ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • সকল বিভাগ
  1. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  2. Blog ও website ইনকাম
  3. Digital marketing
  4. Freelancing
  5. Online গাইড লাইন
  6. online ব্যবসা
  7. Passive income
  8. SEO শিখুন
  9. Video এডিটিং
  10. অনলাইন ইনকাম
  11. ইসলাম
  12. কনটেন্ট রাইটিং
  13. খাদ্য ও পুষ্টি
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরি-বাকরি

স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য প্রযুক্তির বেসিক ধারণা 2026

অনলাইন কর্ম
জানুয়ারি ৮, ২০২৬ ১:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমি যখন স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য প্রযুক্তির কথা বলি, আমি শুধু কম্পিউটার শেখানোর কথা বলি না আমি ভবিষ্যৎ গড়ে দেওয়ার কথা বলি। কারণ আজকের দুনিয়ায় পড়াশোনা, যোগাযোগ, এমনকি খেলাধুলাও প্রযুক্তির সাথে জড়িয়ে গেছে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী জানে না প্রযুক্তি আসলে কী, এটা কীভাবে কাজ করে আর কেন এটা শেখা দরকার। এই লেখায় আমি সহজ ভাষায় দেখাতে চাই  তথ্য প্রযুক্তি কী, আমরা প্রতিদিন কীভাবে এটা ব্যবহার করি, আর ভবিষ্যতে এটা কীভাবে আমাদের ক্যারিয়ার আর জীবনকে প্রভাবিত করবে। আমার লক্ষ্য হলো, এই বিষয়টা যেন ভয় না লাগে, বরং কৌতূহল তৈরি করে এবং শেখার আগ্রহ বাড়ায়।

 সূচিপত্র

1️ তথ্য প্রযুক্তি কী? সহজ ভাষায়

2️ কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার)

3️ অপারেটিং সিস্টেম কী এবং কেন দরকার

4️ ইন্টারনেট ও ওয়েবের বেসিক ধারণা

5️ ইমেইল, সার্চ ও অনলাইন কমিউনিকেশন

6️ ডিজিটাল নিরাপত্তা ও অনলাইন সেফটি

7️ প্রোগ্রামিং-এর প্রাথমিক ধারণা

8️ তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাস্তব জীবনে

9️ তথ্য প্রযুক্তিতে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ধারণা

10 ভালো ডিজিটাল নাগরিক হওয়ার নিয়ম

১️ তথ্য প্রযুক্তি কী? সহজ ভাষায়

আমি যখন তথ্য প্রযুক্তি বলি, আমি বুঝাই তথ্যকে সংগ্রহ করা, সংরক্ষণ করা, প্রক্রিয়াজাত করা এবং ব্যবহার করার জন্য যে প্রযুক্তি লাগে, সেটাই তথ্য প্রযুক্তি। কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, সফটওয়্যার, অ্যাপ এগুলো সবই তথ্য প্রযুক্তির অংশ। আগে মানুষ কাগজে হিসাব রাখত, এখন কম্পিউটারে রাখে। আগে চিঠি পাঠাত, এখন ইমেইল পাঠায়। তাই আমি মনে করি, তথ্য প্রযুক্তি আমাদের কাজকে দ্রুত, সহজ আর নির্ভুল করে তোলে।

আমি নিজে ছোটবেলায় প্রথম কম্পিউটার দেখেই খুব অবাক হয়েছিলাম একটা ছোট যন্ত্র এত কাজ কীভাবে করে! ধীরে ধীরে শিখলাম, টাইপ করা, ছবি আঁকা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা। তখনই বুঝলাম এটা শুধু খেলনা না, এটা শেখার একটা শক্তিশালী মাধ্যম। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে প্রযুক্তিকে ভয় না পেয়ে বন্ধু বানালে শেখা আরও মজার হয়।

তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

ধরুন, আপনি অনলাইনে ক্লাস করেন, ইউটিউবে ভিডিও দেখে পড়াশোনা করেন, গুগলে প্রশ্নের উত্তর খোঁজেন এগুলো সবই তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। আপনার স্কুলের ফলাফল এখন অনলাইনে পাওয়া যায়, বইও ডিজিটাল হয়েছে। এই ছোট ছোট উদাহরণগুলোই দেখায় তথ্য প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে।

২️ কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার)

