ঢাকা
  • সকল বিভাগ
  1. Ai online income
  2. Ai দিয়ে ইনকাম করুন
  3. Blog and website
  4. Blog ও website ইনকাম
  5. Content writing
  6. Digital marketing
  7. Digital মাকেটিং
  8. Freelancing
  9. Online business
  10. Online guidelines
  11. Online income
  12. Online গাইড লাইন
  13. online ব্যবসা
  14. Passive ইনকাম
  15. SEO Online income

সৌদি আরবে হামলায় বাংলাদেশি শাহেদ নিহত: জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেওয়ার কথা ছিল স্ত্রীর কাছে

Link Copied!

print news

 

সৌদি আরবে হামলায় বাংলাদেশি প্রবাসী শাহেদ আহম্মেদের মৃত্যুর খবরে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ৩২ বছর বয়সী শাহেদ পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ছুটি শেষে সৌদি আরবে ফিরছিলেন। রিয়াদে পৌঁছে তিনি স্ত্রী কাকলি বেগমকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, জেদ্দায় পৌঁছে আবার যোগাযোগ করবেন। কিন্তু সেই ফোন আর আসেনি। পরে তাঁর মৃত্যুসংবাদ পান স্ত্রী।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় শাহেদসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হন। নিহত অন্য বাংলাদেশির বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। শাহেদের পরিবার এখন তাঁর মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মরদেহ দেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

১. সৌদি আরবে হামলায় বাংলাদেশি শাহেদ নিহত

সৌদি আরবে হামলায় বাংলাদেশি প্রবাসী শাহেদ আহম্মেদের মৃত্যুর সংবাদ তাঁর পরিবার ও স্বজনদের গভীর শোকে নিমজ্জিত করেছে। প্রথম আলোর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় শাহেদসহ দুই বাংলাদেশি প্রাণ হারান। ঘটনাটি সামনে আসার পর তাঁর গ্রামের বাড়িতে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়।

শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর থেকে মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী কাকলি বেগমের জন্য এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। স্বামীর সঙ্গে শেষ ফোনালাপে তিনি জেনেছিলেন, শাহেদ রিয়াদে পৌঁছেছেন এবং জেদ্দায় পৌঁছে আবার ফোন করবেন। সেই প্রত্যাশার জায়গায় আসে মৃত্যুর খবর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সময় শনিবার রাতে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটে। তবে হামলার বিস্তারিত পরিস্থিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং ঘটনার পরবর্তী তদন্ত সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য অনুসরণ করা প্রয়োজন।

২. কে ছিলেন শাহেদ আহম্মেদ?

শাহেদ আহম্মেদের বয়স ছিল ৩২ বছর। তাঁর বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। তাঁর বড় বোনের বিয়ে হয়েছে এবং তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছেন। বাবার কাছে গিয়ে কাজ করার উদ্দেশ্যে প্রায় দুই বছর আগে শাহেদও সৌদি আরবে পাড়ি জমান।

প্রবাসে কাজ করার মধ্য দিয়ে পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করছিলেন শাহেদ। বিদেশে থাকা অনেক বাংলাদেশির মতো তাঁর জীবনেও পরিবারের জন্য উপার্জন করা এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ছিল। ছুটিতে দেশে ফিরে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তিনি আবার কর্মস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। কিন্তু সৌদি আরবে ফেরার যাত্রা তাঁর পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

একজন প্রবাসীর মৃত্যু শুধু তাঁর নিজের জীবনের সমাপ্তি নয়; এর প্রভাব পড়ে স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা, ভাই-বোন এবং আত্মীয়স্বজনের ওপরও। শাহেদের পরিবারও এখন এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে প্রিয়জনের অনুপস্থিতি এবং মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষা একসঙ্গে তাদের কষ্ট বাড়িয়ে তুলছে।

৩. স্ত্রীর সঙ্গে শেষ ফোনালাপ ছিল হৃদয়বিদারক

শাহেদ আহম্মেদের স্ত্রী কাকলি বেগমের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয় সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে কাকলি বেগমের বক্তব্য অনুযায়ী, শাহেদ ফোন করে জানিয়েছিলেন যে তিনি রিয়াদে নেমেছেন এবং জেদ্দায় পৌঁছে আবার ফোন দেবেন। এরপর স্ত্রী তাঁর ফোনের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত সেই ফোন আর আসেনি।

পরিবারের কাছে প্রিয়জনের কাছ থেকে একটি ফোনকল কখনো কখনো আশ্বাস ও নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করে। বিশেষ করে বিদেশে যাত্রার সময় পরিবারের সদস্যরা সাধারণত জানতে চান, যাত্রা ঠিকভাবে হচ্ছে কি না এবং প্রিয়জন নিরাপদে পৌঁছেছেন কি না। শাহেদের ক্ষেত্রেও তাঁর স্ত্রী এমন একটি ফোনের অপেক্ষায় ছিলেন। পরে যখন মৃত্যুসংবাদ আসে, তখন সেই অপেক্ষা পরিণত হয় গভীর শোকে।

