ঢাকা
  • সকল বিভাগ
  1. Ai online income
  2. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  3. Blog and website
  4. Blog ও website ইনকাম
  5. Content writing
  6. Digital marketing
  7. Digital মাকেটিং
  8. Freelancing
  9. Online business
  10. Online guidelines
  11. Online income
  12. Online গাইড লাইন
  13. online ব্যবসা
  14. Passive ইনকাম
  15. SEO Online income

AI ব্যবহার করে Copy-Paste ছাড়াই Content Writing করার সঠিক উপায়

Link Copied!

print news

আমি যখন প্রথম AI ব্যবহার করে কনটেন্ট লেখা শুরু করি, তখন মনে হয়েছিল এতে সময় বাঁচবে, কাজ সহজ হবে। কিন্তু কিছুদিন পরই বুঝেছি, AI ঠিকভাবে ব্যবহার না করলে সেটা copy-paste সমস্যার আরেকটা রূপ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ভাবেন AI লেখা মানেই plagiarism-free, কিন্তু বাস্তবে AI যদি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে সেই কনটেন্ট Google-এর কাছে value হারায়। আমি নিজেও এই ভুল করেছি এবং তার ফলও পেয়েছি।

সময় গড়ানোর সাথে সাথে আমি বুঝেছি AI কনটেন্ট লেখার শর্টকাট নয়, বরং একটা শক্তিশালী টুল। Copy-paste ছাড়াই content writing তখনই সম্ভব, যখন লেখক নিজে চিন্তা করে, অভিজ্ঞতা যোগ করে এবং AI-কে শুধু সহকারী হিসেবে ব্যবহার করে। Google এখন এমন কনটেন্টই চায়, যেটা মানুষের জন্য লেখা AI দিয়ে বানানো হলেও ভেতরে মানুষের চিন্তা ও অভিজ্ঞতা স্পষ্ট থাকে।

এই লেখায় আমি শেয়ার করেছি AI ব্যবহার করে Copy-Paste ছাড়াই Content Writing করার সঠিক উপায় যা শুধু theory নয়, আমার নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শেখা। আপনি যদি AI ব্যবহার করেও ইউনিক, human-like ও SEO-friendly কনটেন্ট লিখতে চান, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্যই।

সূচিপত্র

1. AI Content Writing কী এবং Copy-Paste সমস্যা কেন হয়

2. Google কীভাবে AI-Generated কনটেন্ট শনাক্ত করে

3. Copy-Paste ছাড়াই AI ব্যবহার করার সঠিক Mindset

4. AI দিয়ে Research করা কিন্তু Content নিজে লেখার কৌশল

5. AI Prompt কীভাবে লিখলে ইউনিক কনটেন্ট পাওয়া যায়

6. AI লেখা Human-Like করতে Practical Editing Formula

7. Bangla Content Writerদের জন্য AI + SEO Best Practice

8. AI লেখা Plagiarism-Free কিনা যাচাই করার সঠিক উপায়

9. AI Content Writing-এ সাধারণ ভুল ও সেগুলো এড়ানোর কৌশল

10. AI ব্যবহার করে Safe Content Publish করার Final Checklist

১. AI Content Writing কী এবং Copy-Paste সমস্যা কেন হয়

আমি যখন প্রথম AI ব্যবহার করে কনটেন্ট লেখা শুরু করি, তখন মনে হয়েছিল এটাই সবচেয়ে সহজ সমাধান। একটা prompt দিলাম, AI পুরো লেখা বানিয়ে দিল, আর আমি সেটাই প্রায় 그대로 ব্যবহার করলাম। তখন বুঝিনি, এই সহজ পথটাই পরে বড় সমস্যার কারণ হবে। AI Content Writing মানে কনটেন্ট তৈরি করার সহকারী, লেখকের বিকল্প নয়। Copy-paste সমস্যা হয় মূলত তখনই, যখন আমরা AI-কে লেখক বানিয়ে ফেলি, নিজে চিন্তা না করে।

বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমি AI দিয়ে লেখা একটি আর্টিকেল সামান্য এডিট করে publish করি। Plagiarism tool-এ কোনো সমস্যা দেখায়নি, কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সেই কনটেন্ট Google-এ traction হারায়। পরে খেয়াল করি ভাষা খুব generic, উদাহরণগুলো বাস্তব নয়, আর পুরো লেখার flow অনেক AI-generated লেখার মতো। তখনই বুঝি, copy-paste মানে শুধু শব্দ কপি করা নয়; চিন্তা, structure আর tone কপি করাও একই সমস্যা তৈরি করে।

