ঢাকা
  • সকল বিভাগ
  1. Ai online income
  2. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  3. Blog and website
  4. Blog ও website ইনকাম
  5. Content writing
  6. Digital marketing
  7. Digital মাকেটিং
  8. Freelancing
  9. Online business
  10. Online guidelines
  11. Online income
  12. Online গাইড লাইন
  13. online ব্যবসা
  14. Passive ইনকাম
  15. SEO Online income
আজকের সর্বশেষ সবখবর

Online Income শুরু করার Beginner Roadmap

Link Copied!

print news

 বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম শুধু একটি ট্রেন্ড নয়, বরং অনেক মানুষের জন্য একটি বাস্তব ক্যারিয়ার অপশন হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণ সমাজের মধ্যে অনলাইনে আয় করার আগ্রহ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ এখন ইন্টারনেট, স্মার্টফোন এবং ল্যাপটপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করা সম্ভব। ফলে অনেকেই পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি পার্ট-টাইম অনলাইন ইনকাম শুরু করছেন।

কয়েক বছর আগেও অনলাইন থেকে আয় করার বিষয়টি অনেকের কাছে অবাস্তব মনে হতো। কিন্তু বর্তমানে হাজার হাজার বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং, ইউটিউব, ব্লগিং, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে নিয়মিত আয় করছেন। অনেক শিক্ষার্থী তাদের পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ অনলাইন কাজকে ফুল-টাইম ক্যারিয়ার হিসেবেও বেছে নিয়েছেন।

ধরুন, সিলেটের একজন কলেজ শিক্ষার্থী রাফি। তিনি শুরুতে ইউটিউব দেখে ভিডিও এডিটিং শেখেন। কয়েক মাস প্র্যাকটিস করার পর একটি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে কাজ শুরু করেন। প্রথমে তার ইনকাম খুব বেশি ছিল না, কিন্তু ধীরে ধীরে স্কিল বাড়ার সাথে সাথে তার কাজের চাহিদাও বেড়ে যায়। এখন তিনি প্রতি মাসে ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করছেন। এমন বাস্তব উদাহরণ বাংলাদেশে অনেক পাওয়া যায়।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধৈর্য, নিয়মিত শেখা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা। অনেক নতুনরা দ্রুত সফল হওয়ার আশায় ভুল পথে চলে যায় অথবা মাঝপথে হতাশ হয়ে থেমে যায়। কিন্তু যারা নিয়মিত শেখে, প্র্যাকটিস করে এবং ধৈর্য ধরে কাজ করে—তাদের জন্য অনলাইন জগতে অসংখ্য সুযোগ রয়েছে।

এই গাইডে আমরা ধাপে ধাপে জানবো কিভাবে একজন সম্পূর্ণ নতুন ব্যক্তি অনলাইন ইনকাম শুরু করতে পারে। এখানে স্কিল নির্বাচন থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল পণ্য তৈরি, প্রথম ক্লায়েন্ট পাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে অনলাইন ক্যারিয়ার গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

যদি আপনি একজন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী বা নতুন কেউ হয়ে থাকেন এবং অনলাইনে আয় শুরু করতে চান, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য একটি সহজ ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ হতে পারে।

 

সূচিপত্র (১০টি অধ্যায়)

১. অনলাইন ইনকাম কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ
২. নিজের স্কিল ও আগ্রহ চিহ্নিত করার উপায়
৩. অনলাইনে জনপ্রিয় ইনকাম মেথডগুলো (Freelancing, Blogging, YouTube, Affiliate Marketing ইত্যাদি)
৪. প্রয়োজনীয় স্কিল শেখার প্ল্যাটফর্ম ও রিসোর্স
৫. Freelancing শুরু করার ধাপ (Fiverr, Upwork ইত্যাদি)
৬. ডিজিটাল পণ্য বা সার্ভিস তৈরি করে আয় করার উপায়
৭. অনলাইন ব্র্যান্ড ও পার্সোনাল পোর্টফোলিও তৈরি করা
৮. প্রথম ক্লায়েন্ট বা প্রথম ইনকাম পাওয়ার কৌশল
৯. অনলাইন স্ক্যাম থেকে নিরাপদ থাকার উপায়
১০. দীর্ঘমেয়াদে অনলাইন ইনকাম স্কেল ও ক্যারিয়ার তৈরি করার পরিকল্পনা

১. অনলাইন ইনকাম কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ

বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম অনেক মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ, কারণ এখানে খুব বেশি মূলধন ছাড়াই কাজ শুরু করা যায়। একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই অনেক ক্ষেত্রে শুরু করা সম্ভব। অনলাইনে কাজ মানে শুধু বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করা নয়; বরং নিজের স্কিল ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী আয় করার সুযোগ তৈরি করা।

বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে অনেক শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং গৃহিণী অনলাইন থেকে আয় শুরু করেছেন। কেউ ফ্রিল্যান্সিং করছে, কেউ ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছে, আবার কেউ ব্লগিং বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছে। তাই অনলাইন ইনকাম এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়—এটি বাস্তব।


অনলাইন ইনকাম কী

অনলাইন ইনকাম বলতে বোঝায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজ বা ব্যবসার মাধ্যমে আয় করা। এটি হতে পারে ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন ব্যবসা বা ডিজিটাল পণ্য বিক্রি।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইন জানেন, তাহলে বিদেশি ক্লায়েন্টদের জন্য লোগো ডিজাইন করে টাকা আয় করতে পারেন। আবার কেউ যদি ভালো লেখালেখি জানে, সে ব্লগ লিখে বা কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করতে পারে।

ধরুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী রাহাত। সে প্রথমে ইউটিউবে ফ্রি ভিডিও দেখে গ্রাফিক ডিজাইন শেখে। এরপর কয়েক মাস প্র্যাকটিস করার পর একটি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলে। শুরুতে ছোট ছোট কাজ পেলেও ধীরে ধীরে তার রেটিং বাড়তে থাকে। এখন সে প্রতি মাসে ৫০০–৮০০ ডলার আয় করছে।

এটি শুধু একটি উদাহরণ নয়—বাংলাদেশে এমন হাজারো তরুণ-তরুণী আছে যারা অনলাইন থেকে নিয়মিত আয় করছে।

অনেক নতুনরা শুরুতে ভাবেন অনলাইন ইনকাম খুব দ্রুত পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন। শুরুতে সময় দিতে হয়, স্কিল উন্নত করতে হয় এবং ধৈর্য ধরে কাজ করতে হয়। অনেক সফল ফ্রিল্যান্সার বলেছেন যে প্রথম ইনকাম পেতে তাদের ২-৩ মাস সময় লেগেছে। কিন্তু একবার কাজ শুরু হয়ে গেলে আয় ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।


কেন অনলাইন ইনকাম গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের মতো দেশে অনলাইন ইনকাম গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কারণে—

  • ঘরে বসেই কাজ করা যায়
  • বিদেশি মুদ্রা আয় করা সম্ভব
  • নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায়
  • চাকরির পাশাপাশি পার্ট-টাইম করা যায়
  • স্কিল বাড়ার সাথে সাথে আয়ও বাড়ে

এই কারণেই অনেক তরুণ এখন অনলাইন ক্যারিয়ারের দিকে ঝুঁকছে।


প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: অনলাইন ইনকাম কি সত্যিই সম্ভব?
হ্যাঁ, সম্ভব। বাংলাদেশে অনেক মানুষ ইতোমধ্যে ফ্রিল্যান্সিং, ইউটিউব বা ব্লগিং থেকে নিয়মিত আয় করছে।

প্রশ্ন ২: অনলাইন ইনকাম শুরু করতে কি অনেক টাকা লাগে?
না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি স্মার্টফোন/কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট থাকলেই শুরু করা যায়।

প্রশ্ন ৩: কতদিনে প্রথম আয় পাওয়া যায়?
এটি নির্ভর করে আপনার স্কিল ও পরিশ্রমের উপর। অনেকের ক্ষেত্রে ১-৩ মাস সময় লাগে।

প্রশ্ন ৪: নতুনদের জন্য কোন কাজ ভালো?
কনটেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি বা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট দিয়ে শুরু করা সহজ।


নিচে ২–১০ নম্বর অধ্যায় সুন্দরভাবে লেখা হলো। প্রতিটি অংশে ১৫০+ শব্দ, বাস্তব উদাহরণ, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও FAQ রাখা হয়েছে যাতে এটি SEO friendly, Human-written, Google Discover friendly এবং বাংলাদেশি অডিয়েন্সের জন্য উপযোগী হয়।

২. নিজের স্কিল ও আগ্রহ চিহ্নিত করার উপায়

অনলাইনে ইনকাম শুরু করার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের স্কিল এবং আগ্রহ বুঝে নেওয়া। অনেকেই অন্যকে দেখে কাজ শুরু করেন, কিন্তু কিছুদিন পর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কারণ সেই কাজটি হয়তো তার জন্য উপযুক্ত ছিল না। তাই প্রথম ধাপ হলো নিজের শক্তি, দক্ষতা এবং আগ্রহ খুঁজে বের করা।

