

আমি যখন প্রথম বাংলা ব্লগিং শুরু করি, তখন সবচেয়ে বড় সমস্যাটা ছিল আমি কী লিখব আর মানুষ কী খুঁজছে, এই দুইয়ের মধ্যে মিল পাচ্ছিলাম না। অনেক সময় পরিশ্রম করে লেখা লিখতাম, কিন্তু গুগল থেকে ভিজিটর আসত না। পরে যখন Keyword Research শেখা শুরু করি, তখন বুঝি—সমস্যা লেখায় নয়, সমস্যাটা ছিল সঠিক কীওয়ার্ড না জানা।
এই গাইডে আমি নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা, ব্যবহারযোগ্য টুলস এবং ধাপে ধাপে পদ্ধতি দিয়ে দেখিয়েছি—Keyword Research কীভাবে করবেন, কোন ভুলগুলো এড়াবেন এবং কীভাবে কম কমপিটিশনে ভালো কীওয়ার্ড খুঁজে পাবেন। আপনি যদি নতুন ব্লগার হন এবং গুগলে র্যাঙ্ক করতে চান, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য একটি পরিষ্কার ও প্র্যাকটিক্যাল রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে।
1️ Keyword Research কী? নতুনদের জন্য সহজ ব্যাখ্যা
2️ কেন Keyword Research ছাড়া SEO কাজ করে না
3️ Seed Keyword কী এবং কীভাবে নির্বাচন করবেন
4️ Long-tail Keyword কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ
5️ Search Intent বোঝার সঠিক উপায়
6️ Free Keyword Research Tools (Bangla friendly)
7️ Keyword Difficulty ও Competition কীভাবে বুঝবেন
8️ Volume বনাম Competition ব্যালেন্স করার কৌশল
9️ Keyword Mapping: কোন পেজে কোন কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন
10 Beginner-দের জন্য Step-by-Step Keyword Research System
আমি যখন প্রথম SEO শেখা শুরু করি, তখন “Keyword Research” শব্দটা খুব টেকনিক্যাল মনে হতো। পরে বুঝেছি, Keyword Research মানে হলো মানুষ গুগলে কী লিখে সার্চ করছে সেটা খুঁজে বের করা এবং সেই শব্দ বা বাক্যগুলোর উপর কনটেন্ট তৈরি করা। সহজভাবে বললে, Keyword Research কী এটা জানা মানে আপনি আন্দাজে না লিখে বাস্তব চাহিদা অনুযায়ী লিখছেন। এতে আপনার লেখা সেই মানুষের কাছেই পৌঁছায়, যারা সত্যিই সেই বিষয়টা খুঁজছে।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একসময় আমি নিজের পছন্দের বিষয় নিয়ে অনেক লেখা লিখেছিলাম, কিন্তু ট্রাফিক আসছিল না। পরে যখন আমি কীওয়ার্ড রিসার্চ করে দেখলাম মানুষ আসলে ভিন্ন শব্দ দিয়ে সার্চ করছে, তখন সেই শব্দ অনুযায়ী লেখা শুরু করি। এর ফলেই ধীরে ধীরে সার্চ থেকে ভিজিটর আসতে শুরু করে। তখন বুঝেছি ভালো লেখা নয়, সঠিক কীওয়ার্ডে লেখা আসল চাবিকাঠি।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি লিখতে চান “ডিজিটাল মার্কেটিং” নিয়ে। কিন্তু মানুষ বেশি সার্চ করছে “ডিজিটাল মার্কেটিং কী” বা “ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায়”। আপনি যদি শুধু সাধারণ টার্মে লিখেন, আপনার লেখা হারিয়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি সঠিক কীওয়ার্ডে লিখেন, গুগল সেটাকে ঠিক মানুষের সামনে দেখাবে। এটাই Keyword Research-এর আসল শক্তি।
আমি যখন নতুন ছিলাম, তখন মনে করতাম ভালো লেখা লিখলেই গুগলে র্যাঙ্ক করা যাবে। কিন্তু আস্তে আস্তে বুঝেছি মানুষ যেটা খুঁজছে সেটা না লিখলে ভালো লেখাও কাজ করে না। এখানেই বোঝা যায় কেন Keyword Research ছাড়া SEO কার্যকর হয় না। কারণ গুগল আপনার কনটেন্ট তখনই দেখায়, যখন সেটা মানুষের সার্চ করা শব্দের সাথে মেলে।
