাই তাই। কিন্তু খুব দ্রুত বুঝতে পারি, এতে কাজ পাওয়া গেলেও ভালো টাকা আর লং-টার্ম ভ্যালু তৈরি হয় না। তখন আমি শিখলাম Niche-based Content Writing মানে হলো একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে গভীরভাবে দক্ষ হয়ে ওঠা এবং সেই বিষয়েই নিয়মিত, মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করা। যেমন: শুধু Finance, শুধু Health, বা শুধু SaaS নিয়ে লেখা। এতে আমি সেই বিষয়ে একজন “specialist” হিসেবে পরিচিত হই, general writer হিসেবে না। আর অনলাইনে specialist দের চাহিদা সবসময়ই বেশি। কারণ ক্লায়েন্টরা এমন মানুষ চায়, যে তাদের ইন্ডাস্ট্রি বোঝে, অডিয়েন্স বোঝে, আর business goal মাথায় রেখে লিখতে পারে।
আমি নিজে লক্ষ্য করেছি, যখন আমি “সবকিছু পারি” টাইপ রাইটার ছিলাম, তখন প্রতি আর্টিকেলে ৫–১০ ডলারের বেশি কেউ দিতে চাইত না। কিন্তু যখন আমি একটা নির্দিষ্ট niche বেছে নিয়ে সেই দিকেই নিজেকে গড়ে তুললাম, তখন একই শব্দ সংখ্যার জন্য ৫ গুণ পর্যন্ত বেশি পেমেন্ট পেতে শুরু করলাম। কারণ তখন আমি শুধু লেখা দিচ্ছিলাম না আমি দিচ্ছিলাম industry insight, strategy আর audience understanding।
কনটেন্ট রাইটিং সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন
ধরুন, একজন general writer “Credit Card” নিয়ে একটা লেখা লিখবে। আর একজন niche-based finance writer সেই একই বিষয়ে লিখবে কিন্তু সে জানে APR, rewards structure, user intent, SEO keyword mapping সবকিছু। তাই তার লেখা ব্যাংক, fintech কোম্পানি বা বড় ব্লগ সহজেই কিনে নিতে চায়, কারণ সেটা সরাসরি তাদের business value বাড়ায়।
২. General Content Writing আর Niche-based Writing এর পার্থক্য
আমি শুরুতে ভাবতাম “আমি তো লিখতেই পারি, টপিক যাই হোক না কেন!” কিন্তু কাজ করতে গিয়ে বুঝলাম, General Content Writing মানে হচ্ছে সব বিষয়ে হালকা ধারণা নিয়ে লেখা, আর Niche-based Writing মানে হচ্ছে একটা বিষয়ে গভীরভাবে ঢুকে পড়া। General writer হিসেবে আমি শুধু তথ্য সাজিয়ে দিতাম। কিন্তু niche writer হিসেবে আমি সমস্যা বুঝি, অডিয়েন্স বুঝি, আর তাদের জন্য সল্যুশন ডিজাইন করি। এইখানেই মূল পার্থক্যটা তৈরি হয়। ক্লায়েন্টরা শুধু শব্দ চায় না তারা চায় ফলাফল। আর ফলাফল আসে তখনই, যখন লেখা একটা নির্দিষ্ট market, pain point আর intent কে টার্গেট করে।
আমাদের পেজের বিভিন্ন তথ্য পেতে ক্লিক করুন
আমি লক্ষ্য করেছি, General writer থাকলে আমাকে বারবার প্রমাণ করতে হতো যে আমি পারি। কিন্তু niche writer হওয়ার পর ক্লায়েন্টরাই আমাকে খুঁজে বের করেছে। কারণ তখন আমার একটা স্পষ্ট পরিচয় ছিল “এই লোকটা এই বিষয়টাই ভালো বোঝে।” ফলে দরকষাকষি কম হয়েছে, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন কম হয়েছে, আর পেমেন্ট বেশি হয়েছে।