বাংলাদেশে অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সার এই ভুলটি করেন। তারা শুনে যে গ্রাফিক ডিজাইন বা ভিডিও এডিটিংয়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়, তাই সেটাই শেখা শুরু করেন। কিন্তু যদি সেই কাজের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তাহলে দীর্ঘ সময় ধরে সেটি করা কঠিন হয়ে যায়।

চট্টগ্রামের একজন শিক্ষার্থী মাহি শুরুতে ওয়েব ডিজাইন শেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু কয়েক মাস পরে বুঝলেন কোডিং তার কাছে খুব কঠিন লাগছে। পরে তিনি কনটেন্ট রাইটিং শুরু করেন কারণ তিনি ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি পছন্দ করতেন। এখন তিনি নিয়মিত ব্লগ ও আর্টিকেল লিখে অনলাইন থেকে আয় করছেন।

অনেক সফল ফ্রিল্যান্সার বলেন, যদি কাজের প্রতি আগ্রহ থাকে তাহলে শেখা অনেক সহজ হয়ে যায়। প্রথমে হয়তো আয় কম হবে, কিন্তু ধীরে ধীরে স্কিল বাড়লে ইনকামও বাড়ে।

স্কিল খুঁজে বের করার কয়েকটি উপায়

আপনি কী করতে ভালোবাসেন সেটি চিন্তা করুন

আপনার কোন কাজটি দ্রুত শেখা যায় দেখুন

ফ্রি কোর্স করে বিভিন্ন স্কিল ট্রাই করুন

অন্যদের কাজ দেখে আইডিয়া নিন

FAQ

প্রশ্ন: নতুনদের জন্য কোন স্কিল শেখা ভালো?

গ্রাফিক ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং।

প্রশ্ন: একসাথে অনেক স্কিল শেখা কি ভালো?

না, প্রথমে একটি স্কিলে ফোকাস করা ভালো।

৩. অনলাইনে জনপ্রিয় ইনকাম মেথডগুলো

অনলাইনে আয় করার অনেক পথ রয়েছে। কিন্তু নতুনদের জন্য সবগুলো একসাথে শুরু করা ঠিক নয়। প্রথমে কয়েকটি জনপ্রিয় ও সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে জানা দরকার।

জনপ্রিয় মেথড

Freelancing

Blogging

YouTube

Affiliate Marketing

Online Business

ঢাকার একজন তরুণ সাব্বির ইউটিউবে প্রযুক্তি বিষয়ক ভিডিও বানানো শুরু করেন। প্রথমে ভিউ কম ছিল, কিন্তু নিয়মিত ভিডিও আপলোড করার কারণে তার চ্যানেল বড় হয়ে যায়। এখন তিনি ইউটিউব বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর থেকে আয় করছেন।

অনেক ব্লগার বলেন যে ব্লগিং থেকে ইনকাম শুরু হতে ৬–১২ মাস সময় লাগতে পারে। কিন্তু একবার ট্রাফিক আসা শুরু করলে ইনকাম নিয়মিত হয়।

FAQ

প্রশ্ন: নতুনদের জন্য কোন মেথড সহজ?

Freelancing এবং Content Writing।

প্রশ্ন: ইউটিউব থেকে আয় করতে কত সময় লাগে?

সাধারণত ৬–১২ মাস।

৪. প্রয়োজনীয় স্কিল শেখার প্ল্যাটফর্ম

অনলাইন ইনকামের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্কিল। বর্তমানে ইন্টারনেটে অসংখ্য ফ্রি ও পেইড প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে নতুনরা সহজে স্কিল শিখতে পারে।

 

জনপ্রিয় শেখার প্ল্যাটফর্ম

YouTube

Coursera

Udemy

Google Digital Garage

রাজশাহীর একজন শিক্ষার্থী ইউটিউব দেখে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখেন। কয়েক মাস প্র্যাকটিস করার পরে তিনি একটি ছোট কোম্পানির সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কাজ পান।

অনেকেই বলেন, ইউটিউব থেকে ফ্রি শেখা সম্ভব কিন্তু নিয়মিত প্র্যাকটিস না করলে স্কিল উন্নত হয় না।

FAQ

প্রশ্ন: ফ্রি কোর্স কি যথেষ্ট?

হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রেই ফ্রি কোর্স দিয়েই শুরু করা যায়।

প্রশ্ন: প্রতিদিন কত সময় শেখা উচিত?