একটা বাস্তব উদাহরণ দিই, ধরুন আপনি AI-কে বলেন “SEO tips লিখে দাও”। AI আপনাকে সুন্দর লেখা দেবে, কিন্তু সেই লেখাটা হাজারো সাইটে থাকা লেখার মতোই হবে। কিন্তু আপনি যদি AI-কে research assistant হিসেবে ব্যবহার করেন, তারপর নিজের অভিজ্ঞতা, শেখা ভুল আর ফলাফল যোগ করেন তাহলে AI ব্যবহার করেও লেখা হবে ইউনিক, human-like এবং copy-paste মুক্ত কনটেন্ট, যেটা Google সত্যিই মূল্য দেয়।

২. Google কীভাবে AI-Generated কনটেন্ট শনাক্ত করে

আমি যখন AI লেখা নিয়ে Google-এর অবস্থান বুঝতে শুরু করি, তখন সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাটা ভেঙে যায় Google নাকি শুধু plagiarism দেখেই কনটেন্ট বিচার করে। বাস্তবে Google plagiarism ছাড়াও অনেক সিগন্যাল ব্যবহার করে বুঝতে পারে কোনো লেখা AI-generated ও low-value কিনা। বিশেষ করে যখন কনটেন্টে একই ধরনের বাক্যগঠন, অতিরিক্ত smooth কিন্তু ফাঁপা ভাষা, আর বাস্তব অভিজ্ঞতার অভাব থাকে তখন সেটা Google-এর কাছে সন্দেহজনক হয়ে ওঠে।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বললে, আমি একবার AI দিয়ে লেখা দুইটা প্রায় একই ধরনের কনটেন্ট publish করেছিলাম, শুধু keyword আলাদা ছিল। শুরুতে দুটোই index হয়েছিল, কিন্তু কিছুদিন পর একটার র‍্যাংক হঠাৎ নেমে যায়। বিশ্লেষণ করে দেখি লেখায় কোনো unique insight নেই, কোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নেই, আর পুরো লেখা generic তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে। তখনই বুঝেছি, Google লেখার “ভেতরের মান” বিচার করে, শুধু শব্দ নয়।

ai সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করে

বাস্তব উদাহরণ হিসেবে, ধরুন AI লেখা একটা আর্টিকেলে সব তথ্য ঠিক আছে, কিন্তু কোথাও বলা নেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কী ফল পাওয়া গেছে। Google এমন লেখাকে helpful মনে করে না। কিন্তু আপনি যদি একই লেখায় নিজের ব্যবহার অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সমাধান যোগ করেন, তাহলে AI-generated হলেও সেটা Google-এর চোখে human-written, high-value কনটেন্ট হয়ে যায়।

৩. Copy-Paste ছাড়াই AI ব্যবহার করার সঠিক Mindset

আমি যখন AI-কে কনটেন্ট লেখার শর্টকাট ভাবা বন্ধ করি, তখন থেকেই আসলে আমার লেখার মান বদলাতে শুরু করে। শুরুতে আমার mindset ছিল AI লিখবে, আমি publish করব। এই চিন্তাটাই copy-paste সমস্যার মূল। সঠিক mindset হলো, AI একজন সহকারী; লেখক আমি নিজে। Bangla Content Writer হিসেবে আপনাকে আগে ঠিক করতে হবে আপনি value দিতে চান, AI শুধু সেটা সাজাতে সাহায্য করবে।

বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমি যখন AI-কে দিয়ে সরাসরি লেখা নিতাম, তখন সব লেখা একরকম লাগত। কিন্তু যেদিন থেকে আমি আগে নিজের মাথায় outline বানানো শুরু করি, তারপর AI-কে নির্দিষ্ট কাজ দিই যেমন আইডিয়া পরিষ্কার করা, উদাহরণ সাজানো সেদিন থেকে লেখা আলাদা হতে থাকে। এই mindset পরিবর্তনের পর plagiarism ভয় কমে, আর লেখায় নিজের ছাপ স্পষ্ট হয়।