ধরুন একজন SaaS কোম্পানি তাদের software নিয়ে কনটেন্ট চায়। একজন general writer শুধু ফিচার লিস্ট লিখবে। কিন্তু একজন SaaS niche writer লিখবে কীভাবে এই টুলটা churn কমায়, productivity বাড়ায়, আর user retention বাড়ায়। তাই কোম্পানির জন্য niche writer এর লেখা সরাসরি revenue impact তৈরি করে, general writer এর লেখা শুধু content পূরণ করে।
৩. কেন ক্লায়েন্টরা Niche Writer-কে বেশি টাকা দিতে চায়
আমি যখন ক্লায়েন্টদের সাথে কথা বলি, তখন একটা বিষয় খুব পরিষ্কার দেখি তারা “লেখা” কিনছে না, তারা “রেজাল্ট” কিনছে। Niche writer হিসেবে আমি শুধু সুন্দর বাক্য লিখি না, আমি লিখি এমন কনটেন্ট যা ট্রাফিক আনে, লিড তৈরি করে, আর শেষ পর্যন্ত সেলস বাড়ায়। কারণ আমি ইন্ডাস্ট্রিটা বুঝি, কাস্টমারের pain point বুঝি, আর সার্চ intent বুঝে কনটেন্ট ডিজাইন করি। এই গভীর বোঝাপড়ার জন্যই ক্লায়েন্টরা আমাকে বেশি ভ্যালু দেয়। তাদের কাছে আমার ফি খরচ নয়, বরং ইনভেস্টমেন্ট।
আমি নিজে দেখেছি, যখন আমি niche ছাড়া কাজ করতাম, তখন ক্লায়েন্টরা বারবার বলত “এইটা একটু ঠিক করো, ওইটা একটু বদলাও।” কিন্তু niche ধরে কাজ করার পর সেই রিভিশন কমে গেছে। কারণ আমি আগেই জানি তারা কী চায়। ফলে তাদের সময় বাঁচে, আমার সময় বাঁচে আর এই সময় বাঁচানোর ভ্যালুটার জন্যই তারা বেশি দিতে রাজি হয়।
ধরুন একজন Health startup তাদের weight loss program নিয়ে কনটেন্ট চায়। একজন general writer লিখবে “ওজন কমানোর উপায়।” আর একজন health niche writer লিখবে metabolic rate, habit formation, scientific references, এবং trust-building tone দিয়ে। তাই কোম্পানি জানে, এই কনটেন্ট শুধু পড়া হবে না, বিশ্বাস তৈরি করবে আর বিশ্বাসই সেলসের ভিত্তি। এজন্যই তারা niche writer-কে বেশি টাকা দিতে চায়।
৪. Niche Content এ Competition কেন কম কিন্তু Demand বেশি
আমি একটা সময় ভাবতাম “Niche ধরলে তো কাজ কমে যাবে।” কিন্তু বাস্তবে দেখলাম ঠিক উল্টোটা হয়। কারণ বেশিরভাগ মানুষ সব কিছু নিয়ে কাজ করতে চায়, কিন্তু খুব কম মানুষই একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে গভীরভাবে ঢুকতে চায়। Niche মানে শুধু সীমাবদ্ধতা না, niche মানে ফোকাস। আর ফোকাস থাকলে আপনি খুব দ্রুত ওই মার্কেটের ভেতরে পরিচিত হয়ে উঠেন। তখন আপনি আর হাজার জনের ভিড়ে থাকেন না — আপনি থাকেন হাতে গোনা কয়েকজন এক্সপার্টের মধ্যে। এই কারণেই competition কমে যায়, কিন্তু demand থেকে যায় বা বাড়ে।
আমি নিজে দেখেছি, general platform গুলোতে হাজার হাজার রাইটার বিড করে, দাম নামিয়ে আনে, আর কাজের মান কমে যায়। কিন্তু niche-based গ্রুপ, কমিউনিটি বা রেফারেলের মাধ্যমে কাজ করলে সেখানে রাইটার কম, কিন্তু ক্লায়েন্টের চাহিদা স্পষ্ট আর বাজেট বেশি। তখন আমাকে আর “আমি কেন ভালো” এটা বোঝাতে হয় না ক্লায়েন্ট নিজেরাই ধরে নেয় আমি এই কাজের জন্য সঠিক লোক।