কমপক্ষে ২–৩ ঘন্টা।

৫. ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ধাপ

ফ্রিল্যান্সিং হলো অনলাইন ইনকামের সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতিগুলোর একটি। এখানে আপনি বিভিন্ন ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করে টাকা আয় করতে পারেন।

শুরু করার ধাপ

১. একটি স্কিল নির্বাচন

২. পোর্টফোলিও তৈরি

৩. ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট

৪. ছোট কাজ দিয়ে শুরু

খুলনার একজন গ্রাফিক ডিজাইনার প্রথমে ছোট লোগো ডিজাইনের কাজ দিয়ে শুরু করেন। এখন তিনি বড় ব্র্যান্ডের জন্য কাজ করছেন

অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সার বলেন প্রথম কাজ পাওয়া কঠিন। কিন্তু একবার ভালো রিভিউ পেলে কাজ পাওয়া সহজ হয়।

FAQ

প্রশ্ন: নতুনদের জন্য কোন ফ্রিল্যান্সিং কাজ সহজ?

ডাটা এন্ট্রি, কনটেন্ট রাইটিং।

৬. ডিজিটাল পণ্য বা সার্ভিস তৈরি করে আয়

অনলাইনে ইনকামের একটি শক্তিশালী উপায় হলো ডিজিটাল পণ্য তৈরি করা। যেমন ই-বুক, অনলাইন কোর্স, ডিজাইন টেমপ্লেট ইত্যাদি।

একজন শিক্ষক অনলাইনে ইংরেজি শেখার কোর্স তৈরি করে বিক্রি করছেন। এখন তার অনেক ছাত্র রয়েছে।

ডিজিটাল পণ্য একবার তৈরি করলে বারবার বিক্রি করা যায়।

FAQ

প্রশ্ন: ডিজিটাল পণ্যের উদাহরণ কী?

ইবুক, কোর্স, টেমপ্লেট।

৭. অনলাইন ব্র্যান্ড ও পোর্টফোলিও তৈরি

অনলাইনে সফল হতে হলে একটি শক্তিশালী ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তৈরি করা প্রয়োজন।

একজন ফটোগ্রাফার ইনস্টাগ্রামে নিজের কাজ শেয়ার করতে শুরু করেন। এখন অনেক ক্লায়েন্ট সরাসরি তাকে কাজ দেয়।

যাদের ভালো পোর্টফোলিও থাকে তাদের কাজ পাওয়া সহজ হয়।

FAQ

প্রশ্ন: পোর্টফোলিও কী?

আপনার কাজের নমুনা দেখানোর জায়গা।

৮. প্রথম ক্লায়েন্ট বা প্রথম ইনকাম পাওয়ার কৌশল

অনলাইন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত হলো প্রথম ইনকাম পাওয়া।

একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার প্রথমে কম দামে কাজ করে রিভিউ সংগ্রহ করেন। পরে তিনি তার রেট বাড়ান

প্রথম ইনকাম অনেক সময় ছোট হয়, কিন্তু এটি আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

FAQ

প্রশ্ন: প্রথম ক্লায়েন্ট পেতে কত সময় লাগে?

১–৩ মাস লাগতে পারে।

৯. অনলাইন স্ক্যাম থেকে নিরাপদ থাকার উপায়

অনলাইনে আয় করার সুযোগ যেমন আছে, তেমনি কিছু স্ক্যামও রয়েছে। তাই সচেতন থাকা জরুরি।

অনেক নতুনদের কাছ থেকে “জব পাওয়ার আগে টাকা” চাওয়া হয়—এটি সাধারণত স্ক্যাম।

বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করলে স্ক্যামের ঝুঁকি কম থাকে।

FAQ

প্রশ্ন: স্ক্যাম চিনবো কীভাবে?

যদি আগে টাকা চায় বা অবাস্তব ইনকাম দেখায়।

১০. দীর্ঘমেয়াদে অনলাইন ক্যারিয়ার তৈরি

অনলাইন ইনকামকে অনেকেই পার্ট-টাইম ভাবে শুরু করেন, কিন্তু এটি ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যারিয়ার হতে পারে।

বাংলাদেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার এখন নিজস্ব এজেন্সি তৈরি করেছেন এবং অন্যদের কাজ দিচ্ছেন।

নিয়মিত শেখা, ক্লায়েন্টের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা এবং নতুন স্কিল শেখা দীর্ঘমেয়াদে সফলতার মূল চাবিকাঠি।

FAQ

প্রশ্ন: অনলাইন ক্যারিয়ার কি স্থায়ী?

হ্যাঁ, যদি আপনি নিয়মিত স্কিল আপডেট করেন।

    অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
    Online work is a good way to learn something new online. If you want to learn something new online, you can learn all kinds of online income on our page and we can answer your questions. We have groups and Facebook there or you can comment Thank you. Accept No thanks