কাকলি বেগমের জন্য স্বামীর সঙ্গে শেষ কথোপকথনের স্মৃতি এখন বিশেষভাবে বেদনাদায়ক। কারণ, তাঁদের শেষ আলাপে স্বাভাবিকভাবে পরবর্তী ফোনের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমনভাবে বদলে যায় যে পরিবারের সদস্যদের আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া সহজ নয়।

এই ঘটনার বিবরণ থেকে বোঝা যায়, বিদেশে কর্মরত একজন মানুষের নিরাপদে যাত্রা এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো ঘটনার দায় বা কারণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আবেগের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য তথ্য ও আনুষ্ঠানিক তদন্তের ওপর নির্ভর করা জরুরি।

৪. স্ত্রী ও দুই ছেলেকে রেখে গেলেন শাহেদ

শাহেদ আহম্মেদ ও কাকলি বেগমের সংসারে রয়েছে দুই ছেলে—কাওছার ও আবদুল্লাহ। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের বয়স যথাক্রমে ১১ ও ৬ বছর। বাবার মৃত্যুর সংবাদ পরিবারের জন্য গভীর শোকের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন উদ্বেগও তৈরি করতে পারে।

শিশুদের কাছে বাবা শুধু পরিবারের উপার্জনকারী নন; তিনি নিরাপত্তা, ভালোবাসা এবং মানসিক আশ্রয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অল্প বয়সে বাবাকে হারানোর মতো পরিস্থিতিতে তাদের পাশে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন এবং পরিচিতজনদের সহানুভূতিশীলভাবে থাকা প্রয়োজন। শিশুদের বয়স ও বোঝার ক্ষমতা অনুযায়ী সত্য কথা কোমলভাবে বোঝানো এবং তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

শাহেদের মা শাহেরা বেগমও ছেলের মৃত্যুসংবাদে ভেঙে পড়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এখন মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। এই সময়ে তাদের মানসিক সমর্থন, প্রয়োজনীয় তথ্য এবং প্রশাসনিক সহায়তা পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

প্রবাসী পরিবারের এমন সংকটে স্থানীয় প্রশাসন, আত্মীয়স্বজন ও কমিউনিটির সহায়তা কার্যকর হতে পারে। পরিবারের প্রয়োজন সম্পর্কে তাদের সঙ্গে কথা বলে সহায়তা করা উচিত, তবে ব্যক্তিগত শোককে প্রচারের বিষয় বানানো বা যাচাইহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।

৫. দুই বছর ধরে সৌদি আরবে ছিলেন শাহেদ

পারিবারিক সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহেদের বাবা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে থাকেন। বাবার কাছে গিয়ে প্রায় দুই বছর আগে শাহেদও সৌদি আরবে পাড়ি জমান। প্রবাসজীবনে তিনি কাজ করতেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। এক মাস আগে তিনি ছুটিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন।

পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পর ছুটি শেষে গত শুক্রবার তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। তাঁর সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট নির্ধারিত ছিল ১০ অক্টোবর। যাত্রাপথে রিয়াদে পৌঁছে তিনি স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। এরপর জেদ্দায় পৌঁছে আবার ফোন দেওয়ার কথা জানান। কিন্তু সেই যাত্রার পর তাঁর মৃত্যুসংবাদ পরিবারকে জানানো হয়।

বাংলাদেশের বহু পরিবার প্রবাসে থাকা সদস্যদের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল। বিদেশে কাজ করতে যাওয়া মানুষেরা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় ও স্থিতিশীল জীবনের স্বপ্ন দেখেন। তাই কোনো প্রবাসীর আকস্মিক মৃত্যু পরিবারের দৈনন্দিন জীবন, সন্তানদের লালন-পালন এবং আর্থিক পরিকল্পনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে শাহেদের নির্দিষ্ট পেশা, কর্মস্থল বা আয়ের বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই। এসব বিষয়ে অনুমান করে তথ্য প্রকাশ না করে পরিবারের বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করা উচিত।

৬. শাহেদের মরদেহ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ

শাহেদের মৃত্যুর পর পরিবারের প্রধান প্রত্যাশা এখন তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাইফুর রহমান জানিয়েছেন, সরকারি উদ্যোগে মরদেহ দেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বিদেশে কোনো বাংলাদেশির মৃত্যু হলে মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেট এবং দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে। ঘটনার ধরন ও স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি, অনুমোদন এবং পরিবহনের ব্যবস্থা করতে হয়। ফলে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগতে পারে।

শাহেদের পরিবারের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত কঠিন। একদিকে স্বজন হারানোর শোক, অন্যদিকে মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষা—দুই পরিস্থিতি একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে তাদের। এমন সময়ে প্রশাসনের নিয়মিত যোগাযোগ এবং যাচাইকৃত তথ্য জানানো পরিবারের উদ্বেগ কমাতে সহায়তা করতে পারে।

