ঢাকাসোমবার , ৫ জানুয়ারি ২০২৬
  • সকল বিভাগ
  1. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  2. Blog ও website ইনকাম
  3. Digital marketing
  4. Freelancing
  5. Online গাইড লাইন
  6. online ব্যবসা
  7. Passive income
  8. SEO শিখুন
  9. Video এডিটিং
  10. অনলাইন ইনকাম
  11. ইসলাম
  12. কনটেন্ট রাইটিং
  13. খাদ্য ও পুষ্টি
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরি-বাকরি

Newbies দের জন্য Online Income Step by Step Guide 2026

অনলাইন কর্ম
জানুয়ারি ৫, ২০২৬ ৫:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমি যখন প্রথম “Online Income” শব্দটা শুনি, তখন মাথায় শুধু একটাই প্রশ্ন ছিল এটা কি সত্যি, নাকি শুধু অনলাইনের গল্প? আজ কয়েক বছর পরে দাঁড়িয়ে আমি বুঝেছি, অনলাইন ইনকাম আসলে কোনো ম্যাজিক না, এটা একটা স্কিল + সিস্টেম + কনসিসটেন্সির রেজাল্ট। এই গাইডটা আমি লিখেছি একদম নতুনদের জন্য যারা জানে না কোথা থেকে শুরু করবে, কোনটা আসল আর কোনটা ফেক, আর কীভাবে প্রথম ইনকামটা বাস্তবে পরিণত করা যায়। এখানে আমি কোনো থিওরি বলিনি, বলেছি আমি নিজে যা করেছি, যা ভুল করেছি, আর যেটা কাজ করেছে সেটারই স্টেপ বাই স্টেপ রোডম্যাপ। আপনি যদি সত্যিই ঘরে বসে অনলাইন ইনকাম শুরু করতে চান, তাহলে এই গাইড আপনার শর্টকাট না, কিন্তু আপনার ক্লিয়ার রোডম্যাপ হবে.

 সূচিপত্র

1. Online Income আসলে কী? Newbies দের জন্য Clear Explanation

2. Online Income এর Real vs Fake — Scam চেনার Complete Guide

3. কোন Skill শিখলে Newbies দের জন্য Fast Result পাওয়া যায়?

4. Zero থেকে Skill শেখার Free Resources (Bangla + English)

5. Freelancing, YouTube, Affiliate — কোনটা আপনার জন্য Best?

6. First Online Earning করার Step by Step Roadmap

7. Payment Method Setup — Payoneer, PayPal, bKash Guide

8. Client পাওয়া ও Trust Build করার Smart Technique

9. Common Beginner Mistakes & সেগুলো Avoid করার উপায়

10. 30-Day Action Plan — First Income Goal Achieve করার রোডম্যাপ

1 Online Income আসলে কী? — Newbies দের জন্য Clear Explanation

আমি যখন প্রথম অনলাইন ইনকাম কথাটা শুনি, তখন আমার মাথায় শুধু একটাই প্রশ্ন ছিল “বাসায় বসে আসলেই টাকা আয় করা যায় নাকি এটা শুধু গল্প?” সহজ করে বললে, Online Income মানে হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে এমন কোনো কাজ করা, যেটার জন্য আপনি টাকা পান সেটা হতে পারে Freelancing, Content Writing, Affiliate Marketing, YouTube, বা Remote Job। এখানে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করতে পারেন এবং লোকেশন কোনো বাধা নয়। তবে আমি একটা বিষয় শুরুতেই বুঝেছি অনলাইন ইনকাম মানে ম্যাজিক নয়, এটা একটা স্কিল-বেইজড প্রসেস। আপনি যত বেশি ভ্যালু দিতে পারবেন, তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন। তাই “Easy Money” ভাবনা বাদ দিয়ে, আমি যখন এটাকে একটা লং-টার্ম স্কিল ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে দেখা শুরু করি, তখনই রেজাল্ট আসতে থাকে।