ধরুন “Digital Marketing” খুব বড় ফিল্ড। কিন্তু “B2B SaaS SEO Content” একটা ছোট niche। এখানে রাইটার কম, কিন্তু SaaS কোম্পানির সংখ্যা বাড়ছে, ফান্ডিং বাড়ছে, আর কনটেন্টের চাহিদা বাড়ছে। তাই এই ছোট niche-এই সুযোগ বেশি, competition কম, আর পেমেন্ট লেভেল অনেক হাই থাকে।
৫. Authority, Trust এবং Branding কিভাবে তৈরি হয়
আমি যখন একটা নির্দিষ্ট niche ধরে নিয়মিত লিখতে শুরু করি, তখন একটা অদ্ভুত কিন্তু শক্তিশালী জিনিস হয় মানুষ আমাকে চিনতে শুরু করে। Authority তৈরি হয় তখনই, যখন আপনি বারবার একই সমস্যার সমাধান দেন, একই অডিয়েন্সের জন্য ভ্যালু তৈরি করেন। Trust আসে তখন, যখন মানুষ দেখে আমি শুধু কথা বলছি না, আমি কাজের জিনিস দিচ্ছি। আর Branding মানে হচ্ছে, লোকজন আমার নামটা একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের সাথে লিংক করে ফেলে। যেমন “এই লোকটা এই বিষয়টা ভালো বোঝে।” এই তিনটা একসাথে তৈরি হলেই আপনি আর সাধারণ রাইটার থাকেন না, আপনি একটা brand হয়ে যান।
আমি নিজে লক্ষ্য করেছি, niche ধরে লেখার কয়েক মাস পর থেকেই মানুষ আমাকে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে, পরামর্শ চাইতে শুরু করেছে। আমি আগে ক্লায়েন্ট খুঁজতাম, এখন অনেক সময় ক্লায়েন্ট আমাকে খুঁজে বের করে। এটা সম্ভব হয়েছে শুধু একটা কারণে আমি সব জায়গায় একরকম বার্তা দিয়েছি, একরকম ভ্যালু দিয়েছি।
ধরুন LinkedIn-এ একজন মানুষ শুধু HR Tech নিয়ে লিখে। সে নিয়মিত employee engagement, HR automation, এবং remote workforce নিয়ে কনটেন্ট দেয়। কয়েক মাস পর সে আর “কনটেন্ট রাইটার” না সে হয়ে যায় “HR Tech voice”। তখন HR সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তার কাছে যায়, কারণ তারা জানে এই লোকটার audience আছে, বিশ্বাস আছে, আর influence আছে।
৬. High-paying Niches এর উদাহরণ (Finance, Health, Tech ইত্যাদি)
আমি যখন niche বাছাই করার কথা ভাবি, তখন শুধু “আমি কী লিখতে পারি” এটা দেখি না, আমি দেখি “কোন মার্কেটে টাকা আছে।” কারণ সব niche সমান নয়। কিছু niche আছে যেখানে ব্যবসার ঝুঁকি বেশি, রেভিনিউ বড়, আর ভুলের দাম চড়া তাই সেখানে ভালো কনটেন্টের ভ্যালুও বেশি। Finance, Health, Tech, Legal, SaaS, এসব জায়গায় একটা ভালো লেখা সরাসরি সেলস, লিড বা সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। তাই এই niche গুলোতে ক্লায়েন্টরা কনটেন্টকে খরচ না ভেবে ইনভেস্টমেন্ট ভাবে।