একটা বাস্তব উদাহরণ দিই, ধরুন আপনি “Content Writing Tips” লিখবেন। ভুল mindset হলে আপনি AI-কে বলবেন “পুরো আর্টিকেল লিখে দাও”। কিন্তু সঠিক mindset হলে আপনি বলবেন “এই টপিকের ৫টা পয়েন্ট দাও, আমি নিজের অভিজ্ঞতা যোগ করব”। দ্বিতীয় পদ্ধতিতে AI ব্যবহার করেও কনটেন্ট হবে ইউনিক, human-like এবং copy-paste মুক্ত, যেটা Google সত্যিই পছন্দ করে।

৪. AI দিয়ে Research করা কিন্তু Content নিজে লেখার কৌশল

আমি যখন AI-কে শুধু research partner হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করি, তখনই copy-paste সমস্যার আসল সমাধান পাই। আগে আমি AI-কে দিয়ে পুরো লেখা বানাতাম, ফলে লেখায় নিজের চিন্তা থাকত না। এখন আমি বুঝেছি AI সবচেয়ে ভালো কাজ করে তখনই, যখন তাকে তথ্য জোগাড় করা, আইডিয়া পরিষ্কার করা বা confusing অংশ বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে লাগানো হয়। লেখার দায়িত্বটা লেখকের হাতেই থাকা উচিত।

ডিজিটাল মাকেটিং সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বললে, এখন আমি কোনো টপিক লিখতে বসার আগে AI-কে জিজ্ঞেস করি এই বিষয়ের key points কী, মানুষের সাধারণ প্রশ্নগুলো কী, বা কোন জায়গায় ভুল হয়। এরপর আমি সেই তথ্য নিজের মতো করে সাজাই। AI থেকে পাওয়া raw তথ্য আমি কখনোই সরাসরি ব্যবহার করি না। এতে করে লেখা স্বাভাবিক হয়, আর plagiarism বা AI-detection risk অনেক কমে যায়।

একটা বাস্তব উদাহরণ দিই, ধরুন আপনি “On-page SEO” নিয়ে লিখছেন। আপনি AI-কে বলতে পারেন—“On-page SEO-এর প্রধান ভুলগুলো কী?” AI আপনাকে তালিকা দেবে। কিন্তু আপনি নিজে লিখবেন—আপনি কোন ভুলটা করেছিলেন, কীভাবে ঠিক করেছেন, আর তার ফল কী পেয়েছেন। এই পদ্ধতিতে AI ব্যবহার করেও লেখা হয় সম্পূর্ণ ইউনিক, human-like এবং copy-paste ছাড়াই SEO-friendly content।

৫. AI Prompt কীভাবে লিখলে ইউনিক কনটেন্ট পাওয়া যায়

আমি যখন বুঝতে শিখি যে AI output পুরোপুরি prompt-এর ওপর নির্ভর করে, তখন আমার AI ব্যবহার করার ধরনটাই বদলে যায়। আগে আমি ছোট, vague prompt দিতাম যেমন “এই টপিকে আর্টিকেল লিখে দাও”। ফলে AI generic লেখা দিত। কিন্তু ইউনিক কনটেন্ট পেতে হলে prompt-ই হতে হবে নির্দিষ্ট, দিকনির্দেশনামূলক এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা-কেন্দ্রিক। Bangla Content Writerদের জন্য ভালো prompt মানে AI-কে নিজের মতো করে ভাবতে বাধ্য করা।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বললে, এখন আমি prompt লেখার সময় AI-কে স্পষ্ট করে বলি লেখার ভাষা কেমন হবে, কোন audience-এর জন্য, আর কোথায় আমার অভিজ্ঞতা যোগ করতে চাই। আমি এমনভাবে prompt দিই যেন AI আমাকে support করছে, replace করছে না। এই পদ্ধতি ফলো করার পর আমার AI-generated draft গুলো অনেক বেশি natural হয় এবং অন্য লেখার সঙ্গে মিলে যায় না।

একটা বাস্তব উদাহরণ দিই, ধরুন আপনি লিখছেন “Content Writing Career”। সাধারণ prompt হলে হবে “এই টপিকে লেখা দাও”। কিন্তু ভালো prompt হবে “আমি একজন নতুন Bangla content writer, শুরুতে যে ৩টা ভুল করেছি সেটা ধরে ব্যাখ্যা করো, যাতে আমি নিজের অভিজ্ঞতা যোগ করতে পারি।” এই ধরনের prompt দিলে AI আপনাকে ইউনিক framework দেয়, আর final লেখা হয় আপনার নিজের copy-paste ছাড়াই।