আমি যখন কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে বলি, আমি দুটো শব্দ ব্যবহার করি হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যার মানে যেগুলো আমরা ছুঁতে পারি: মনিটর, কিবোর্ড, মাউস, সিপিইউ, প্রিন্টার। আর সফটওয়্যার মানে যেগুলো আমরা দেখতে পাই কিন্তু ছুঁতে পারি না: অপারেটিং সিস্টেম, অ্যাপ, গেম, ব্রাউজার। হার্ডওয়্যার হলো শরীর, সফটওয়্যার হলো মস্তিষ্ক। দুটো একসাথে কাজ করলেই কম্পিউটার চালু হয়।

ডিজিটাল মাকেটিং সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

আমি নিজে একবার সফটওয়্যার সমস্যা হওয়ায় কম্পিউটার চালু করতে পারিনি, যদিও হার্ডওয়্যার ঠিক ছিল। তখন বুঝলাম শুধু যন্ত্র থাকলেই হয় না, প্রোগ্রামও দরকার। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে প্রযুক্তিতে সবকিছুই একে অপরের উপর নির্ভরশীল।

ধরুন, আপনি কিবোর্ডে টাইপ করেন (হার্ডওয়্যার), আর ওয়ার্ড সফটওয়্যার সেই লেখা দেখায় (সফটওয়্যার)। এই উদাহরণটাই কম্পিউটারের কাজ বোঝায়।

৩️ অপারেটিং সিস্টেম কী এবং কেন দরকার

আমি যখন অপারেটিং সিস্টেম বা OS বলি, আমি বুঝাই এটা হলো কম্পিউটারের প্রধান সফটওয়্যার, যেটা হার্ডওয়্যার আর ইউজারের মাঝে সেতু তৈরি করে। উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাকওএস, অ্যান্ড্রয়েড এগুলো সবই অপারেটিং সিস্টেম। আপনি যখন কোনো অ্যাপ চালান, ফাইল খুলেন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন সবকিছুই OS-এর মাধ্যমে হয়। আমি মনে করি, OS হলো কম্পিউটারের ম্যানেজার, যে সবকিছুকে সঠিকভাবে চালায়।

আমি নিজে একবার ভুল করে সিস্টেম ফাইল ডিলিট করেছিলাম, তখন কম্পিউটার ঠিকভাবে কাজ করছিল না। পরে বুঝলাম OS না থাকলে কম্পিউটার শুধু যন্ত্র। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে সফটওয়্যার যতটা অদৃশ্য, ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।

ধরুন, আপনি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অ্যাপ ডাউনলোড করেন, সেটাকে চালু করেন এই পুরো কাজটাই OS নিয়ন্ত্রণ করে। এই উদাহরণটাই OS-এর গুরুত্ব দেখায়।

৪️ ইন্টারনেট ও ওয়েবের বেসিক ধারণা

আমি যখন ইন্টারনেট বলি, আমি বুঝাই সারা বিশ্বের কম্পিউটার আর সার্ভারগুলোকে একসাথে যুক্ত করা বিশাল নেটওয়ার্ক। আর ওয়েব হলো সেই নেটওয়ার্কের উপর তৈরি করা তথ্যের সংগ্রহ ওয়েবসাইট, ছবি, ভিডিও, ডকুমেন্ট। ইন্টারনেট রাস্তা হলে, ওয়েব হলো সেই রাস্তায় চলা গাড়ি। আমি মনে করি, ইন্টারনেট আমাদের পৃথিবীকে ছোট করে দিয়েছে।

আমি নিজে যখন প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার করি, তখন অবাক হয়েছিলাম এত তথ্য এক জায়গায়! এখন এটা আমার দৈনন্দিন জীবনের অংশ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে জ্ঞান এখন হাতের মুঠোয়।

ধরুন, আপনি গুগলে প্রশ্ন লিখে উত্তর পান, ইউটিউবে ভিডিও দেখেন এগুলো সবই ওয়েবের ব্যবহার।