অনলাইন গাইড লাইন সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

আমি নিজে প্রথম ২ মাস কোনো টাকা আয় করতে পারিনি। আমি শুধু শিখেছি YouTube দেখে, ফ্রি কোর্স করে, ছোট ছোট প্র্যাকটিস প্রজেক্ট বানিয়ে। অনেক সময় মনে হয়েছে সময় নষ্ট করছি। কিন্তু হঠাৎ একদিন Fiverr থেকে আমার প্রথম $5 অর্ডার পাই। অঙ্কটা ছোট ছিল, কিন্তু আমার জন্য সেটা ছিল প্রমাণ হ্যাঁ, এটা বাস্তব। সেদিন বুঝেছি, অনলাইন ইনকাম ধীরে তৈরি হয়, কিন্তু একবার তৈরি হলে এটা একটা সিস্টেম হয়ে যায়।

ধরুন, আপনি ভালো বাংলা লিখতে পারেন। আপনি চাইলে Content Writing শিখে ব্লগ, ফেসবুক পোস্ট, বা প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন লিখে ইনকাম করতে পারেন। আবার আপনি যদি ভিডিও বানাতে পারেন, তাহলে YouTube বা Reels দিয়েও আয় সম্ভব। মানে, আপনার যেটুকু স্কিল আছে, সেটাকেই অনলাইনে মানি-মেকিং স্কিলে রূপান্তর করাই হলো Online Income।

২. Income এর Real vs Fake — Scam চেনার Complete Guide

আমি যখন অনলাইন ইনকাম শেখা শুরু করি, তখন সবচেয়ে বড় সমস্যাটা ছিল কোনটা সত্যি আর কোনটা স্ক্যাম সেটা বোঝা। অনলাইনে এমন অনেক অফার দেখা যায় যেখানে বলা হয়, “১ দিনে ১০,০০০ টাকা আয় করুন” বা “কোনো স্কিল ছাড়াই ইনকাম” এগুলো প্রায় সবই Fake। আমি বুঝেছি, Real Online Income সবসময় স্কিল, সময় আর পরিশ্রমের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। যেখানে আগে টাকা দিতে বলা হয়, অথচ কাজটা কী সেটা পরিষ্কার না সেটা প্রায় নিশ্চিত স্ক্যাম। Real প্ল্যাটফর্ম যেমন Fiverr, Upwork, YouTube, Amazon Affiliate এগুলো কখনোই রেজিস্ট্রেশনের জন্য টাকা চায় না। তাই আমি এখন সবসময় দেখি কাজটা কি পরিষ্কারভাবে বোঝানো আছে? পেমেন্ট কোথা থেকে আসবে? কোম্পানি বা প্ল্যাটফর্মের নাম গুগলে খুঁজলে রিভিউ পাওয়া যায় কি না? এই তিনটা চেক করলেই ৭০% স্ক্যাম ধরা পড়ে যায়।

আমাদের পেজের আরো সেবা পেতে ক্লিক করুন

ফেসবুক গ্রুপে একটি পোস্ট দেখি “Data Entry Job, ৫০০ টাকা দিলে কাজ পাবেন।” আমি প্রায় দিতে যাচ্ছিলাম। পরে সার্চ করে দেখি, একই পোস্ট নিয়ে অনেকেই অভিযোগ করেছে যে টাকা নিয়ে ব্লক করে দেয়। সেদিন আমি বুঝেছি আগে রিসার্চ, পরে ডিসিশন এটাই অনলাইন সেফটির মূল নিয়ম।

ধরুন কেউ বলছে, “আমার কোর্স কিনলে আয় শুরু হবে।” এটা স্ক্যাম না-ও হতে পারে, কিন্তু আগে দেখবেন — তার নিজের রিয়েল রেজাল্ট আছে কি না, ফ্রি ভ্যালু দেয় কি না, আর পেমেন্ট রিফান্ড পলিসি আছে কি না। এই ফিল্টার ব্যবহার করলে আপনি ৯০% ফেক অফার থেকে বেঁচে যাবেন।

3. কোন Skill শিখলে Newbies দের জন্য Fast Result পাওয়া যায়?