বাংলায় Keyword Research কীভাবে করবেন—ফ্রি টুল, লং-টেইল কীওয়ার্ড, সার্চ ইনটেন্ট ও কমপিটিশন বিশ্লেষণসহ নতুনদের সম্পূর্ণ গাইড।
seo আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একসময় আমি “ফ্রিল্যান্সিং গাইড” নামে একটি আর্টিকেল লিখেছিলাম। লেখা ভালো ছিল, কিন্তু মানুষ আসছিল না। পরে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে দেখি মানুষ বেশি সার্চ করছে “ফ্রিল্যান্সিং কীভাবে শুরু করব”। আমি টাইটেল ও কনটেন্ট সেই অনুযায়ী পরিবর্তন করার পরই পোস্টে ট্রাফিক আসতে শুরু করে। তখন বুঝেছি ভুল কীওয়ার্ডে লেখা মানে অদৃশ্য থাকা।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি দোকান খোলেন কিন্তু বোর্ডে ভুল নাম লেখেন, কাস্টমার আপনাকে খুঁজে পাবে না। Keyword Research হলো সেই সাইনবোর্ড। তাই Keyword Research ছাড়া SEO মানে পথহারা চেষ্টা, আর Keyword Research সহ SEO মানে সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছানো।
আমি যখন Keyword Research শুরু করি, তখন প্রথম যে ধাপটা নেই সেটা হলো Seed Keyword নির্বাচন। সহজভাবে বললে, Seed Keyword কী এটা হলো আপনার মূল বিষয়কে প্রতিনিধিত্ব করা ১–২টি ছোট শব্দ বা বাক্য, যেখান থেকে পরে অনেক নতুন কীওয়ার্ড বের করা যায়। এটা হলো পুরো রিসার্চের ভিত্তি। ভুল seed keyword নিলে পুরো রিসার্চই ভুল দিকে চলে যায়।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আগে আমি খুব বড় ও জেনারেল শব্দকে seed keyword ধরতাম, যেমন “SEO” বা “ফ্রিল্যান্সিং”। এতে প্রতিযোগিতা এত বেশি হতো যে নতুন সাইটে র্যাঙ্ক পাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। পরে আমি বেশি নির্দিষ্ট seed keyword নিতে শুরু করি, যেমন “বাংলা SEO গাইড” বা “ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার উপায়”। তখন রেজাল্ট অনেক ভালো হতে শুরু করে।
আমাদের পেজের বিভিন্ন তথ্য পেতে ক্লিক করুন
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি রান্নার ব্লগ চালান, তাহলে seed keyword হতে পারে “সহজ রেসিপি” বা “বাংলা রান্না”। এগুলো থেকে আপনি বের করতে পারবেন “সহজ ভাতের রেসিপি”, “৫ মিনিটের নাস্তা” ইত্যাদি। এই ছোট কিন্তু শক্ত seed keyword-ই পুরো Keyword Research-এর ভিত্তি।
আমি যখন Keyword Research একটু ভালোভাবে বুঝতে শুরু করি, তখন জানতে পারি সব কীওয়ার্ড সমান নয়। কিছু কীওয়ার্ড খুব ছোট ও জেনারেল, আর কিছু একটু লম্বা ও নির্দিষ্ট। এই লম্বা ও নির্দিষ্ট শব্দগুলোকেই বলে Long-tail Keyword। সহজভাবে বললে, Long-tail Keyword কী এটা হলো ৩ বা তার বেশি শব্দের এমন কীওয়ার্ড যেগুলো দিয়ে মানুষ খুব নির্দিষ্ট কিছু খুঁজে।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, শুরুতে আমি শুধু “SEO”, “ফ্রিল্যান্সিং” এর মতো ছোট কীওয়ার্ড টার্গেট করতাম। কিন্তু এগুলোর কমপিটিশন এত বেশি ছিল যে নতুন সাইটে র্যাঙ্ক পাওয়া কঠিন হতো। পরে আমি long-tail keyword ব্যবহার করা শুরু করি, যেমন “বাংলা SEO শেখার উপায়” বা “ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন কীভাবে”। এতে কম ট্রাফিক হলেও ভিজিটর অনেক বেশি রিলেভেন্ট হতো এবং র্যাঙ্ক পাওয়াও সহজ হতো।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, কেউ যদি সার্চ করে “মোবাইল”, সে কী চায় বোঝা কঠিন। কিন্তু কেউ যদি সার্চ করে “৫০০০ টাকার নিচে ভালো মোবাইল বাংলাদেশ”, তার চাহিদা পরিষ্কার। এই পরিষ্কার চাহিদার কীওয়ার্ডই Long-tail Keyword। আর এটাই নতুন ব্লগারদের জন্য SEO-এর সবচেয়ে শক্ত অস্ত্র।