৫️ ইমেইল, সার্চ ও অনলাইন কমিউনিকেশন

আমি যখন ইমেইল, সার্চ আর অনলাইন কমিউনিকেশনের কথা বলি, আমি বুঝাই এগুলো হলো ডিজিটাল দুনিয়ায় কথা বলার, খোঁজার আর যোগাযোগ রাখার মূল উপায়। ইমেইল দিয়ে আমরা অফিসিয়াল মেসেজ পাঠাই, গুগল সার্চ দিয়ে তথ্য খুঁজি, আর মেসেঞ্জার বা ভিডিও কল দিয়ে মানুষে মানুষে কথা বলি। আমি মনে করি, এগুলো ঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানাই এখনকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল স্কিল।

আমি নিজে শুরুতে ইমেইল খুব অনানুষ্ঠানিকভাবে লিখতাম, ফলে ভুল বোঝাবুঝি হতো। পরে শিখলাম সাবজেক্ট, স্পষ্ট ভাষা আর ভদ্র টোন কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে অনলাইনে আচরণই আপনার পরিচয়।

ধরুন, একজন ছাত্র ইমেইলে শিক্ষকের কাছে প্রশ্ন করে, একজন ব্যবসায়ী সার্চ করে বাজারদর দেখে, আর একজন পরিবার ভিডিও কলে কথা বলে। এই উদাহরণগুলোই দেখায় ডিজিটাল কমিউনিকেশন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে।

৬️ ডিজিটাল নিরাপত্তা ও অনলাইন সেফটি

আমি যখন ডিজিটাল নিরাপত্তার কথা বলি, আমি বুঝাই অনলাইনে নিজেকে নিরাপদ রাখার নিয়মগুলো। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, দুই ধাপ যাচাইকরণ, সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে চলা, ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা এগুলো ছোট মনে হলেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেট আমাদের অনেক সুবিধা দেয়, কিন্তু অসতর্ক হলে ঝুঁকিও তৈরি করে। আমি মনে করি, ডিজিটাল নিরাপত্তা শেখা মানে নিজের ডিজিটাল জীবনকে রক্ষা করা।

আমি নিজে একবার একটা ভুয়া লিংকে ক্লিক করে সমস্যায় পড়েছিলাম। তখন বুঝলাম একটু অসতর্কতা কত বড় ক্ষতি করতে পারে। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে অনলাইনে বিশ্বাস করার আগে যাচাই করা জরুরি।

ধরুন, একজন ছাত্র দুই ধাপ যাচাইকরণ চালু রাখে, ফলে তার অ্যাকাউন্ট নিরাপদ থাকে। একজন ব্যবহারকারী অজানা মেইল এড়িয়ে চলে, ফলে স্ক্যাম থেকে বাঁচে। এই উদাহরণগুলোই অনলাইন সেফটির গুরুত্ব দেখায়।

৭️ প্রোগ্রামিং-এর প্রাথমিক ধারণা

আমি যখন প্রোগ্রামিং বলি, আমি বুঝাই কম্পিউটারকে কী করতে হবে সেটা নির্দেশনা দেওয়া। এই নির্দেশনাগুলো লেখা হয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, যেমন Python, Scratch, JavaScript। প্রোগ্রামিং শেখা মানে শুধু কোড লেখা না, এটা মানে সমস্যাকে ছোট ছোট ধাপে ভেঙে সমাধান করা শেখা। আমি মনে করি, প্রোগ্রামিং শেখা বুদ্ধিকে ধারালো করে।

আমি নিজে প্রথম কোড লিখে যখন স্ক্রিনে ফল দেখলাম, তখন খুব আনন্দ পেয়েছিলাম। বুঝলাম আমি যন্ত্রকে আমার কথা মানাতে পারছি! এই অভিজ্ঞতা আমাকে আরও শিখতে অনুপ্রাণিত করেছে।

ধরুন, একজন ছাত্র Scratch দিয়ে ছোট গেম বানায়, আরেকজন Python দিয়ে ক্যালকুলেটর বানায়। এই উদাহরণগুলোই দেখায় প্রোগ্রামিং মানে সৃজনশীলতা।

৮️ তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাস্তব জীবনে

আমি যখন তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার দেখি, আমি বুঝি এটা শুধু কম্পিউটার ক্লাসের বিষয় না, এটা আমাদের প্রতিদিনের জীবনের অংশ। ব্যাংকিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা, যোগাযোগ সবখানেই প্রযুক্তি কাজ সহজ করছে। আমি মনে করি, তথ্য প্রযুক্তি মানে সমস্যা কমানো আর সুযোগ বাড়ানো।