৬. AI লেখা Human-Like করতে Practical Editing Formula

আমি যখন AI লেখা সরাসরি publish করা বন্ধ করি, তখনই বুঝি আসল কাজটা শুরু হয় editing-এ। AI সাধারণত grammatically ঠিক কিন্তু আবেগহীন ও generic ভাষায় লেখে। Human-like করতে হলে লেখায় মানুষের চিন্তা, অভিজ্ঞতা আর ছোটখাটো অসম্পূর্ণতা দরকার। Bangla Content Writer হিসেবে আমার জন্য সবচেয়ে কার্যকর হয়েছে একটি simple editing formula—Cut → Add → Simplify।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, এখন আমি AI লেখা পাওয়ার পর প্রথমে অপ্রয়োজনীয় লাইন কেটে দিই, যেগুলো সবাই লিখে। তারপর নিজের অভিজ্ঞতা, মতামত বা শেখা ভুল যোগ করি। শেষে ভাষা সহজ করি বড় sentence ভেঙে ছোট করি, কথ্য কিন্তু professional tone ব্যবহার করি। এই তিন ধাপ ফলো করার পর AI লেখা আর AI মনে হয় না।

একটা বাস্তব উদাহরণ দিই, ধরুন AI লিখেছে “Content writing requires consistent practice and dedication.” আমি এটাকে বদলে লিখি “আমি যখন নিয়মিত লেখা শুরু করি, তখনই বুঝেছি practice না করলে কনটেন্টে উন্নতি আসে না।” তথ্য একই, কিন্তু দ্বিতীয়টা human, বাস্তব ও ইউনিক। এইভাবেই AI লেখা practical editing করে human-like, plagiarism-free এবং Google-friendly করা যায়।

৭. Bangla Content Writer দের জন্য AI + SEO Best Practice

আমি যখন AI ব্যবহার আর SEO-কে একসাথে মিলিয়ে কাজ করা শিখি, তখন আমার কনটেন্টে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে। শুরুতে আমি শুধু AI দিয়ে লেখা বানানোর দিকেই মনোযোগ দিতাম, SEO প্রায় উপেক্ষা করতাম। কিন্তু পরে বুঝেছি AI তখনই কাজে আসে, যখন সেটাকে SEO rules-এর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা হয়। Bangla Content Writerদের জন্য AI + SEO মানে হলো smart ব্যবহার, shortcut নয়।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বললে, এখন আমি AI-কে ব্যবহার করি keyword research, outline তৈরি আর title refine করার কাজে। কিন্তু মূল লেখা আমি নিজে করি। আমি খেয়াল রাখি keyword যেন জোর করে না আসে, বাংলা ভাষা যেন natural থাকে, আর paragraph যেন ছোট ও readable হয়। এই পদ্ধতিতে লেখা কনটেন্টগুলোতে bounce rate কমে আর Google থেকে steady traffic আসে।

বাস্তব উদাহরণ দিই, ধরুন আপনি “AI Content Writing Bangla” নিয়ে লিখছেন। AI আপনাকে keyword list দিতে পারে, কিন্তু আপনি নিজে ঠিক করবেন কোন keyword কোথায় বসবে, কোনটা বাদ যাবে। যখন AI SEO-কে support করে আর আপনি writing-এ নেতৃত্ব দেন, তখন কনটেন্ট হয় plagiarism-free, human-like এবং সত্যিকার অর্থে Google-friendly।৮. AI লেখা Plagiarism-Free কিনা যাচাই করার সঠিক উপায়

আমি যখন AI লেখা ব্যবহার শুরু করি, তখন সবচেয়ে বড় ভয় ছিল এই লেখা plagiarism হবে না তো? কারণ AI অনেক সময় আগের ডেটা থেকে শেখা pattern ব্যবহার করে। তাই আমি কখনোই AI লেখা publish করার আগে যাচাই বাদ দিই না। Bangla Content Writerদের জন্য plagiarism check শুধু নিরাপত্তা নয়, এটা long-term SEO-এর অংশ।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বললে, আমি সবসময় দুই ধাপে যাচাই করি। প্রথমে একটি Free plagiarism checker দিয়ে পুরো লেখাটা স্ক্যান করি, এরপর Google manual check করি লেখার ১–২টা sentence কোটেশনের মধ্যে দিয়ে সার্চ করি। অনেক সময় tool 0% দেখালেও Google search-এ মিল পাওয়া যায়। এই দুইটা একসাথে করলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

