

আমি যখন প্রথম ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ শুরু করি, তখন ভাবতাম ভালো লেখা আর কীওয়ার্ড থাকলেই গুগলে র্যাঙ্ক করা যাবে। কিন্তু সময়ের সাথে বুঝেছি গুগল আগে দেখে ওয়েবসাইটটা টেকনিক্যালি ঠিক আছে কি না। লোডিং স্পিড, মোবাইল ফ্রেন্ডলি, নিরাপত্তা, ক্রলিং—এই সবকিছু মিলেই গড়ে ওঠে Technical SEO।
এই গাইডে আমি টেকনিক্যাল ভাষা নয়, সহজ বাংলা ও বাস্তব উদাহরণে বুঝিয়েছি Technical SEO আসলে কী, কেন দরকার এবং কীভাবে ধাপে ধাপে ঠিক করতে হয়। আপনি যদি নতুন বা মাঝামাঝি পর্যায়ের ব্লগার হন এবং গুগলে টেকসই র্যাঙ্ক চান, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য একটি পরিষ্কার ও ব্যবহারযোগ্য রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে।
1️ Technical SEO কী? সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা
2️ Technical SEO কেন অন-পেজ ও কনটেন্টের মতোই গুরুত্বপূর্ণ
3️ Website Crawling ও Indexing কীভাবে কাজ করে
4️ Robots.txt ও XML Sitemap কী এবং কেন দরকার
5️ Website Speed Technical SEO-তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ
6️ Mobile Friendly ও Core Web Vitals কী
7️ HTTPS, SSL ও Website Security এর ভূমিকা
8️ URL Structure ও Canonical Tag এর সঠিক ব্যবহার
9️ Broken Link, Redirect ও Crawl Error ঠিক করার উপায়
10 নতুন ওয়েবসাইটের জন্য Basic Technical SEO Checklist
আমি যখন প্রথম SEO শেখা শুরু করি, তখন ভাবতাম শুধু ভালো কনটেন্ট লিখলেই গুগলে র্যাঙ্ক করা যাবে। পরে বুঝেছি, গুগল আগে দেখে আমার ওয়েবসাইটটা ঠিকভাবে কাজ করছে কি না। এখানেই আসে Technical SEO। সহজভাবে বললে, Technical SEO হলো ওয়েবসাইটের সেই টেকনিক্যাল সেটআপগুলো ঠিক করা, যাতে গুগল সহজে সাইটটি ক্রল, বুঝতে ও ইনডেক্স করতে পারে।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একসময় আমার একটি সাইটে ভালো কনটেন্ট থাকলেও গুগলে আসছিল না। পরে দেখি robots.txt ব্লক করা, sitemap নেই, আর সাইট খুব স্লো। এগুলো ঠিক করার পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সার্চ ইমপ্রেশন বাড়তে শুরু করে। তখনই বুঝেছি Technical SEO না থাকলে ভালো কনটেন্টও গুগলের চোখে পৌঁছায় না।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, ধরুন আপনার দোকান খুব সুন্দর, কিন্তু দরজা বন্ধ। কাস্টমার ঢুকতে পারবে না। Technical SEO হলো সেই দরজা খোলা রাখা। আপনি যতই ভালো লেখা লিখুন না কেন, যদি গুগল আপনার সাইটে ঢুকতেই না পারে বা ধীরে ঢোকে, তাহলে র্যাঙ্ক পাওয়া কঠিন। তাই Technical SEO হলো সফল SEO-এর প্রথম ধাপ এবং ভিত্তি।
আমি শুরুতে মনে করতাম ভালো লেখা আর কীওয়ার্ড থাকলেই SEO হয়ে যায়। কিন্তু সময়ের সাথে বুঝেছি, Technical SEO না থাকলে অন-পেজ SEO আর কনটেন্টের পুরো শক্তিই কাজে লাগে না। কারণ গুগল আগে দেখে ওয়েবসাইটটা ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, দ্রুত লোড হয় কি না, আর মোবাইলে ঠিকঠাক দেখা যায় কি না। এগুলো ঠিক না থাকলে গুগল সাইটকে গুরুত্ব দিতে চায় না।
seo সম্পর্কে আরো জানতে ক্লিক করুন