তবে মরদেহ দেশে ফেরানোর নির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই নতুন কোনো সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশে ফেরার সময় নিয়ে নিশ্চিত দাবি করা ঠিক হবে না।

৭. প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও জরুরি যোগাযোগ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বিদেশে কাজ করতে যাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য নিরাপত্তা, জরুরি যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীদের উচিত কর্মস্থল ও বসবাসের ঠিকানা পরিবারের কাছে রাখা, জরুরি যোগাযোগের নম্বর সংরক্ষণ করা এবং সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যোগাযোগের তথ্য জানা।

কোনো নিরাপত্তাজনিত ঘটনা ঘটলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং যাচাই না করা খবরের ভিত্তিতে আতঙ্কিত না হওয়া প্রয়োজন। বিমানবন্দর, কর্মস্থল কিংবা জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হলে তা মেনে চলা উচিত। জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় জরুরি সেবা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

পরিবারের সদস্যদেরও প্রবাসে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের একটি নিয়মিত ব্যবস্থা রাখা উপকারী। তবে যোগাযোগে দেরি হলেই কোনো বিপদ ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগের চেষ্টা এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা ভালো।

শাহেদ আহম্মেদের মৃত্যুর ঘটনাটি প্রবাসী পরিবারগুলোর উদ্বেগ আরও বাড়াতে পারে। তবে প্রতিটি ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি আলাদা। তাই নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন থাকার পাশাপাশি গুজব, অসমর্থিত ছবি বা ভুল তথ্য প্রচার এড়িয়ে চলা জরুরি।

৮. সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

সৌদি আরবে নিহত বাংলাদেশি শাহেদ আহম্মেদের বাড়ি কোথায়?

তাঁর বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে।

শাহেদ আহম্মেদের বয়স কত ছিল?

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর বয়স ছিল ৩২ বছর।

শাহেদ কোথায় নিহত হন?

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় তিনি নিহত হন।

শাহেদ আহম্মেদের স্ত্রী ও সন্তান কয়জন?

তাঁর স্ত্রী কাকলি বেগম এবং দুই ছেলে রয়েছে। তাঁদের ছেলেদের নাম কাওছার ও আবদুল্লাহ; প্রতিবেদনে তাদের বয়স যথাক্রমে ১১ ও ৬ বছর বলা হয়েছে।

শাহেদ কত বছর ধরে সৌদি আরবে ছিলেন?

পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, তিনি প্রায় দুই বছর আগে সৌদি আরবে যান। তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করছেন।

শাহেদের মরদেহ কি দেশে আনা হচ্ছে?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরদেহ দেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে মরদেহ ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

শাহেদের মৃত্যুর খবর কে জানিয়েছেন?

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে তাঁর স্ত্রী কাকলি বেগমের বক্তব্য এবং পরিবারের সদস্যদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগের বিষয়টিও জানিয়েছেন।

উপসংহার

সৌদি আরবে হামলায় বাংলাদেশি প্রবাসী শাহেদ আহম্মেদের মৃত্যু তাঁর পরিবারে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। রিয়াদে পৌঁছে জেদ্দায় যাওয়ার পর স্ত্রীকে ফোন দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ফোনের পরিবর্তে পরিবারকে শুনতে হয়েছে তাঁর মৃত্যুসংবাদ। স্ত্রী কাকলি বেগম, দুই ছেলে এবং স্বজনেরা এখন তাঁর মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

শাজাহানপুর উপজেলা প্রশাসন মরদেহ দেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম ও সরকারি সূত্রের আপডেট অনুসরণ করা উচিত।

সংবাদসূত্র: প্রথম আলো — জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব, বলেছিলেন শাহেদ, স্ত্রী পেলেন মৃত্যুর খবর

সম্পাদকের নোট: এই পোস্টে প্রকাশিত সংবাদ থেকে তথ্য নিয়ে নতুনভাবে লেখা হয়েছে। মরদেহ দেশে ফেরানোর সময় বা হামলার বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করে আপডেট করুন।

অনলাইন ইনকাম শুরু করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট দক্ষতা, ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা। কেউ লেখালেখিতে পারদর্শী হলে কনটেন্ট রাইটিং করতে পারে, আবার কেউ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে। প্রথমদিকে আয় কম হলেও নিয়মিত পরিশ্রম ও শেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি সম্ভব। পাশাপাশি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন ও প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম শুধু অতিরিক্ত আয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ইনকাম মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করা এখন সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন টিউশনি ও ই–কমার্সের মতো মাধ্যমগুলো তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবীদেরও আকৃষ্ট করছে। অনলাইন আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বাধীনতা—নিজের সময় অনুযায়ী কাজ করা যায় এবং বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এতে কর্মসংস্থানের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই ওয়েবসাইটে অনলাইন ইনকাম, ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, AI, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং বিভিন্ন আয়ের উপায় সম্পর্কে শিক্ষামূলক তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রতিদিন আপডেট পেতে accept ক্লিক করুন Accept No thanks