বাস্তব উদাহরণ হিসেবে, একবার AI লেখা একটি paragraph tool-এ clean দেখাল, কিন্তু Google-এ search করলে প্রায় একই sentence কয়েকটা সাইটে ছিল। তখন আমি সেই অংশটা নিজের অভিজ্ঞতা যোগ করে rewrite করি। এর পর কনটেন্টটা শুধু plagiarism-free হয়নি, বরং Google-এ ভালো perform করেছে। তাই AI লেখা হলে check করা নয় সঠিকভাবে check করাই আসল কৌশল।

৯. AI Content Writing-এ সাধারণ ভুল ও সেগুলো এড়ানোর কৌশল

আমি নিজেও AI ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক ভুল করেছি, আর সেই ভুলগুলোই আমাকে শিখিয়েছে কোন পথে গেলে সমস্যা হয়। সবচেয়ে বড় ভুল হলো AI-কে লেখক বানিয়ে ফেলা। এতে লেখা দ্রুত তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু সেটা হয় generic, value-less আর Google-এর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। Bangla Content Writerদের অনেকেই সময় বাঁচাতে এই ভুলটা করেন, কিন্তু long-term এটার ফল ভালো হয় না।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বললে, একসময় আমি একই prompt ব্যবহার করে একাধিক কনটেন্ট লিখেছিলাম। ফলাফল ছিল সব লেখার tone, structure প্রায় একরকম। Google কিছুদিন পর সেগুলো ignore করতে শুরু করে। তখন বুঝি, repeated pattern আর lack of originality AI content-এর সবচেয়ে বড় সমস্যা। এরপর থেকে আমি প্রতিটা লেখায় prompt, angle আর উদাহরণ আলাদা রাখি।

একটা বাস্তব উদাহরণ দিই, ধরুন আপনি প্রতিটা আর্টিকেলে AI-কে বলেন “১০টা টিপস লেখো”। এতে সব লেখা list-based ও একঘেয়ে হয়ে যায়। কিন্তু আপনি যদি লেখার ধরন বদলান—story, case study, experience তাহলে AI ব্যবহার করেও লেখা হয় ইউনিক। ভুল চিনে নিয়ে ঠিক করলেই AI Content Writing হয় safe, plagiarism-free ও SEO-friendly।

১০. AI ব্যবহার করে Safe Content Publish করার Final Checklist

আমি এখন AI দিয়ে লেখা যেকোনো কনটেন্ট publish করার আগে একটা Final checklist ফলো করি, আর এই অভ্যাসটাই আমাকে plagiarism, AI-detection আর SEO সমস্যা থেকে বাঁচিয়েছে। আগে লেখা তৈরি হলেই পোস্ট করতাম, এখন বুঝেছি শেষ মুহূর্তের যাচাইটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। Bangla Content Writerদের জন্য এই checklist আসলে একটা নিরাপত্তা স্তর।

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমি সব ধাপ skip করে তাড়াহুড়ো করে AI লেখা publish করেছিলাম। ফলাফল ছিল কনটেন্ট index হলেও traffic আসেনি। এরপর থেকে আমি প্রতিবার নিজেকে প্রশ্ন করি এই লেখায় কি আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা আছে? এটা কি মানুষের জন্য লেখা, নাকি শুধু Google-এর জন্য? এই প্রশ্নগুলো অনেক বড় ভুল থেকে বাঁচায়।

বাস্তব উদাহরণ হিসেবে, publish করার আগে আমি নিশ্চিত করি plagiarism 0–10% এর মধ্যে, sentence natural, AI tone ভাঙা, keyword overuse নেই, আর search intent match করছে। এই Final checklist মেনে চললে AI ব্যবহার করেও লেখা হয় safe, human-like ও Google-friendly content, যেটা long-term এ র‍্যাংক করার সুযোগ রাখে।

    অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
    Online work is a good way to learn something new online. If you want to learn something new online, you can learn all kinds of online income on our page and we can answer your questions. We have groups and Facebook there or you can comment Thank you. Accept No thanks