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমি একটি সাইটে ভালো কনটেন্ট লিখেছিলাম, কিন্তু সাইট স্লো ছিল এবং অনেক crawl error ছিল। ফলে পোস্ট ইনডেক্স হতে দেরি হচ্ছিল, আর র্যাঙ্কও আসছিল না। পরে যখন স্পিড অপটিমাইজ করলাম, broken link ঠিক করলাম আর sitemap সাবমিট করলাম, তখন একই কনটেন্ট দিয়েই ভালো রেজাল্ট আসতে শুরু করে। তখন বুঝেছি Technical SEO কনটেন্টের শক্তিকে গুগলের কাছে পৌঁছে দেয়।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি দারুণ বই লেখেন কিন্তু সেটা এমন জায়গায় রাখেন যেখানে কেউ পৌঁছাতে পারে না, তাহলে কেউ পড়বে না। Technical SEO হলো সেই ব্যবস্থা, যেটা গুগলকে আপনার কনটেন্টের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করে। তাই অন-পেজ SEO আর কনটেন্টের মতোই Technical SEO নতুন ওয়েবসাইটের জন্য অপরিহার্য।
আমি যখন প্রথম “ক্রলিং” আর “ইনডেক্সিং” শব্দ দুটো শুনি, তখন খুব টেকনিক্যাল মনে হয়েছিল। পরে বুঝেছি বিষয়টা আসলে খুব সহজ। গুগলের বট বা রোবটগুলো নিয়মিত ওয়েবসাইটে আসে, পেজগুলো পড়ে (এটাই crawling), তারপর যেগুলো দরকারি মনে হয় সেগুলো গুগলের ডাটাবেজে সংরক্ষণ করে (এটাই indexing)। ইনডেক্স না হলে কোনো পেজই সার্চ রেজাল্টে আসে না।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমি একটি নতুন পোস্ট দিয়েছিলাম কিন্তু সেটা অনেকদিন গুগলে দেখা যাচ্ছিল না। পরে দেখি sitemap সাবমিট করা হয়নি আর internal linkও ছিল না। এগুলো ঠিক করার পর গুগল বট সহজে পেজটা খুঁজে পেল এবং দ্রুত ইনডেক্স করল। তখন বুঝেছি ক্রলিং আর ইনডেক্সিং ঠিক না থাকলে ভালো কনটেন্টও অদৃশ্য থাকে।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি লাইব্রেরিতে একটি বই রাখেন কিন্তু ক্যাটালগে না ঢোকান, কেউ খুঁজে পাবে না। Indexing হলো সেই ক্যাটালগে বই ঢোকানো। আর Crawling হলো লাইব্রেরিয়ান এসে বই দেখা। তাই Technical SEO-তে crawling ও indexing ঠিক করা মানে আপনার কনটেন্টকে গুগলের লাইব্রেরিতে সঠিক জায়গায় রাখা।
আমি যখন নতুন ওয়েবসাইটে Technical SEO ঠিক করা শুরু করি, তখন প্রথম যেগুলো শিখি তা হলো robots.txt আর XML sitemap। সহজভাবে বললে, robots.txt হলো গুগলকে বলা কোন পেজ দেখবে, কোনটা দেখবে না, আর XML sitemap হলো গুগলকে আপনার সাইটের সব গুরুত্বপূর্ণ পেজের একটি মানচিত্র দেওয়া। এই দুইটা মিলেই গুগলকে সঠিক পথে চালিত করে।
অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমার সাইটে ভুল করে robots.txt ফাইলে পুরো সাইট ব্লক করা ছিল। ফলে গুগল কিছুই দেখতে পাচ্ছিল না। পরে সেটা ঠিক করে sitemap সাবমিট করার পরই গুগল পেজগুলো ইনডেক্স করা শুরু করে। তখন বুঝেছি একটা ছোট টেকনিক্যাল ভুল পুরো SEO নষ্ট করে দিতে পারে।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, robots.txt হলো বাড়ির গেটের তালা যাকে ঢুকতে দেবেন তাকে দেন, আর sitemap হলো বাড়ির ভিতরের নকশা কোথায় কী আছে তা দেখানো। আপনি যদি গেট বন্ধ রাখেন বা নকশা না দেন, অতিথি ঘুরে বেড়াবে বা ঢুকতেই পারবে না। তাই Technical SEO-তে robots.txt ও XML sitemap ঠিক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমি যখন নিজের ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স দেখি, তখন প্রথমেই যে বিষয়টা চেক করি তা হলো সাইটের গতি। কারণ এখনকার ইউজাররা ধীরগতির সাইটে অপেক্ষা করতে চায় না, আর গুগলও তা জানে। তাই Website Speed হলো Technical SEO-এর একটি বড় র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর। সাইট যত দ্রুত লোড হয়, ইউজার এক্সপেরিয়েন্স তত ভালো হয়, আর গুগল সেটাকেই পুরস্কৃত করে।