আমি যখন শুরু করি, তখন আমার সবচেয়ে বড় কনফিউশন ছিল “এত কিছু আছে, আমি কোনটা শিখব?” পরে আমি বুঝেছি, Newbies দের জন্য বেস্ট স্কিল হলো যেগুলো চাহিদা আছে, শেখা সহজ, আর দ্রুত কাজ পাওয়া যায়। যেমন Content Writing, Simple Graphic Design (Canva), Social Media Management, Data Entry (Real), এবং Basic Web Task। আমি শুরুতে Content Writing বেছে নিই কারণ আমার লিখতে ভালো লাগত আর এটা শেখার জন্য বড় কোনো টুল বা ইনভেস্ট লাগেনি। এখানে মূল কথা হলো পারফেক্ট স্কিল না, usable স্কিল দরকার। মানে আপনি এমন লেভেল পর্যন্ত শিখবেন যেখানে ক্লায়েন্টের ছোট কাজ হলেও করতে পারেন। এই লেভেলে আসতে সাধারণত ২–৪ সপ্তাহ লাগে যদি প্রতিদিন ১–২ ঘণ্টা প্র্যাকটিস করেন।

আমি প্রথমে অনেক কঠিন কোর্সে ঢুকে পড়েছিলাম SEO, Ads, Automation কিন্তু কিছুই শেষ করতে পারিনি। পরে যখন শুধু একটা স্কিলে ফোকাস করলাম, তখনই প্রগ্রেস শুরু হলো। এক স্কিল + এক প্ল্যাটফর্ম + এক গোল এই ফোকাসটাই আমার জন্য গেম চেঞ্জার ছিল।

ধরুন আপনি মোবাইলে Canva শিখলেন। আপনি ফেসবুক পোস্ট ডিজাইন, ইউটিউব থাম্বনেইল, বা বিজনেস ব্যানার বানিয়ে Fiverr বা Facebook গ্রুপ থেকে ক্লায়েন্ট পেতে পারেন। মানে, Fast Result আসে সেই স্কিল থেকে যেটা শেখা সহজ এবং মার্কেটে দরকার আছে এই দুইটার মিলেই সাফল্য।

4. Zero থেকে Skill শেখার Free Resources (Bangla + English)

আমি শুরুতে ভেবেছিলাম ভালো স্কিল শিখতে অনেক টাকা লাগবে। পরে বুঝেছি ইন্টারনেটে ফ্রি রিসোর্সের কোনো অভাব নেই, শুধু ঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানতে হয়। আমি মূলত YouTube, Free Course Platform, এবং Blog ব্যবহার করে শিখেছি। Bangla কনটেন্টের জন্য আমি ইউটিউবে “Bangla Content Writing Tutorial”, “Canva Bangla Tutorial”, “Freelancing Bangla Guide” এই কিওয়ার্ডগুলো সার্চ করতাম। ইংরেজির জন্য Coursera Free Courses, HubSpot Academy, Google Digital Garage খুব কাজে দিয়েছে। আমি একটা রুল ফলো করি যেটা শিখছি, সেটার উপর অন্তত ৩টা সোর্স দেখি, যাতে কনফিউশন কমে আর ক্লিয়ারিটি বাড়ে। শুধু ভিডিও দেখলে হয় না আমি প্রতিটা লেসনের পর নিজে প্র্যাকটিস করি, নোট নেই, আর ছোট প্রজেক্ট বানাই। এই প্রসেসটাই শেখাকে বাস্তবে রূপ দেয়।