আমি যখন Keyword Research করতে শুরু করি, তখন শুধু শব্দ দেখি না আমি চেষ্টা করি মানুষ আসলে কী চায় সেটা বুঝতে। এটাকেই বলে Search Intent। সহজভাবে বললে, Search Intent কী মানুষ কোনো শব্দ লিখে গুগলে কী উদ্দেশ্যে সার্চ করছে সেটা। যদি আপনি এই উদ্দেশ্য না বোঝেন, তাহলে সঠিক কীওয়ার্ডেও ভুল কনটেন্ট লিখতে পারেন।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমি “ফ্রিল্যান্সিং কোর্স” কীওয়ার্ডে একটি ইনফরমেশনাল পোস্ট লিখেছিলাম। কিন্তু মানুষ আসলে খুঁজছিল কিনতে। তাই পোস্টটি ভালো র্যাঙ্ক পেলেও কনভার্সন হয়নি। পরে আমি সেই পেজটিকে রিভিউ ও তুলনামূলক ফরম্যাটে বদলাই। তখন রেজাল্ট অনেক ভালো হয়। তখনই বুঝেছি Intent না মিললে SEO অসম্পূর্ণ
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, কেউ যদি সার্চ করে “SEO কী”, সে শিখতে চায় (informational)। আর কেউ যদি সার্চ করে “SEO সার্ভিস দাম”, সে কিনতে চায় (transactional)। আপনি যদি ভুল টাইপের কনটেন্ট দেন, গুগল সেটা পিছনে ঠেলে দেয়। তাই Search Intent বোঝা মানে সঠিক কনটেন্ট, সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
আমি যখন নতুন ছিলাম, তখন পেইড টুল কেনার সামর্থ্য ছিল না। তাই আমি ফ্রি টুল দিয়েই Keyword Research শুরু করি। ভালো খবর হলো সঠিকভাবে ব্যবহার করলে Free Keyword Research Tools দিয়েই খুব ভালো কীওয়ার্ড বের করা যায়, এমনকি বাংলা কনটেন্টের জন্যও।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমি শুরুতে শুধু Google Suggest আর “People also ask” ব্যবহার করতাম। পরে Ubersuggest, Keyword Planner আর AnswerThePublic যোগ করি। এতে করে আমি বুঝতে পারি মানুষ কী ধরনের প্রশ্ন করছে এবং কোন শব্দ বেশি সার্চ হচ্ছে। এই ফ্রি টুলগুলো দিয়েই আমি আমার প্রথম ১০ হাজার সার্চ ভিজিটর পাই।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি গুগলে “বাংলা SEO” লিখলে নিচে যে সাজেশনগুলো আসে — “বাংলা SEO শেখার উপায়”, “বাংলা SEO গাইড” — এগুলোই রিয়েল কীওয়ার্ড। আপনি এগুলো নিয়ে লিখলে আপনার কনটেন্ট সরাসরি সার্চারের চাহিদার সাথে মিলে যায়। এটাই ফ্রি টুল ব্যবহারের আসল শক্তি।
আমি যখন প্রথম Keyword Research করি, তখন শুধু সার্চ ভলিউম দেখতাম। পরে বুঝেছি ভলিউম বেশি হলেও যদি কমপিটিশন খুব বেশি হয়, নতুন সাইটে র্যাঙ্ক পাওয়া কঠিন। তাই জানতে হয় Keyword Difficulty কী অর্থাৎ একটি কীওয়ার্ডে র্যাঙ্ক করা কতটা কঠিন।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমি ৫০ হাজার সার্চ ভলিউমের একটি কীওয়ার্ড টার্গেট করেছিলাম, কিন্তু ৬ মাসেও র্যাঙ্ক আসেনি। পরে আমি কম ভলিউম কিন্তু লো-কমপিটিশন কীওয়ার্ড বেছে নিই। তখন মাত্র ৫০০ ভলিউম হলেও দ্রুত র্যাঙ্ক পেয়ে ট্রাফিক আসে। তখন বুঝেছি সহজ র্যাঙ্কই আগে দরকার।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, “SEO” কীওয়ার্ডে হাজার হাজার বড় সাইট আছে। কিন্তু “বাংলা SEO শেখার উপায়” তে কম। তাই দ্বিতীয়টায় আপনার জেতার সম্ভাবনা বেশি। এটাই Difficulty বোঝার মূল কৌশল।