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমার একটি সাইট ৬–৭ সেকেন্ডে লোড হতো। এতে ইউজার দ্রুত বের হয়ে যেত, আর র্যাঙ্কিংও বাড়ছিল না। পরে যখন ইমেজ অপটিমাইজ করলাম, ক্যাশিং চালু করলাম আর অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিপ্ট কমালাম, তখন লোড টাইম নেমে এলো ২ সেকেন্ডের নিচে। এর পরই Bounce Rate কমে গেল এবং সার্চ ট্রাফিক বাড়তে শুরু করল।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি অনলাইনে কিছু কিনতে যান আর সাইট খুলতেই ৫ সেকেন্ড লাগে, আপনি কি অপেক্ষা করবেন? বেশিরভাগ মানুষ করবে না। গুগলও ঠিক এটাই ধরে নেয়। তাই দ্রুত লোড হওয়া সাইট মানে খুশি ইউজার, আর খুশি ইউজার মানে ভালো SEO।
আমি যখন গুগলের আপডেটগুলো ফলো করতে শুরু করি, তখন বুঝি গুগল এখন মোবাইল ইউজারকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই Mobile Friendly মানে হলো আপনার ওয়েবসাইট মোবাইলে ঠিকভাবে দেখা যায় কি না, আর Core Web Vitals হলো গুগলের কিছু মেট্রিক যেগুলো দিয়ে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স মাপা হয় যেমন লোডিং স্পিড, ইন্টার্যাকশন আর ভিজ্যুয়াল স্ট্যাবিলিটি।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একসময় আমার সাইট ডেস্কটপে ঠিক ছিল, কিন্তু মোবাইলে লেখা ছোট, বাটন চাপতে সমস্যা এমন ছিল। ফলে মোবাইল ইউজার দ্রুত চলে যেত। পরে যখন রেসপনসিভ ডিজাইন ঠিক করলাম আর Core Web Vitals অপটিমাইজ করলাম, তখন মোবাইল থেকে ট্রাফিক অনেক বেড়ে যায় এবং র্যাঙ্কিংও উন্নত হয়।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি মোবাইলে কোনো সাইটে ঢুকে জুম করতে বাধ্য হন, আপনি কি থাকবেন? না। গুগলও এটা জানে। তাই মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন আর ভালো Core Web Vitals এখন Technical SEO-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আমি যখন প্রথম নিজের সাইট লাইভ করি, তখন HTTP দিয়েই চালাচ্ছিলাম। পরে বুঝলাম গুগল এখন নিরাপদ সাইটকে বেশি গুরুত্ব দেয়। HTTPS মানে হলো আপনার সাইট সিকিউর, আর SSL সার্টিফিকেট এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এতে ইউজার আর সাইটের মধ্যে ডাটা এনক্রিপ্টেড থাকে এবং হ্যাক বা ডাটা চুরির ঝুঁকি কমে।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমি একটি সাইটে HTTPS না থাকার কারণে ব্রাউজারে “Not Secure” দেখাচ্ছিল। এতে ইউজার ভয় পেয়ে চলে যেত। পরে যখন SSL ইনস্টল করলাম, তখন এই সতর্কবার্তা চলে গেল, ইউজারের বিশ্বাস বাড়ল এবং গুগল থেকেও ভালো সিগন্যাল পেতে শুরু করলাম।