আমি একবার টানা ১৫ দিন শুধু ভিডিও দেখেছি, কোনো প্র্যাকটিস করিনি রেজাল্ট জিরো। পরে যখন ভিডিও ৩০ মিনিট, প্র্যাকটিস ৬০ মিনিট করলাম, তখনই আসল স্কিল তৈরি হলো। শেখার কোয়ালিটি সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ধরুন আপনি Canva শিখছেন। শুধু টিউটোরিয়াল দেখবেন না প্রতিদিন ৫টা পোস্ট ডিজাইন বানান, বন্ধুদের ফিডব্যাক নিন, তারপর Fiverr স্টাইলে নিজের প্রোফাইল বানান। এইভাবে ফ্রি রিসোর্সই আপনার paid স্কিল হয়ে যাবে।

5. Freelancing, YouTube, Affiliate — কোনটা আপনার জন্য Best?

আমি যখন অনলাইন ইনকাম শুরু করি, তখন এই তিনটার মধ্যে কোনটা বেছে নেব সেটা বুঝতে পারছিলাম না। পরে বুঝেছি, “Best” বলে কিছু নেই আছে আপনার জন্য Best। Freelancing ভালো যদি আপনার কোনো স্কিল থাকে এবং দ্রুত ইনকাম চান। YouTube ভালো যদি আপনি কনটেন্ট বানাতে পছন্দ করেন এবং লং-টার্ম ব্র্যান্ড বানাতে চান। Affiliate ভালো যদি আপনি রিভিউ লিখতে বা প্রোডাক্ট প্রোমোট করতে পারেন। আমি নিজের ক্ষেত্রে Freelancing বেছে নিয়েছিলাম কারণ আমি দ্রুত ফল চাইছিলাম এবং আমার লিখতে পারার স্কিল ছিল। এখানে মূল প্রশ্ন তিনটা আমার স্কিল কী? আমি কথা বলতে/লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি? আমি কি দ্রুত টাকা চাই নাকি ধীরে বড় কিছু বানাতে চাই?

আমি একসাথে তিনটা শুরু করতে গিয়েছিলাম ফলাফল হলো কিছুই ঠিকমতো হয়নি। পরে শুধু Freelancing এ ফোকাস করলাম, তখন ২ মাসের মধ্যে নিয়মিত ইনকাম শুরু হলো। ফোকাসই আসল চাবিকাঠি।

ধরুন আপনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে ভালোবাসেন YouTube আপনার জন্য বেস্ট। আপনি লিখতে ভালোবাসেন Affiliate Blog বা Content Writing ভালো। আপনি ডিজাইন বা টেকনিক্যাল কাজে ভালো Freelancing বেস্ট। মানে, নিজের শক্তির সাথে মডেল মিলালেই সাফল্য আসে।

6. First Online Earning করার Step by Step Roadmap

আমি যখন প্রথম ইনকাম করার লক্ষ্য সেট করি, তখন বুঝেছিলাম বড় প্ল্যান না, ছোট অ্যাকশন দরকার। তাই আমি একটা সিম্পল রোডম্যাপ বানাই: প্রথমে একটা স্কিল বেছে নেই, তারপর সেটা শেখি, তারপর কাজ খুঁজি। আমি ৭ দিন স্কিল বেসিক শিখেছি, পরের ৭ দিন প্র্যাকটিস করেছি, আর পরের ৭ দিন শুধু প্রোফাইল বানানো আর অ্যাপ্লাই করেছি। এই ২১ দিনের সিস্টেমটাই আমাকে প্রথম ইনকামের কাছে নিয়ে গেছে। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিদিন কিছু না কিছু করা। আপনি যদি ১০০% পারফেক্ট হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন, তাহলে কখনোই শুরু করবেন না।

আমি প্রথম ২০টা প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম, কোনো রিপ্লাই পাইনি। ২১ নম্বরে রিপ্লাই আসে, ২৫ নম্বরে অর্ডার পাই। যদি আমি ২০টা দেখে থেমে যেতাম, তাহলে আজও জিরো থাকত।