আমি নিজে দেখেছি, Lifestyle বা Entertainment এ কাজ করলে ভিউ বেশি হতে পারে, কিন্তু পেমেন্ট কম। আর Finance বা B2B Tech-এ কাজ করলে ভিউ কম হলেও পেমেন্ট অনেক বেশি হয়। কারণ এখানে একেকটা কাস্টমার মানেই হাজার হাজার ডলারের ব্যবসা। ফলে কনটেন্টের মান নিয়ে তারা কখনো কম্প্রোমাইজ করে না।
ধরুন একটা Fintech কোম্পানি তাদের investment app নিয়ে কনটেন্ট বানাচ্ছে। একজন সাধারণ রাইটার লিখবে “কীভাবে ইনভেস্ট করবেন।” আর একজন finance niche writer লিখবে risk profiling, portfolio diversification, regulatory compliance, tax efficiency নিয়ে। তাই কোম্পানি জানে, এই লেখা শুধু পড়া হবে না, সিদ্ধান্ত তৈরি করবে। এজন্যই তারা এই niche-এ ভালো রাইটারদের জন্য বেশি বাজেট রাখে।
৭. Niche বাছাই করার সঠিক পদ্ধতি
আমি যখন niche বাছাই করি, তখন আবেগ দিয়ে না, স্ট্র্যাটেজি দিয়ে করি। আমি নিজেকে তিনটা প্রশ্ন করি: (১) এই বিষয়টা আমি শিখতে আগ্রহী কি না, (২) এই মার্কেটে টাকা আছে কি না, (৩) এখানে মানুষ নিয়মিত কনটেন্ট কিনছে কি না। এই তিনটা একসাথে মিললেই সেটা আমার niche হয়। কারণ শুধু পছন্দ থাকলে হবে না, আর শুধু টাকা থাকলেও হবে না দুইটাই দরকার। Niche মানে হলো যেখানে আমার স্কিল, মার্কেটের চাহিদা আর ভবিষ্যৎ গ্রোথ একসাথে মেলে।
আমি আগে একটা niche ধরেছিলাম যেটা আমার ভালো লাগত, কিন্তু মার্কেটে তার চাহিদা কম ছিল। ফলে কাজ পেতাম কম, আর দর কম। পরে যখন মার্কেট দেখে niche বদলালাম, তখন একই পরিশ্রমে বেশি রেজাল্ট পেলাম। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে niche বাছাই একটা ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত, শুধু ক্রিয়েটিভ না।
ধরুন কেউ Fitness পছন্দ করে। সে চাইলে “General Fitness” না ধরে “Busy Professionals এর জন্য Home Workout” ধরতে পারে। এতে তার অডিয়েন্স পরিষ্কার হয়, কনটেন্ট ফোকাসড হয়, আর ক্লায়েন্টও জানে সে ঠিক কাকে টার্গেট করছে। এই স্পষ্টতাই niche কে শক্তিশালী করে।
৮. Skill Gap এবং তার Profit Impact
আমি একটা বিষয় খুব স্পষ্টভাবে বুঝেছি টাকা আসে স্কিল থেকে না, আসে দুর্লভ স্কিল থেকে। Skill gap মানে হলো যে স্কিলটা মার্কেটে দরকার, কিন্তু খুব কম মানুষ সেটা ভালোভাবে দিতে পারে। আমি যত বেশি এই gap ধরতে পারি, তত বেশি আমার ভ্যালু বাড়ে। Niche-based কাজ এই gap তৈরি করে, কারণ এখানে শুধু লেখা জানলেই হয় না ইন্ডাস্ট্রি নলেজ, টার্মিনোলজি, প্রসেস, আর ইউজারের সমস্যা বোঝা লাগে। এই কম্বিনেশনটাই আমাকে আলাদা করে তোলে।
আমি নিজে দেখেছি, যখন আমি শুধু “ভালো লেখি” ছিলাম, তখন আমি replaceable ছিলাম। কিন্তু যখন আমি লেখা + strategy + industry insight একসাথে দিতে শুরু করলাম, তখন আমি আর সহজে replaceable থাকিনি। ক্লায়েন্টরা তখন শুধু রাইটার নয়, আমাকে পার্টনার হিসেবে দেখতে শুরু করল। আর পার্টনারদের জন্য বাজেট সবসময় আলাদা হয়।