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি কোনো ফর্মে নিজের ইমেইল বা পাসওয়ার্ড দেন, কিন্তু সাইটে তালা চিহ্ন না থাকে, আপনি কি স্বস্তি পাবেন? না। গুগলও ঠিক তাই ধরে নেয়। তাই HTTPS ও SSL শুধু সিকিউরিটির জন্য নয়, বরং SEO ও ইউজার ট্রাস্টের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমি যখন Technical SEO অপটিমাইজ করি, তখন URL স্ট্রাকচার আর canonical ট্যাগকে খুব গুরুত্ব দিই। কারণ গুগল প্রথমেই URL দেখে বুঝতে চায় পেজটা কী নিয়ে। পরিষ্কার ও ছোট URL যেমন ইউজারকে সাহায্য করে, তেমনি গুগলকেও পেজ বুঝতে সহজ করে। আর canonical ট্যাগ গুগলকে বলে দেয় একই ধরনের একাধিক পেজ থাকলে কোনটা আসল।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমার সাইটে একই কনটেন্টের একাধিক URL ছিল (with/without slash, HTTP/HTTPS ইত্যাদি)। ফলে গুগল কনফিউজড হচ্ছিল কোনটা র্যাঙ্ক করবে। পরে canonical ট্যাগ সেট করার পর ডুপ্লিকেট সমস্যা কমে যায় এবং র্যাঙ্ক স্টেবল হয়।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, ধরুন আপনার একটি পেজ আছে
Canonical ট্যাগ দিয়ে আপনি গুগলকে জানিয়ে দেন কোনটা মূল। এতে র্যাঙ্ক ভাগ হয়ে যায় না এবং SEO শক্ত থাকে।
আমি যখন কোনো সাইটের Technical SEO অডিট করি, তখন সবচেয়ে আগে যেটা দেখি তা হলো broken link, ভুল redirect আর crawl error আছে কি না। কারণ এগুলো ইউজার এক্সপেরিয়েন্স নষ্ট করে এবং গুগলকেও বিরক্ত করে। Broken link মানে এমন লিংক যেটায় ক্লিক করলে পেজ খোলে না, আর crawl error মানে গুগল সেই পেজে ঢুকতেই পারছে না।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার আমার সাইটে অনেক পুরনো পেজ ডিলিট করেছিলাম কিন্তু রিডাইরেক্ট দিইনি। ফলে অনেক 404 error তৈরি হয়। গুগল এগুলো দেখিয়ে র্যাঙ্ক কমাতে শুরু করে। পরে আমি সঠিক 301 redirect সেট করি এবং broken link ঠিক করি। এর পরই সাইটের হেলথ ভালো হতে শুরু করে।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি যদি একটি দোকানে যান আর বারবার বন্ধ দরজা পান, আপনি কি আবার যাবেন? না। গুগলও তাই ধরে নেয়। তাই broken link ঠিক রাখা, সঠিক redirect দেওয়া আর crawl error কমানো Technical SEO-এর খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আমি যখন নতুন ওয়েবসাইট লাইভ করি, তখন একদম শুরুতেই একটি Basic Technical SEO checklist ফলো করি। এতে করে পরে বড় সমস্যা তৈরি হয় না এবং গুগল সাইটটাকে দ্রুত বুঝতে পারে। এই চেকলিস্ট মানে হলো সব বেসিক টেকনিক্যাল সেটআপ ঠিক আছে কি না সেটা নিশ্চিত করা।
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আগে আমি চেকলিস্ট ছাড়াই সাইট লাইভ করতাম। ফলে পরে গিয়ে robots.txt ব্লক, sitemap মিসিং বা SSL না থাকার মতো সমস্যা ধরা পড়ত। পরে সব ঠিক করতে অনেক সময় লাগত। এখন আমি শুরুতেই সব ঠিক করে নিই, এতে গুগল থেকেও দ্রুত ভালো সিগন্যাল আসে।
বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ধরুন, একটি নতুন সাইট লাইভ করার আগে আপনি যদি এইগুলো চেক করেন HTTPS আছে কি না, sitemap সাবমিট হয়েছে কি না, মোবাইলে ঠিক দেখা যায় কি না তাহলে আপনি শুরুতেই বড় ভুল এড়াতে পারবেন। এই ছোট checklist-ই নতুন ওয়েবসাইটের জন্য শক্ত Technical SEO ভিত্তি তৈরি করে।