ধরুন আপনি Content Writing করছেন। প্রথম সপ্তাহে শেখেন, দ্বিতীয় সপ্তাহে ৫টা স্যাম্পল লেখেন, তৃতীয় সপ্তাহে Fiverr/Upwork এ প্রোফাইল বানিয়ে প্রতিদিন ৩টা জব এ অ্যাপ্লাই করেন। এই রোডম্যাপ ফলো করলে ৩০ দিনের মধ্যে First Earning সম্ভব নিশ্চিত না, কিন্তু খুব রিয়েলিস্টিক।

7. Payment Method Setup — Payoneer, PayPal, bKash Guide

আমি যখন প্রথম কাজ পাই, তখন বুঝি কাজ পাওয়া এক ব্যাপার, টাকা হাতে পাওয়া আরেক ব্যাপার। তাই পেমেন্ট মেথড সেটআপ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি শুরুতেই Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলেছি কারণ এটা বাংলাদেশে সবচেয়ে সহজ এবং বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম সাপোর্ট করে। PayPal বাংলাদেশে সরাসরি কাজ না করায় আমি বিকল্প হিসেবে Payoneer বা Wise ব্যবহার করি। আর লোকাল পেমেন্টের জন্য bKash বা ব্যাংক ট্রান্সফার রাখি। আমার রুল খুব সিম্পল কাজ শুরু করার আগেই পেমেন্ট মেথড রেডি থাকতে হবে, না হলে টাকা আসলেও তুলতে পারবেন না।

আমি প্রথম ইনকাম করেছিলাম কিন্তু Payoneer ভেরিফাই না থাকায় ৫ দিন টাকা আটকে ছিল। তখন বুঝেছি সেটআপ আগে, কাজ পরে।

ধরুন আপনি Fiverr এ কাজ করছেন Fiverr সরাসরি Payoneer এ টাকা পাঠায়। আপনি Payoneer থেকে bKash বা ব্যাংকে নিতে পারেন। আবার Facebook ক্লায়েন্ট হলে আগে থেকে বলে রাখবেন — পেমেন্ট হবে Wise বা Bank Transfer এ। এই ক্লিয়ারিটি থাকলে ঝামেলা হয় না।

8. Client পাওয়া ও Trust Build করার Smart Technique

আমি শুরুতে ভাবতাম ভালো স্কিল থাকলেই ক্লায়েন্ট আসবে। পরে বুঝেছি, স্কিলের সাথে Trust না থাকলে কেউ কাজ দেয় না। তাই আমি প্রথমে নিজের প্রোফাইল এমনভাবে বানাই যাতে মানুষ আমাকে বিশ্বাস করতে পারে। আমি রিয়েল নাম, ক্লিয়ার ছবি, স্পষ্ট ডিসক্রিপশন ব্যবহার করি এবং ওভারপ্রমিস না করে যা পারি তাই বলি। প্রপোজাল লেখার সময় আমি কপি-পেস্ট না করে ক্লায়েন্টের সমস্যাটা আগে বুঝে সেটার সলিউশন লিখি। এতে ক্লায়েন্ট বুঝে আমি রোবট না, মানুষ।

একবার আমি ২ লাইনের একটা কাস্টম প্রপোজাল পাঠাই যেখানে শুধু ক্লায়েন্টের সমস্যা আর সমাধান ছিল সেটাই আমার সবচেয়ে দ্রুত কাজ এনে দেয়। তখন বুঝেছি পার্সোনালাইজেশনই কনভার্সনের চাবিকাঠি।

ধরুন ক্লায়েন্ট লিখেছে “Need Facebook post design.” আমি রিপ্লাই দিই: “আপনি কি সেল পোস্ট চান না ব্র্যান্ডিং পোস্ট? অডিয়েন্স কারা?” এই প্রশ্নগুলোই Trust তৈরি করে। কারণ ক্লায়েন্ট দেখে আমি কাজ বুঝতে চাইছি, শুধু টাকা না।