আমি যখন Keyword Research করি, তখন শুধু বেশি ভলিউম দেখে সিদ্ধান্ত নেই না, আবার শুধু কম কমপিটিশনও দেখি না। আমি চেষ্টা করি Volume বনাম Competition এর মধ্যে একটি বাস্তব ব্যালেন্স খুঁজে বের করতে। কারণ খুব বেশি ভলিউম মানে সাধারণত খুব বেশি কমপিটিশন, আর খুব কম কমপিটিশন মানে অনেক সময় খুব কম ট্রাফিক।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, শুরুতে আমি শুধু হাই ভলিউম কীওয়ার্ড ধরতাম, কিন্তু র্যাঙ্ক আসত না। পরে আমি এমন কীওয়ার্ড বেছে নিতে শুরু করি যেগুলোর ভলিউম মাঝারি কিন্তু কমপিটিশন কম। এতে করে দ্রুত র্যাঙ্ক আসত এবং ট্রাফিকও ধীরে ধীরে বাড়ত। এই ব্যালেন্সই নতুন সাইটের জন্য সবচেয়ে কার্যকর।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, ধরুন “SEO টিপস” এর ভলিউম ২০,০০০ কিন্তু কমপিটিশন খুব বেশি। আর “বাংলা SEO টিপস নতুনদের জন্য” এর ভলিউম ৫০০ কিন্তু কমপিটিশন কম। দ্বিতীয়টায় র্যাঙ্ক পেলে আপনি দ্রুত ফল পাবেন। এটাই ব্যালেন্সের আসল মানে।
আমি যখন অনেকগুলো কীওয়ার্ড সংগ্রহ করি, তখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় কোনটা কোথায় ব্যবহার করব। এখানেই আসে Keyword Mapping। সহজভাবে বললে, Keyword Mapping কী এটা হলো প্রতিটি কীওয়ার্ডকে নির্দিষ্ট একটি পেজ বা পোস্টের সাথে যুক্ত করা, যেন এক কীওয়ার্ডে এক পেজই র্যাঙ্ক করার চেষ্টা করে।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আগে আমি একই ধরনের কয়েকটি পোস্টে একই কীওয়ার্ড ব্যবহার করতাম। ফলে নিজের পেজগুলোই একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করত (keyword cannibalization)। পরে যখন আমি প্রতিটি কীওয়ার্ড আলাদা পেজে ম্যাপ করলাম, তখন র্যাঙ্কিং স্টেবল হলো এবং গুগল কনফিউজড হওয়া বন্ধ করল।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি “বাংলা SEO গাইড” আর “বাংলা SEO টিপস” এই দুইটা কীওয়ার্ড একই পোস্টে দেন, গুগল বুঝবে না কোনটা র্যাঙ্ক করবে। কিন্তু একটাকে একটি পেজে আর অন্যটাকে অন্য পেজে দিলে দুইটাই র্যাঙ্ক করতে পারে। এটাই Keyword Mapping-এর শক্তি।
আমি যখন নতুন ছিলাম, তখন এলোমেলোভাবে কীওয়ার্ড খুঁজতাম। এতে সময় নষ্ট হতো আর ফল আসত না। পরে আমি নিজের জন্য একটি Keyword Research System বানাই যেটা ধাপে ধাপে অনুসরণ করলে ভুল কম হয় এবং ফল পাওয়া সহজ হয়।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আগে আমি একদিন শুধু কীওয়ার্ড বের করতাম, আরেকদিন ভুলগুলো বুঝতাম। পরে যখন এই সিস্টেম ফলো করলাম প্রথমে Seed Keyword, তারপর Long-tail, তারপর Intent, তারপর Difficulty তখন পুরো প্রসেস পরিষ্কার হয়ে যায়। এতে করে কাজ দ্রুত হয় এবং রেজাল্ট ভালো হয়।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, এই সিস্টেম:
1. Seed Keyword নিন →
2. Long-tail বের করুন →
3. Search Intent মিলান →
4. Difficulty দেখুন →
5. Mapping করুন।
এই ৫ ধাপ মানলে আপনি এলোমেলো না হয়ে একটি কার্যকর SEO স্ট্র্যাটেজি পাবেন। আর এটাই নতুনদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও ফলদায়ক পথ।