ধরুন Email Marketing অনেকেই করে। কিন্তু “B2B SaaS Onboarding Email Sequence” খুব কম মানুষ ঠিকভাবে ডিজাইন করতে পারে। কারণ এখানে user journey, activation metric, churn trigger এসব বোঝা লাগে। তাই যে এই gap পূরণ করতে পারে, সে একাই অনেক ক্লায়েন্টের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যায় এবং স্বাভাবিকভাবেই তার প্রাইস অনেক বেশি হয়।
৯. Long-term Income Growth কেন বেশি হয়
আমি বুঝেছি, General কাজ করলে আয় হয় “এখন”, আর niche-based কাজ করলে আয় হয় “এখন + ভবিষ্যৎ।” কারণ niche ধরে কাজ করলে আমি শুধু প্রজেক্ট করি না, আমি একটা asset তৈরি করি আমার নাম, আমার অভিজ্ঞতা, আমার পজিশনিং। এই asset সময়ের সাথে সাথে শক্তিশালী হয়। তখন আমার রেট বাড়ে, কাজ বাছাই করার ক্ষমতা আসে, আর ইনকাম লাইনের সংখ্যা বাড়ে যেমন রিটেইনার, কনসাল্টিং, কোর্স, স্পিকিং ইত্যাদি।
আমি নিজে দেখেছি, general কাজ করলে প্রতি মাসে নতুন ক্লায়েন্ট খুঁজতে হয়। কিন্তু niche ধরে কাজ করলে পুরোনো ক্লায়েন্টই নতুন কাজ দেয়, রেফার করে, আর লং-টার্ম কন্ট্রাক্ট অফার করে। এতে ইনকাম শুধু বাড়ে না, স্টেবলও হয় যেটা ফ্রিল্যান্সিং-এ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
ধরুন একজন “Shopify SEO Writer” হিসেবে নিজেকে পজিশন করলো কেউ। শুরুতে সে শুধু আর্টিকেল লেখে। পরে সে হয়ে যায় Shopify স্টোরের কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট। তারপর সে কোর্স বানায়, টেমপ্লেট বিক্রি করে, কনসাল্টিং দেয়। এই সবকিছু সম্ভব হয়েছে শুধু niche-এর কারণে। তাই niche মানে শুধু বেশি টাকা না niche মানে ভবিষ্যতের জন্য শক্ত ভিত।
১০. Beginner রা কিভাবে Niche-based Writing শুরু করতে পারে
আমি যদি আজ নতুন করে শুরু করতাম, তাহলে প্রথমেই নিজেকে “সব পারি” বলতাম না। আমি বলতাম “এই একটা জিনিস আমি ভালোভাবে শিখছি।” Beginner হিসেবে niche ধরা মানে নিজেকে সীমাবদ্ধ করা না, বরং নিজেকে দ্রুত শক্ত করা। আমি প্রথমে একটা ছোট niche নিতাম, তার বেসিক শিখতাম, টপ কনটেন্টগুলো পড়তাম, টার্মিনোলজি বুঝতাম, আর সেই অনুযায়ী লেখা প্র্যাকটিস করতাম। এতে আমি খুব দ্রুত ওই ফিল্ডের ভাষায় কথা বলতে শিখতাম।
আমি অনেক beginner কে দেখেছি যারা ৬ মাস general কাজ করে ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু অগ্রগতি হয় না। আবার কেউ কেউ ২–৩ মাস একটা niche ধরে গভীরে যায়, আর তারপরই ভালো ক্লায়েন্ট পায়। কারণ তারা ফোকাসড থাকে, তাদের মেসেজ পরিষ্কার থাকে, আর তারা সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।
ধরুন কেউ আগ্রহী Tech-এ। সে “Tech Writer” না হয়ে “AI Tools for Small Business” এই niche নিতে পারে। এতে তার কনটেন্ট, অডিয়েন্স, ক্লায়েন্ট সব পরিষ্কার হয়। এই স্পষ্টতাই beginner কে দ্রুত grow করায়।