আমি নিজে অনলাইনে বিল দিই, বই কিনি, ক্লাস করি। আগে যেসব কাজে অনেক সময় লাগত, এখন মিনিটে হয়ে যায়। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে সময় বাঁচানোই সবচেয়ে বড় লাভ।

ধরুন, একজন রোগী টেলিমেডিসিনে ডাক্তার দেখায়, একজন কৃষক মোবাইলে বাজারদর দেখে ফসল বিক্রি করে। এই উদাহরণগুলোই প্রযুক্তির শক্তি দেখায়।

৯️ তথ্য প্রযুক্তিতে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ধারণা

আমি যখন তথ্য প্রযুক্তিতে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা বলি, আমি শুধু একটা চাকরির কথা ভাবি না আমি অনেকগুলো পথ দেখি। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন, ডেটা অ্যানালাইসিস, সাইবার সিকিউরিটি, ডিজিটাল মার্কেটিং এগুলো সবই তথ্য প্রযুক্তির ভেতরের আলাদা আলাদা ক্যারিয়ার। আমি মনে করি, ভবিষ্যতে যেসব কাজ সবচেয়ে বেশি দরকার হবে, সেগুলোর বেশিরভাগই প্রযুক্তিনির্ভর হবে। তাই এখন থেকেই এই স্কিলগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া মানে নিজের ভবিষ্যৎকে শক্ত করা।

আমি নিজে ছোটবেলায় ভাবতাম ভালো ছাত্র হলেই ভালো চাকরি পাওয়া যায়। পরে বুঝলাম শুধু ভালো নম্বর না, ভালো স্কিল দরকার। আমি যখন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হলাম, তখনই বুঝলাম এখানে সুযোগ সীমাহীন। এই উপলব্ধিটাই আমাকে নতুন নতুন বিষয় শিখতে আগ্রহী করেছে।

ধরুন, একজন ছাত্র প্রোগ্রামিং শিখে গেম বানায়, আরেকজন ডিজাইন শিখে ইউটিউব থাম্বনেইল বানায়, কেউ ডেটা শিখে স্কুলের রেজাল্ট বিশ্লেষণ করে। এই ছোট উদাহরণগুলোই দেখায় তথ্য প্রযুক্তি শুধু ভবিষ্যৎ নয়, এটা ভবিষ্যৎ তৈরি করার হাতিয়ার।

10 ভালো ডিজিটাল নাগরিক হওয়ার নিয়ম

আমি যখন ভালো ডিজিটাল নাগরিক হওয়ার কথা বলি, আমি বুঝাই অনলাইনে দায়িত্বশীল, ভদ্র আর সচেতনভাবে আচরণ করা। যেমন: সত্য তথ্য শেয়ার করা, কাউকে অনলাইনে অপমান না করা, কপিরাইট মানা, গোপনীয়তা সম্মান করা, আর প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যের ক্ষতি না করা। ইন্টারনেট আমাদের বড় শক্তি দেয়, কিন্তু সেই শক্তির সাথে আসে দায়িত্বও। আমি মনে করি, ভালো ডিজিটাল নাগরিক হওয়া মানে শুধু নিজেকে না, পুরো ডিজিটাল সমাজকে নিরাপদ রাখা।

আমি নিজে দেখেছি অনলাইনে একটা ভুল পোস্ট কত বড় ঝামেলা তৈরি করতে পারে। তাই আমি এখন কিছু শেয়ার করার আগে ভাবি এটা কি সত্য, এটা কি কাউকে আঘাত করবে, এটা কি দরকারি? এই অভ্যাসটাই আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে।

ধরুন, একজন ছাত্র ভুয়া খবর শেয়ার না করে রিপোর্ট করে দেয়, একজন ব্যবহারকারী কপিরাইট মেনে কনটেন্ট ব্যবহার করে। এই ছোট কাজগুলোই ডিজিটাল দুনিয়াকে ভালো রাখে।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনলাইন কর্ম আপনাকে সাগতম অনলাইনে নতুন কিছু শিখতে চাইলে আমাদের পেজে সব ধরনের অনলাইন ইনকাম শিখতে পারবেন এবং আপনার প্রশ্ন উত্তর পারবে আমাদের গ্রুপ ও ফেসবুক আছে সেখানে অথবা কমেন্ট করতে পারবেন ok ক্লিক করুন ধন্যবাদ OK No thanks