9. Common Beginner Mistakes & সেগুলো Avoid করার উপায়

আমি যখন শুরু করি, তখন যেসব ভুল করেছি, সেগুলোর জন্যই আমার সময় আর এনার্জি অনেক নষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বড় ভুল ছিল একসাথে অনেক কিছু শুরু করা। তারপর ছিল পারফেক্ট হওয়ার অপেক্ষা করা, আর রিসার্চ না করে যেকোনো অফারে ঝাঁপিয়ে পড়া। আমি বুঝেছি, Newbies দের জন্য সবচেয়ে ভালো পথ হলো এক স্কিল, এক প্ল্যাটফর্ম, এক লক্ষ্য। আরেকটা বড় ভুল হলো কনসিসটেন্সির অভাব। ৩ দিন কাজ করে ৭ দিন গায়েব এতে কিছুই তৈরি হয় না।

আমি একবার ২ সপ্তাহ খুব সিরিয়াস ছিলাম, তারপর এক সপ্তাহ গ্যাপ নিলাম রিদমটাই নষ্ট হয়ে গেল। পরে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা হলেও কনসিসটেন্ট হলাম তখন প্রগ্রেস শুরু হলো।

ধরুন কেউ আজ Content Writing শুরু করল, কাল YouTube, পরশু Dropshipping এক মাস পরে কিছুই নেই। কিন্তু কেউ ৩০ দিন শুধু Writing করল তার একটা স্কিল দাঁড়িয়ে গেল। তাই Avoid করতে হবে Overthinking, Overplanning, Underdoing। কাজই আসল।

10. 30-Day Action Plan — First Income Goal Achieve করার রোডম্যাপ

আমি যখন প্রথম সিরিয়াস হই, তখন নিজেকে ৩০ দিনের একটা চ্যালেঞ্জ দিই “৩০ দিন ফোকাস, কোনো এক্সকিউজ না।” আমি এই ৩০ দিনকে তিন ভাগে ভাগ করি। প্রথম ১০ দিন শুধু শেখা। পরের ১০ দিন প্র্যাকটিস + স্যাম্পল বানানো। শেষ ১০ দিন প্রোফাইল তৈরি, প্রপোজাল পাঠানো, আর নেটওয়ার্কিং। এই স্ট্রাকচারটাই আমার মাথার ভেতরের কনফিউশন দূর করে দেয়। কারণ আমি জানি আজ কী করব, কাল কী করব। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গোল টাকা না, প্রসেস।

আমি এই ৩০ দিনের মধ্যে কোনো টাকা পাইনি, কিন্তু ৩১ নম্বর দিনে পাই। কারণ আমি সিস্টেমটা বানিয়ে ফেলেছিলাম। ইনকাম পরে আসে, সিস্টেম আগে।

ধরুন আপনি Freelancing করছেন। Day 1–10 শেখা, Day 11–20 স্যাম্পল, Day 21–30 অ্যাপ্লাই। প্রতিদিন ৩টা জব। ৩০ দিনে ৯০টা প্রপোজাল। স্ট্যাটিস্টিক্যালি এখান থেকে ১–২টা কাজ আসা খুবই রিয়েলিস্টিক। এইটাই ৩০ দিনের পাওয়ার।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনলাইন কর্ম আপনাকে সাগতম অনলাইনে নতুন কিছু শিখতে চাইলে আমাদের পেজে সব ধরনের অনলাইন ইনকাম শিখতে পারবেন এবং আপনার প্রশ্ন উত্তর পারবে আমাদের গ্রুপ ও ফেসবুক আছে সেখানে অথবা কমেন্ট করতে পারবেন ok ক্লিক করুন ধন্যবাদ OK No thanks